পশ্চিমবঙ্গে সরকারি পরিষেবা রাজ্যবাসীকে প্রদেয় পরিষেবা সংখ্যার নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি অগ্রণী রাজ্য। আর এই সব পরিষেবার বেশির ভাগই গ্রামের দরিদ্র ও শহরের বস্তিবাসীদের পাওয়ার কথা। এটা তাঁদের অধিকার। কিন্তু অনেক সময়েই দরিদ্র মানুষজন ওই সব পরিষেবার সুযোগ নিতে পারেন না --- অনেক সময়েই সরকারি কর্মীদের দুর্নীতি বা অলসতার কারণে, অথবা রাজ্যবাসীদের আস্থার অভাব বা অজ্ঞতার কারণে। পরিষেবা পেতে হলে আগে জানতে হবে কী কী পরিষেবা পাওয়ার অধিকারী আপনি। এবং এটা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে আপনার এলাকায় সরকারি অফিস কোথায়? আপনার এলাকায় সরকারি দফতর চিনুন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে কোথায় আপনার গ্রামের অবস্থান সেটা আগে জানা দরকার। পশ্চিমবঙ্গ ৪২টি লোকসভা আসনে বিভক্ত। প্রত্যেক লোকসভা আসন থেকে এক জন করে সাংসদ নির্বাচিত হন। তাঁকে কমবেশি ২৩ লক্ষ ভোটার নির্বাচিত করেন। আপনার সাংসদের নাম ও বিস্তারিত জানতে চাইলে here অথবা here ক্লিক করুন। আগে আপনার রাজ্যে ক্লিক করুন, তার পর সংসদীয় ক্ষেত্রের মধ্যে আসুন। সাংসদের নামে ক্লিক করলে তাঁর মোবাইল নম্বর, ঠিকানার মতো গুরুত্বপূর্ণ আরও তথ্য পাবেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বিভক্ত। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এক জন করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। প্রায় ৩ লক্ষ ২০ হাজার মানুষ তাঁকে নির্বাচিত করেন। রাজ্যের মানচিত্রের জন্য here ক্লিক করুন, তার পর নীচে ডান দিকে লোকসভা কেন্দ্রের নামে ক্লিক করলে বিধানসভা কেন্দ্রের নাম দেখা যাবে। বিধানসভা কেন্দ্রে ক্লিক করলে সেখানকার বিধায়কের নাম ও যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় শাসন গ্রাম পঞ্চায়েতে বিভক্ত। গড়পড়তা একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৫ হাজার মানুষ থাকেন। প্রত্যেক গ্রাম পঞ্চায়েতে একজন নির্বাচিত প্রধান আছেন। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় সাধারণত দু’টি করে গ্রাম থাকে। প্রশাসনিক কারণে পশ্চিমবঙ্গকে তিনটি ডিভিশনে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক ডিভিশনে এক জন করে ডিভিশনাল কমিশনার রয়েছেন। here ক্লিক করলে ডিভিশনের মানচিত্র দেখা যাবে। প্রতিটি ডিভিশন বেশ কয়েকটি জেলা নিয়ে গঠিত। পশ্চিমবঙ্গে কল্কাতা-সহ মোট ২০টি জেলা রয়েছে। here ক্লিক করলে জেলাগুলির সচিত্র মানচিত্র, সদর দফতর এবং জনসংখ্যা পাওয়া যাবে। প্রতিটি জেলার শাসনকার্য পরিচালনা করেন এক জন জেলা শাসক। এখানে ক্লিক করলে জেলাশাসকদের সঙ্গে যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। প্রতিটি জেলা আবার একাধিক মহকুমায় বিভক্ত। প্রতিটি মহকুমা এক জন মহকুমাশাসক বা এসডিও-র শাসনাধীন। প্রতিটি জেলায় রয়েছে বহু ব্লক প্রশাসন ও নগর এলাকা। এদের নাম জানতে হলে দেখুন- www.districts.nic.in প্রাপ্ত পরিষেবা পানীয় জল দফতর ও অধিকার প্রতিটি গ্রামে পরিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াকে কেন্দ্রীয় সরকার লক্ষ্য হিসাবে ঘোষণা করেছে। পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি স্তরে বেশ কয়েকটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং কিছু অগ্রগতি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক -পানীয় জল ও পরিচ্ছনতা দফতর। ওয়েবসাইট -- http://ddws.nic.in/ পশ্চিমবঙ্গ সরকার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। ওয়েবসাইট --http://www.wbphed.gov.in/ স্থানীয় প্রশাসন শহরের ক্ষেত্রে স্থানীয় পুরসভা/মিউনিসিপ্যালিটি জল সরবরাহের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিকার (সেরা সূত্র : http://www.indianyojana.com/vikas-yojana/bharat-nirman.htm) (ক) ভারত নির্মাণের আওতায় লক্ষ্য : প্রতিটি গ্রামে পরিশুদ্ধ পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া। (here ওয়েবসাইট দেখুন) জন পিছু দৈনিক ৪০ লিটার জলের ব্যবস্থা করা। (here ভারত নির্মাণ পুস্তিকার ১১ পৃষ্ঠা দেখুন) প্রতি ২৫০ জন ব্যক্তি পিছু একটি করে হ্যান্ডপাম্পের ব্যবস্থা করা। (here ভারত নির্মাণ পুস্তিকার ১১ পৃষ্ঠা দেখুন) কোনও মতেই জলের সূত্র যেন সমতল এলাকায় ১.