কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প মন্ত্রক ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষ থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্পদ যোজনার আওতায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তুলতে সাহায্য করছে। এই প্রকল্পে সিকিম সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি, হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পটির মাধ্যমে বিশেষ ছাড়ের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। দ্বীপাঞ্চল ও বিভিন্ন রাজ্যের প্রজ্ঞাপিত সুসংহত উপজাতি উন্নয়ন অঞ্চলেও এই ছাড়ের সুযোগ পাওয়া যাবে। এরফলে কোনো প্রকল্পের মূল্যায়ণের সময় এবং তহবিল দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধাযুক্ত অঞ্চলগুলি অতিরিক্ত সুবিধা পাবে। এই প্রকল্পের আওতায় : ১. মেগা ফুড পার্ক সাধারণ অঞ্চলে সর্বোচ্চ ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত কোনো প্রকল্পে ৫০ শতাংশ অনুদান সাহায্য হিসেবে দেওয়া হয়। তবে উত্তর পূর্বাঞ্চল, হিমালয় সন্নিহিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং রাজ্যের প্রজ্ঞাপিত উপজাতি উন্নয়ন অঞ্চলে মোট প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। ২. হিমঘর ও অতিরিক্ত পরিকাঠামো নির্মাণ সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে হিমঘর ও অন্যান্য অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা গড়ে তুলতে সাধারণ জায়গায় প্রকল্পের ৩৫ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। তবে উত্তর পূর্বাঞ্চল, হিমালয় সন্নিহিত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং রাজ্যের প্রজ্ঞাপিত উপজাতি উন্নয়ন অঞ্চলে মোট প্রকল্পের ৫০ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। প্রকল্পে তেজস্ক্রিয় পদার্থের সাহায্যে খাদ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সাধারণ অঞ্চলে ৫০ শতাংশ এবং বিশেষ সুবিধা সম্পন্ন অঞ্চলে ৭৫ শতাংশ অনুদান পাওয়া যাবে। ৩. খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও খাদ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত পরিকাঠামো নির্মাণ সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রকল্পে সাধারণ অঞ্চলে ৩৫ শতাংশ ও বিশেষ সুবিধাযুক্ত অঞ্চলে প্রকল্পের ৫০ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে পাওয়া যাবে। ৪. কৃষি প্রক্রিয়াকরণ ক্লাস্টারের জন্য পরিকাঠামো নির্মাণ সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে সাধারণ অঞ্চলে ৩৫ শতাংশ ও বিশেষ সুবিধাযুক্ত অঞ্চলে ৫০ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। ৫. পশ্চাৎপদ ও উন্নত অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে তোলা সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে সাধারণ অঞ্চলে ৩৫ শতাংশ এবং বিশেষ সুবিধাযুক্ত অঞ্চলে ৫০ শতাংশ অর্থ অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে। সূত্র: পিআইবি