উদ্দেশ্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলিকে ওবিসিদের উন্নয়নের জন্য অনুদান দেওয়ার বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকার নবম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলাকালীন গ্রহণ করে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে অনুদান দেওয়ার মূল কারণ তারা যেন ওবিসিদের শিক্ষাগত ও আর্থ -সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কল্যাণমূলক কাজকর্ম সংগঠিত করতে সক্ষম হয়। ওবিসিদের শিক্ষাবিস্তার ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে অনুদান দেওয়া হয় যাতে অর্থ উপার্জনের সুযোগ রয়েছে এমন কাজের জন্য তাদের দক্ষতার উন্নতি ঘটাতে পারে অথবা কোনও না কোনও ক্ষেত্রে তাদের নিয়োগের সুযোগ করে দিতে পারে। ভালো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে শুধু সহায়তা দেওয়াই উচিত নয়, সচেতন ভাবে গড়ে তোলাও উচিত, এই নীতিই এই প্রকল্প প্রণয়নের মূল চালিকাশক্তি ছিল। উদ্দিষ্ট গোষ্ঠী এবং যোগ্যতামান স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি কেবলমাত্র নিম্নলিখিত ওবিসিদের বেছে নেবে— ওবিসিদের কেন্দ্রীয় তালিকা অনুযায়ী যারা ওই শ্রেণিভুক্ত। যে সব ওবিসিভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের বাবা-মায়ের সব সূত্র থেকে রোজগার বছরে একলক্ষ টাকা বা তার কম কেবলমাত্র তারাই এই প্রকল্পের সুযোগ পাবে। সুযোগ এই প্রকল্পের আওতায় সহায়তা পেতে গেলে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে- এই সংস্থাকে উপযুক্ত আইনের আওতায় রেজিস্টার্ড হতে হবে যাতে এর একটি কর্পোরেট চরিত্র ও একটি আইনি সত্তা থাকে এবং এর কাজকর্মে যেন একটি গোষ্ঠীগত দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয়। যথাবিহিত ভাবে ম্যানেজিং কমিটি বা এক্সিকিউটিভ কমিটি গঠন করতে হবে যাতে যথার্থ প্রশাসনিক কাঠামো বজায় থাকে। সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং ওই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে কী কর্মসূচি নেওয়া হয় তা সুনির্দিষ্ট ভাবে লিখিত থাকতে হবে। সংস্থাগুলি তাদের নিজস্ব সদস্য ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতি দ্বারা পরিচালিত হবে। বাইরে থেকে এগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এই সংস্থাগুলি ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগত মুনাফার লক্ষ্যে কাজ করবে না। মন্ত্রক নামজাদা ও প্রতিষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে চিহ্নিত করে তাদের গ্রামীণ ও অনুন্নত এলাকায়, যেখানে আগে এ ধরনের কাজ হয়নি, বিভিন্ন ধরনের সুযোগ তৈরি করার জন্য বলতে পারে। এই ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলি নিজেরা বা অন্যদের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে কাজ করতে পারে। আরও তথ্যের জন্য : অ্যাসিস্টান্স টু ভলেন্টিয়ারি অর্গানাইজেশন ফর ওয়েলফেয়ার অফ ওবিসি অ্যাসিস্ট্যান্স টু ভিওস ওয়ার্কিং ফর দ্য ওয়েলফেয়ার অফ ওবিসি-জিআইএ টু এনজিও(লাস্ট ফাইভ ইয়ার্স) ২০১৩-১৪ সালে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে প্রদত্ত জিআইএ ‘অ্যাসিস্টান্স টু ভলান্টারি অর্গানাইজেশনস ওয়ার্কিং ফর দ্য ওয়েলফেয়ার অফ ওবিসিজ’ এনজিও-দের অনুদানের ক্ষেত্রে রাজ্যওয়ারি ও এনজিওওয়ারি বিস্তারিত বিবরণ ‘অ্যাসিস্টান্স টু ভলান্টারি অর্গানাইজেশনস ওয়ার্কিং ফর দ্য ওয়েলফেয়ার অফ ওবিসিজ’ ডিউরিং ২০১১-২০১২। সুত্রঃ পোর্টাল কনটেন্ট টিম