৬ কিলোমিটারের দূরে বা পাহাড়ি এলাকার ক্ষেত্রে ১০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় না হয়। (here ভারত নির্মাণ পুস্তিকার ১১ পৃষ্ঠা দেখুন) (খ) ওয়াটসন (ইউনিসেফ) পানীয় জল, শৌচালয় (here ওয়েবসাইট দেখুন) (গ) জাতীয় জল ও পরিচ্ছনতা মিশন (here ওয়েবসাইট দেখুন) আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ৩ মাস) ক) আপনার গ্রামে জল সরবরাহ সম্পর্কিত তথ্যাদি ঠিক রয়েছে কিনা তা দেখার জন্য here কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট দেখে নিন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের ওয়েবসাইটও here দেখুন। খ) here কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটে দেখে নিন আপনার ব্লকে জল পরীক্ষা করা হয়েছে কিনা। here জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের ওয়েবসাইটেও এই তথ্য দেখে নেওয়া যেতে পারে। গ) যদি পরিমাণ ও গুণগত দিক দিয়ে জল নিয়ে অসন্তোষ থাকে তা হলে জল পরীক্ষা বা জলের নতুন সূত্র সন্ধানের জন্য রাজীব গান্ধী ন্যাশানাল ড্রিংকিং ওয়াটার মিশনে আবেদন করুন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য here যোগাযোগ করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) ক) যেখানে আবেদন করেছিলেন সেখানে আরও এক বার যান, অভিযোগ জমা দিন; তার পর খ) জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরে যোগাযোগের জন্য রাজ্য প্রশাসনে ২২৪৮-৬৭৬৯ নম্বরে ফোন করুন; তার পর গ) রাজীব গান্ধী ন্যাশানাল ড্রিংকিং ওয়াটার মিশনে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। here যোগাযোগ করুন; তার পর ঘ) জাস্টিস ভেঞ্চারস ইন্টারন্যাশানাল --দিল্লির জাস্টিস রিসোর্স সেন্টারে যোগাযোগ করুন। ফোন : ৯১-১১-৪০৫০ অথবা ই-মেল delhi@justiceventures.org খাদ্য খাদ্য (রেশন কার্ড) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার খাদ্য ও গণবণ্টন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য here ক্লিক করুন) Nutrition Resource Platform www.poshan.nic.in পশ্চিমবঙ্গ সরকার খাদ্য ও অসামরিক সরবরাহ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য here ক্লিক করুন, তার পর ‘ফুড অ্যান্ড সাপ্লাইজ’-এ ক্লিক করুন) অধিকার সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-http://www.sccommissioners.org/FoodSchemes/TPDS.html (ক) নিয়মিত অধিবাসী --- যাঁরা দারিদ্রসীমার উপরে তাঁদের জন্য এপিএল রেশন কার্ড। পশ্চিমবঙ্গে স্থায়ী ভাবে বসবাসকারী যে কেউ রেশন কার্ড পেতে পারেন, তাঁর রোজগার যা-ই হোক না কেন। (খ) গরিব অধিবাসী --- দারিদ্রসীমার নীচে আছেন এমন নাগরিকরা বিপিএল রেশন কার্ড পেতে পারেন (here সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখুন।)। তবে তাঁর নাম বিপিএল তালিকায় থাকতে হবে। দুর্দশাগ্রস্ত অধিবাসী --- (যেমন প্রতিবন্ধী বা বিধবা) যাঁদের কোনও সহায়সম্বল নেই তাঁদের অন্ত্যদয় অন্ন যোজনার (এএওয়াই) রেশন কার্ড দেওয়া হয়, তাঁদের নাম বিপিএল তালিকায় থাকুক বা না থাকুক (here সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখুন।)। দর ও মাসিক রেশনের পরিমাণ (here খাদ্য ও গণবণ্টন দফতর দেখুন) গম চাল চিনি মুসুর ডাল এপিএল (সাদা) টা ৬.৭৫/কেজি টা ৯/কেজি টা ২৭.৫/কেজি নেই বিপিএল (হলুদ) টা ৪.৬৫/কেজি টা ২/কেজি টা ১৩.৫/কেজি টা ৪২/কেজি এএওয়াই (লাল) টা ২/কেজি টা ২/কেজি টা ১৩.৫/কেজি টা ৪২/কেজি আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (ক) এপিএল কার্ডের জন্য পদ্ধতি (সাফল্য ৭০% এবং সময়সীমা একমাস) পদ্ধতি here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গের ফর্মের জন্য here দেখুন (here ফর্ম ডাউনলোড করুন অথবা পৃষ্ঠা ৫৩ থেকে কপি করুন)। সার্কেল অফিসে ফর্ম জমা দিন। সঙ্গে ২৫ টাকা, বাসস্থানের প্রমাণ ( ইলেকট্রিক বিলের কপি ইত্যাদি) অথবা দু’জন প্রতিবেশীর সাক্ষ্য, দু’কপি পাশপোর্ট ফটো, ১টি বিধায়ককে দিয়ে অ্যাটেস্ট করা। (খ) বিপিএল কার্ডের জন্য পদ্ধতি (সাফল্য ১০%, সময়সীমা ৬ মাস) www.districts.nic.in দেখুন। রাজ্য ও জেলা সিলেক্ট করে দেখুন আপনার নাম বিপিএল তালিকায় রয়েছে কিনা। সব জেলার কিন্তু বিপিএল তালিকা লভ্য নয়। আপনার নাম বিপিএল তালিকায় থাকলে খাদ্য ও সরবরাহ দফতরে পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে আপনি বিপিএল রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় অনুসন্ধানের পর কর্তৃপক্ষ আপনাকে রেশন কার্ড ইস্যু করবে। আপনার নাম বিপিএল তালিকায় থাকা উচিত, অথচ নেই, তা হলে পঞ্চায়েতে আবেদন করুন। (গ) অন্ত্যদয় অন্ন যোজনার জন্য আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের হার ১০ শতাংশ, সময়সীমা ৬ মাস) বিপিএলের মতোই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে, শুধু এর সঙ্গে নিজেকে দুর্দশাগ্রস্ত ঘোষণা করে একটি স্বলিখিত ঘোষণাপত্র জমা দিতে হবে। সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) (ক) সরাসরি পঞ্চায়েতে অভিযোগ দায়ের করুন; তার পর (খ) জেলার ওয়েবসাইটে প্রদত্ত বিপিএল তালিকায় আপনার নাম রয়েছে কিনা দেখুন www.districts.nic.in –এ। যদি আপনি রেশন কার্ড না পান কিংবা আপনার নাম বিপিএল তালিকায় থাকা উচিত, কিন্তু নেই, তা হলে ৩০ দিনের মধ্যে আপনার জেলায় আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করুন। তাদের ৬০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। যতদিন না আপনার আপিলের মীমাংসা হচ্ছে তত দিন আপনাকে সাময়িক বিপিএল কার্ড দেওয়ার কথা (here সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখুন)। (গ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com (ঘ) ‘রাইট টু ফুড ক্যাম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/) খাদ্য (শিশু ১-৬ বছর : অঙ্গনওয়ারি) ভারতে লক্ষ লক্ষ শিশু অপুষ্টিতে ভোগে। সুসংহত শিশু বিকাশ প্রকল্পের (আইসিডিএস) অধীনে অঙ্গনওয়ারি প্রকল্পে ৬ মাস থেকে ৬ বছর পর্যন্ত বয়সি শিশুদের, অর্থাৎ স্কুলে যাওয়ার আগের পর্যায় পর্যন্ত শিশুদের পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়া ভিটামিন, প্রাথমিক প্রতিষেধক প্রদান করা হয়। কয়েকটি রাজ্যে এই প্রকল্পে বেশ ভালো কাজ হচ্ছে। শিশুরা স্কুলে ভর্তি হলে মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় আসবে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন https://wcd.gov.in/.) পশ্চিমবঙ্গ সরকার নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য here ক্লিক করুন।) অধিকার সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-http://www.sccommissioners.org/FoodSchemes/ICDS.html প্রতি ৪০ জন শিশুপিছু একটি অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্র থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের জন্য here ক্লিক করুন। ৬ মাস থেকে ৬ বছরের শিশুরা অঙ্গনওয়ারি প্রকল্পের মাধ্যমে যে সব সুবিধা পাবে সেগুলি হল- অঙ্গনওয়ারি কেন্দ্রে সপ্তাহে ৬ দিন অর্থাৎ বছরে ৩০০ দিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত শিশুরা থাকবে। প্রতি দিন ডালিয়া, ছোলা ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার পাবে (৫০০ ক্যালোরি) অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য ৮০০ ক্যালোরি পুষ্টিকর খাবার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া যাবে। শিশুরা শিক্ষামূলক খেলনা-সহ শিক্ষামূলক খেলার সুযোগ পাবে। ভিটামিন পাবে (বিশেষ করে আয়রন ইত্যাদি)। প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধ পাবে (কৃমির ওষুধ ইত্যাদি)। ওজন/উচ্চতা মাপার ব্যবস্থা থাকবে। চার্টে প্রতি বার তা উল্লেখ করা হবে। গ্রেড-৩ পর্যায়ের অপুষ্টিতে ভোগা শিশু ও তাদের মায়েরা নিউট্রিশন রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে ১৪ দিন যাওয়ার সুযোগ পাবেন। এই দিনগুলির জন্য মায়েরা দৈনিক ৬৫ টাকা পাবেন। অন্তঃসত্ত্বা এবং যে সব মায়েদের শুশ্রূষা চলছে তাঁরা ৬০০ ক্যালোরি খাবার প্রতি দিন বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন। আবেদন ও সহায়তা src="abc.jpg" /> আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ২ মাস) (ক) গ্রামের ৪০ জন ১ থেকে ৬ বছর বয়সি শিশুদের নাম, ঠিকানা, লিঙ্গ, জন্মতারিখ ও বাবা-মার সম্মতি জোগাড় করতে হবে। ‘প্রয়োজনে অঙ্গনওয়ারি’ সংক্রান্ত আদালতের নির্দেশের জন্য here ক্লিক করুন। খ) তালিকাটি কলকাতার নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের প্রধান অফিসে জমা দিন। ঠিকানা ও বিস্তারিত বিবরণের জন্য here ক্লিক করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) ক) রাজ্য নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের কলকাতার সদর অফিসে পিআইও-র কাছে তথ্যের অধিকার আইনে আবেদন করতে হবে। (ঠিকানা ও যোগাযোগের জন্য here ক্লিক করুন); এর পর খ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com (গ) ‘রাইট টু ফুড ক্যাম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/) সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস খাদ্য (মিড ডে মিল প্রকল্প) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর এই প্রকল্প যৌথভাবে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার চালায়। কেন্দ্রীয় সরকার বাজেট বরাদ্দ করে ও নির্দেশিকা দেয়। রাজ্য সরকার প্রকল্পটি পরিচালনা করে। কেন্দ্রীয় সরকার স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতর সর্ব শিক্ষা অভিযান ওয়েব সাইট জানতে ক্লিক করুন - এখানে পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্কুল শিক্ষা দফতর (এখানে দেখুন) অধিকার সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ- প্রতিটি সরকারি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র পিছু প্রতি দিন (বছরে ২০০ দিন) ৪৫০ থেকে ৭০০ ক্যালোরিযুক্ত পুষ্টিকর খাবার। এই প্রকল্পে খাদ্যের অধিকার সম্পর্কে জানার জন্য ক্লিক করুন। মোট ১২ কোটি শিশুকে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে (বিশ্বের সর্ব বৃহৎ পুষ্টি কর্মসূচি)। প্রতি দিন দু’জন করে অভিভাবক খাবারের মান পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। প্শিশু পিছু প্রতি দিন এই প্রকল্পে পুষ্টি পাওয়ার অধিকার নির্দেশ : ক্লিক করুন বস্তু প্রাথমিক (১ম থেকে ৫ম) উচ্চ প্রাথমিক (৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি) ক্যালোরি ৪৫০ ৭০০ প্রোটিন (গ্রামে) ১২ ২০ ভাত/গম (গ্রামে) ১০০ ১৫০ ডাল (গ্রামে) ২০ ৩০ সবজি (গ্রামে) ৫০ ৭৫ তেল ও স্নেহ (গ্রামে) ৫ ৭.৫ আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৯০%, সময়সীমা এক মাস) প্রতিটি সরকারি স্কুলে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে। যদি তারা সেই সুযোগ না পায় তা হলে বাবা-মায়েরা সরাসরি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত ভাবে আবেদন করতে পারবেন। সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) প্রতিদিন দু’জন অভিভাবকের খাবার পরীক্ষা করে দেখার অধিকার রয়েছে। খাবারের গুণ বা পরিমাণ নিয়ে সমস্যা থাকলে -- (ক) সরাসরি স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করুন; তার পর (খ) স্কুল শিক্ষা দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান; তার পর (গ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com (ঘ) ‘রাইট টু ফুড ক্যাম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/) সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস রোজগার রোজগার (এমজিএনরেগা) বিশ্বের ইতিহাসে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন সম্ভবত সর্ববৃহৎ সরকারি কর্মসংস্থান প্রকল্প। এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। এর প্রকল্পের আওতায় গ্রামের সমস্ত পরিবার, তারা দারিদ্রসীমার নীচে হোক বা না হোক, সরকারি কর্মসূচিতে বছরে ১০০ দিনের জন্য কাজ পাচ্ছেন (যেমন রাস্তা তৈরি, সেচের কাজ ইত্যাদি)। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রোজগার বাড়ানোর পাশাপাশি স্থায়ী সম্পদ সৃষ্টি এবং গ্রামের মানুষকে যাতে কাজের খোঁজে গ্রামের বাইরে যেতে না হয় তার ব্যবস্থা করা। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। (ওয়েবসাইট দেখুন-গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক) পশ্চিমবঙ্গ সরকার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর) অধিকার সেরা সূত্র : সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ-এখানে ক্লিক করুন (ক) মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন (এমজিএনরেগা) প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারকে বছরে ১০০ দিনের কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়া (১৮ বছরের উপরের যে কেউ) ১৫ দিনের মধ্যে কাজ পাওয়া। আবেদনকারী যে ব্লকে বসবাস করেন সেখানেই কাজ পাওয়ার অধিকারী। পাঁচ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে