ভারত সরকার বারাণসী রেল স্টেশনে নতুন একটি একজিকিউটিভ লাউঞ্জ বা আরামকক্ষ জাতির উদ্দেশে উৎসর্গ করেছে। এই উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল শ্রীমতী আনন্দীবেন প্যাটেল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান তথা মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক শ্রী সুনীত শর্মা, উত্তর রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী আশুতোষ গঙ্গোয়াল, রাষ্ট্রায়ত্ত আইআরসিটিসি-র চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডাইরেক্টর শ্রীমতী রজনী হাসিজা, লক্ষ্ণৌ-এর ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার শ্রী এস কে সাপরা -সহ উত্তর রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সুপ্রাচীন বারাণসী শহরের প্রবেশ দ্বার বারাণসী রেল স্টেশনে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলার লক্ষ্যে উত্তর রেল সেখানে একটি নতুন লাউঞ্জ বা আরামকক্ষ গড়ে তুলেছে। প্রতি বছর দেশ-বিদেশের লক্ষ লক্ষ যাত্রী বারাণসী শহরে আসেন। তাঁদের আধুনিক স্বাচ্ছন্দ্যের বিষয়টিকে বিবেচনায় রেখে বারাণসী রেল স্টেশনে এই লাউঞ্জ গড়ে তোলা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত আইআরসিটিসি এই লাউঞ্জ পরিচালনার দায়িত্বে থাকছে। স্টেশনে আগত যাত্রীরা যাত্রা শুরুর পূর্বে এবং স্টেশনে এসে পৌঁছনোর পর খানিক সুখ-বিলাসিতার জন্য এই লাউঞ্জ ব্যবহার করতে পারবেন। প্রাচীন পঞ্চতত্ত্বের আদর্শের ওপর ভিত্তি করে এই আরামকক্ষের নকশা তৈরি করা হয়েছে। যাত্রীরা এই লাউঞ্জে মাশুলে মেটানোর মাধ্যমে মিউজিক, ওয়াইফাই ইন্টারনেট কানেকশন, টিভি, ট্রেন ইনফরমেশন ডিসপ্লে, উষ্ণ ও শীতল পানীয়, সুস্বাদু বিভিন্ন ধরনের খাবার, আরামকেদারা, লাগেজ রেক ও লকার, রেস্ট রুম -সহ শৌচালয়, সংবাদপত্র-পত্রিকা প্রভৃতির সুবিধা নিতে পারবেন। এছাড়াও, অত্যাধুনিক এই লাউঞ্জে কম্পিউটার, প্রিন্টার, ফটোস্ট্যাট ও ফ্যাক্সের মতো সুবিধা রয়েছে। এমনকি, লাউঞ্জে যে ট্র্যাভেল ডেস্ক রয়েছে সেখান থেকে টিকিট, হোটেল ও ক্যাব বুকিং করা যাবে। সূত্র: পিআইবি