কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ মনসুখ মাণ্ডব্য সারা দেশে ১০০টি স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন ফুড স্ট্রিট তৈরির জন্য ‘ফুড স্ট্রিট প্রোজেক্ট’টি পর্যালোচনা করেছেন। পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এফএসএসএআই)-এর উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। এই প্রকল্পের লক্ষ্য খাদ্য ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যকর এবং সুরক্ষিত খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহ দেওয়া যাতে খাদ্য থেকে অসুস্থতা কমে এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। স্বাস্থ্য এবং পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের ন্যাশনাল হেলথ মিশন (এনএইচএ) পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১০০টি ‘ফুড স্ট্রিট’কে ১ কোটি টাকা করে সহায়তা দেবে। এই অনুদান দেওয়া হবে ৬০:৪০ বা ৯০:১০ অনুপাতে। শর্ত থাকবে যে এফএসএসএআই-এর বিধি-নিয়ম মেনে এই ‘ফুড স্ট্রিট’গুলি ব্র্যান্ডিং করতে হবে। আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে নিরাপদ পানীয় জল, হাত ধোয়া, শৌচাগার ব্যবস্থা, মেঝেতে টাইলস লাগানো, যথাযথ তরল ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডাস্টবিন রাখা, বিলবোর্ড ব্যবহার, মজুত রাখার ব্যবস্থা, আলো, বিশেষ বিশেষ খাবারের জন্য বিশেষ ধরনের ঠেলাগাড়ি ইত্যাদির জন্য। ভারতের খাদ্য সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত রাস্তার খাবার। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এর একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। দ্রুত নগরায়নের সঙ্গে সঙ্গে সুলভে এবং সহজে খাবার খেতে রাস্তার খাবারের দোকানগুলিই ভরসা। তবে, এগুলির সুরক্ষা এবং পরিচ্ছন্নতা নিয়ে উদ্বেগ আছে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রক ‘ফুড স্ট্রিট’ হাবগুলির খাদ্যের মান এবং পরিচ্ছন্নতার উন্নতি করতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রশিক্ষণ, নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষ অডিট, শংসাপত্র দান ইত্যাদি একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে চারটি ‘ফুড স্ট্রিট’ গড়ার প্রস্তাব রয়েছে। এর পাশাপাশি আসামে চারটি, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, সিকিম, ত্রিপুরা এবং আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে একটি করে ‘ফুড স্ট্রিট’ তৈরি করা হবে। সূত্র: পিআইবি