কাজ দিলে যাতায়াতের জন্য খরচ দিতে হবে। নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি দিতে হবে, কিন্তু কোনও মতেই তা দৈনিক ১২২ টাকার কম নয়। তাঁর বাড়ির কাছাকাছি ব্যাঙ্কে বা পোস্ট অফিসে তাঁর অ্যাকাউন্টে এই টাকা জমা পড়বে। যেখানে কাছাকাছি ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিস নেই সেখানেই একমাত্র নগদে টাকা দেওয়া যেতে পারে। কাজের ১৪ দিনের মধ্যে ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিস অ্যাকাউন্টে মজুরির টাকা জমা করতে হবে। আবেদন করার ১৫ দিনের মধ্যে কোনও কাজ না পেলে বেকার ভাতা পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। প্রথম ৩০ দিনের জন্য মজুরির ৩৩ শতাংশ এবং তারপর থেকে ৫০ শতাংশ বেকার ভাতা হিসাবে দেওয়া হবে। কাজের জায়গায় খাবার জল, বাচ্চা রাখার ব্যবস্থা, বিশ্রামের জন্য শেড রাখতে হবে। প্রতিবন্ধী ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য উপযুক্ত কাজের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এমজিএমএনরেগা প্রকল্পে কাজ করার সময় মৃত্যু হলে বা বরাবরের মতো শারীরিক দিক দিয়ে অক্ষম হয়ে পড়লে ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে। এমজিএমএনরেগার জব কার্ড থাকলে বাড়িতে শৌচাগার তৈরি করার জন্য ১০ হাজার টাকা পাবেন। ক্লিক করুন এখানে এমজিএমএনরেগার কর্মীরা নিম্নলিখিত সুবিধা পাবেন -- জনশ্রী বিমা যোজনা অনুসারে সারা জীবনের জন্য ও চিরস্থায়ী অক্ষমতার জন্য বিমার সুবিধা পাবেন। যাঁরা আগের আর্থিক বছরে অন্তত ১৫ দিন কাজ করেছেন তাঁদের জন্য রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্য বিমার সুযোগ। (খ) সম্পূর্ণ গ্রামীণ রোজগার যোজনা (এসজিআরওয়াই) (ওয়েবসাইটের জন্য এখানে ক্লিক করুন।) গ্রাম পঞ্চায়েতের মাধ্যমে, বিশেষ করে বিশেষ করে তফসিলি জাতি ও উপজাতি এলাকায় রাস্তাঘাটের উন্নয়ন। স্থানীয় গরিব মানুষ নিজেরাই কাজ করবেন। কোনও ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে না। কর্মীরা ৫ কেজি করে খাদ্যশস্য ও মজুরির অন্তত পক্ষে ২৫ শতাংশ নগদে পাবেন। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (ক) এমজিএমএনরেগা (সাফল্যের সম্ভাবনা ৫০%, সময়সীমা ৬ মাস) জব কার্ডের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েতে আবেদন করুন(ফর্মের জন্য here দেখুন)। কাজের জন্য পঞ্চায়েতে দরখাস্ত করুন। অথবা here অন লাইনে দরখাস্ত করুন। ১৫ দিনের মধ্যে কাজ পান। (খ) এসজিআরওয়াই গ্রাম সভার অনুমোদন নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত একটি নির্দিষ্ট পূর্ত-কাজের জন্য আবেদন করতে পারে। ব্যক্তিবিশেষও গ্রাম পঞ্চায়েতে কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন। সহায়তা (ক) এমজিএমএনরেগায় অভিযোগ নিষ্পত্তির যে ব্যবস্থা আছে সেখানে সরাসরি অভিযোগ করুন। এর জন্য here দেখুন; তার পর (খ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com (গ) ‘রাইট টু ফুড ক্যাম্পেন’-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ওয়েবসাইট --http://righttofoodindia.org/) সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস রোজগার (পেনশন ও সামাজিক নিরাপত্তা) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-http://rural.nic.in/. পশ্চিমবঙ্গ সরকার নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজ কল্যাণ দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here। অর্থ দফতরের ডিরেক্টরেট অফ পেনশন। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here। অধিকার সেরা সূত্র : জাতীয় সামাজিক সহায়তা কর্মসূচি (এনএএসপি)-http://nsap.nic.in/guidelines.html ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বিধবা পেনশন প্রকল্প*-- ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সি সকল বিধবা, যাঁরা দারিদ্রসীমার নীচে বাস করেন, তাঁরা মাসে ২০০ টাকা করে এই প্রকল্পের মাধ্যমে পেনশন পাবেন (এর সঙ্গে রাজ্যের প্রদেয় অর্থ যুক্ত করে পেনশনের পরিমাণ বাড়তে পারে)। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সংশ্লিষ্ট সাইটটি here দেখুন। ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় বয়স্ক পেনশন প্রকল্প -- দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী সমস্ত নাগরিক যাঁদের ৬০ বছর বয়স হয়ে গিয়েছে তাঁরা এই প্রকল্পে ৭৯ বছর বয়স পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে মাসে ২০০টাকা করে পেনশন পাবেন। ৮০ বা তার বেশি বয়স হলে পাবেন মাসে ৫০০ টাকা করে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট here দেখুন, সুপ্রিম কোর্টের রায় here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজ কল্যাণ সাইটটি here দেখুন। জাতীয় পরিবার সাহায্য প্রকল্প বা ন্যাশনাল ফ্যামিলি বেনিফিট স্কিম -- দারিদ্রসীমার নীচে বসবাসকারী যে সব পরিবারের মুখ্য রোজগারকারী মারা গিয়েছেন, সেই পরিবারগুলি তাঁর মারা যাওয়ার চার সপ্তাহের মধ্যে এই সাহায্য পাবে। দুর্ঘটনা বা মহামারিতে মৃত্যু হলে ১০ হাজার টাকা ও স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হলে ৫ হাজার টাকা সাহায্য পাবে। সুপ্রিম কোর্টের আদেশ here দেখুন। প্রতিবন্ধকতা পেনশন -- দারিদ্রসীমার নীচে ১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সি প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসে ৩০০ টাকা করে কেন্দ্রীয় সরকার পেনশনের ব্যবস্থা করেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইট here দেখুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজ কল্যাণ দফতরের ওয়েবসাইট here দেখুন। টিকা - চিহ্নিত পেনশনে প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি বছর নির্দিষ্ট বাজেট বরাদ্দ রয়েছে। ফলে আবেদন করলেই সেই বছরই পেনশন পাবেন এমনটা নয়। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি -- সমস্ত পেনশনের জন্যই আবেদনকারীর অন্য কোনও রকম পেনশন পেলে চলবে না। পঞ্চায়েতকে তথ্য দিয়ে জানাবে যে তিনি অন্য কোনও রকম পেনশন পান না। পঞ্চায়েত এ ব্যাপারে অনুসন্ধান করবে এবং সমাজ কল্যাণ দফতরে কাগজপত্র পাঠিয়ে দেবে। সমাজ কল্যাণ দফতর অনুমোদন দেবে আশা করা যায়। পেনশন পোস্ট অফিস বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে। প্রতিটি প্রকল্পের জন্য প্রদেয় নথি -- (ক) বিধবা পেনশন (সাফল্যের সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা তিন মাস) ফর্ম ডাউনলোড করুন here । পাঁচ বছরের বসবাসের শংসাপত্র (যেমন, রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা কার্ডের ফোটোকপির উপর প্রতিবেশী, বিধায়ক, স্থানীয় দোকানদারের সাক্ষ্য থাকবে।) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্যার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্যার আইএফসিএস) একটি ফোটো স্বামীর ডেথ সার্টিফকিটে নাম, ঠিকানা, বিপিএল, সমস্ত পরিবারের সদস্যদের নাম, অন্য কোনও রকম পেনশন পান না তার ঘোষণা, স্বামীর মৃত্যুর পর আর বিবাহ করেননি সেই সম্পর্কিত তথ্য, পরবর্তীকালে বিবাহ করলে সরকারকে জানানোর অঙ্গীকার জানিয়ে একটি হলফনামা পেশ করতে হবে। (খ) বৃদ্ধ বয়সের পেনশন (সাফল্যের সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা তিন মাস) ফর্ম ডাউনলোড করুন here । পাঁচ বছর বসবাসের প্রমাণ (রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা ২ জন প্রতিবেশীর সাক্ষ্য) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্যার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্যার আইএফসিএস) একটি ফটো নাম, ঠিকানা, বয়স, বিপিএল এবং অন্য কোনও পেনশন পান না সেই সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে হলফনামা পেশ। (গ) মুখ্য রোজগারকারীর মৃত্যুজনিত পেনশন (এনএফবিএস) (সাফল্যের সম্ভাবনা ৬০ %, সময়সীমা ৩ মাস) ফর্ম ডাউনলোড করুন here । মৃত্যুর সময় ১৮ থেকে ৬৪ বছরের মধ্যবর্তী বয়সি মানুষ পরিবারে জীবিত।। পাঁচ বছরের বসবাসের শংসাপত্র (যেমন, রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা কার্ডের ফোটোকপির উপর প্রতিবেশী, বিধায়ক, স্থানীয় দোকানদারের সাক্ষ্য থাকবে।) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্যার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্যার আইএফসিএস) একটি ফটো মুখ্য রোজগারকারীর ডেথ সার্টিফিকেট। নাম, ঠিকানা, বয়স, বিপিএল এবং অন্য কোনও পেনশন পান না সেই সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে হলফনামা পেশ। (ঘ) প্রতিবন্ধকতাজনিত পেনশন (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ৫ মাস) ফর্ম ডাউনলোড করুন here । পাঁচ বছর বসবাসের প্রমাণ (রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র বা ২ জন প্রতিবেশীর সাক্ষ্য) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর (৯ সংখ্যার এমআইসিআর এবং ৭ সংখ্যার আইএফসিএস) একটি ফটো ৪০ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধকতার সার্টিফিকেট এবং নাম, ঠিকানা, এবং অন্য কোনও পেনশন পান না সেই সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে হলফনামা পেশ। সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) (ক) পঞ্চায়েতে খোঁজ নিন; তার পর (খ) সমাজকল্যাণ দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। যোগাযোগের জন্য দেখুন-http://wbsc.gov.in (গ) পশ্চিমবঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট কমিশনারের উপদেষ্টা অনুরাধা তলোয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ফোন ০৩৩-২৪৩৮-২০৬৪, ই-মেল-jsanghaati@gmail.com সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস রোজগার (শিশুকন্যা) নারী-পুরুষ অনুপাতে ভারত গোটা বিশ্বের মধ্যে বেশ পিছিয়ে। প্রতি বছর হাজার হাজার কন্যাভ্রূণ হত্যা করা হয়। ভারতীয় পরিবারগুলি জাতে কন্যাসন্তানকে মূল্য দেয়, তাদের শিক্ষার ব্যবস্থা করে তার জন্য বিভিন্ন রাজ্য সরকারের প্রকল্প রয়েছে। কন্যাসন্তান যাতে ধাপে ধাপে উচ্চ স্তরের শিক্ষা অর্জন করে তার জন্য এই সব প্রকল্প অনুযায়ী টাকা জমা রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকারি দফতর নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবাসাইটের জন্য ক্লিক করুন--http://wcd.nic.in। আইসিডিএস-এ চাইল্ড ডেভেলপমেন্ট–এ ক্লিক করুন। পশ্চিমবঙ্গ সরকার নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন --http://wbsc.gov.in/ অধিকার বালিকা সমৃদ্ধি যোজনা অনুসারে দারিদ্রসীমাভুক্ত যে সব কন্যা সন্তানের ১৫।৮।১৯৯৭ তারিখে বা তার পরে জন্ম হয়েছে তারা জন্মের সময় ৫০০ টাকা পায়। এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৯২৯ জন এই সুবিধা পেয়েছে। এর জন্য মা-মেয়েকে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে বা পোস্ট অফিসে জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। ওই কন্যাসন্তানের বয়স ১৮ বছর হলে ওই জমা টাকা সুদ-সহ পাওয়া যায়। সমাজ কল্যাণ দফতর এখন বালিকা সমৃদ্ধি যোজনার আওতাভুক্ত কন্যাসন্তানদের পড়াশোনার জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। আবেদন করার পদ্ধতি নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরের স্থানীয় অফিসে আবেদন করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন http://wbsc.gov.in/) সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস রোজগার (জনশিক্ষা সংস্থানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার জন শিক্ষা সংস্থান (http://www.nlm.nic.in/jss.htm) জাতীয় সাক্ষরতা মিশন কর্তৃপক্ষ, মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা দফতর। জাতীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ তথ্য পরিষেবা-(http://dget.nic.in/schemes) এবং মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস–এর ভিত্তিতে দক্ষতা উন্নয়ন উদ্যোগ প্রকল্প (http://dget.nic.in/mes), ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (ডিজিইটি),শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক। অধিকার সেরা সূত্র : জন শিক্ষণ সংস্থান-http://www.nlm.nic.in/jss.htm (ক) জেএসএস খুব কম খরচে গুণগত বৃত্তিমূলক দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞান দেওয়ার ব্যবস্থা করে জেএসএস। এর জন্য কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। এই প্রকল্প বস্তিবাসী এবং প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য বানানো হয়েছে। মোমবাতি তৈরি, সেলাই থেকে শুরু করে কম্পিউটার --- জন শিক্ষণ সংস্থান নানা ধরনের পাঠক্রমের ব্যবস্থা করেছে (মোটামুটি ৩৭১ ধরনের)। পশ্চিমবঙ্গে আটটি জেএসএস রয়েছে। এগুলি হল বাঁকুড়া, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, নরেন্দ্রপুর, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর। এদের ঠিকানা ও অবস্থানের জন্য ক্লিক করুন --- http://jss. nic.in/initJssUnitPortal.do (খ) জাতীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ হস্তশিল্প প্রশিক্ষণ প্রকল্প -- অত্যন্ত কম খরচে সরকারি আইটিআইগুলিতে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ১২৭ রকম বৃত্তির জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। মেয়াদ ৬ থেকে ১২ মাস। এই পাঠক্রমে ভর্তির জন্য অষ্টম মান বা তার বেশি শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন। http://dget.nic.in/schemes/cts/TradeList.htm মহিলাদের জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ -- পোশাক তৈরি, কম্পিউটার চালানো, চুল ও ত্বকের যত্ন প্রভৃতি বিষয়ে মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর। সময়সীমা এক সপ্তাহ থেকে এক বছর। কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে (এলাহাবাদ ও নয়ডায় ১১টি কেন্দ্র) http://dget.nic.in/schemes/oldwot/Centralsector.htm উত্তরপ্রদেশ সরকারের মাধ্যমে (আইটিআই-তে ) http://dget.nic.in/schemes/oldwot/StateSector.htm. (গ) মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস --- মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস–এর ভিত্তিতে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা, কার্যকর জীবিকার প্রয়োজনে যে দক্ষতার দরকার হয় (সর্বনিম্ন বয়স-১৪ বছর, শিক্ষাগত যোগ্যতা - ন্যূনতম পঞ্চম মান, ১৪০৬ ধরনের বৃত্তি তালিকভুক্ত)। http://dget.nic.in/mes/Downloads/SDIManual1Oct.pdf http://dget.nic.in/mes/annex4.pdf আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৫০%, সময়সীমা ৬ মাস) (ক) জন শিক্ষণ সংস্থান ৬ মাসের পাঠক্রমের জন্য এপ্রিল ও অক্টোবর মাসে ভর্তি নেওয়া শুরু হয়। সরাসরি ভর্তির জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। (ক্লিক করুন here , তার পর আপনার অঞ্চলে ক্লিক করুন।) ভর্তির জন্য যে সব নথি লাগে -- রেশন কার্ড, দু’টি পরিচয়পত্র, ৪-৫টি পাশপোর্ট মাপের ফটোগ্রাফ। ফি ১০০ টাকা। (খ) জাতীয় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সরকার ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করে। এর জন্য ফি-র পরিমাণ ৫০ থেকে ১৫০ টাকা। দেখুন-http://dget.nic.in/admission/NVTI-Short-Term-Adm.pdf আইটিআইয়ের তালিক ও তথ্যের জন্য ক্লিক করুন here । (গ) মডিউলার এমপ্লয়বেল স্কিলস রাজ্য সরকারগুলি ভর্তির ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য দিয়ে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তাতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা সহ বিস্তারিত তথ্য থাকে। সাফল্যের সঙ্গে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করলে প্রশিক্ষণের ফি (৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা) ফেরত দেওয়া হয়। যারা অসুবিধায় রয়েছে তাদের জন্য ফি-এ ২৫ শতাংশ ছাড়। ওয়েস্টবেঙ্গল স্টেট কাউন্সিল অফ ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং-এর জন্য ক্লিক করুন here । সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) সংশ্লিষ্ট জেএসএস-এ তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ক্লিক করুন here । সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস রোজগার (স্বনির্ভর গোষ্ঠী) জেলা গ্রামীণ উন্নয়ন এজেন্সি মানুষজনের মধ্যে সঞ্চয়ী গোষ্ঠী তৈরি করে তহবিলের ব্যবস্থা করে দেয় যাতে তারা ছোট ব্যবসা শুরু করতে পারে। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) রাজ্য সরকার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) অধিকার সেরা সূত্র : http://www.indianyojana.com/rojgar-yojana/swarnajayanti-gram-swarozgar-yojana.htm স্বর্ণজয়ন্তী গ্রাম স্ব-রোজগার যোজনা (এসজিএসওয়াই) ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here আর here । দারিদ্রসীমার নীচে অবস্থিত পরিবারগুলিকে ১০-২০ জন সদস্য নিয়ে স্ব-নির্ভর গোষ্ঠী তৈরি করতে বলা হয়। কিছুদিন সঞ্চয় করার পর গোষ্ঠীটি ব্যাঙ্ক বা সরকারের ঋণ পাওয়ার উপযুক্ত হয়। তার পর গোষ্ঠীটি ব্যবসা শুরু করে। আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৫০%, সময়সীমা ৬ মাস) জেলা গ্রামোন্নয়ন এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। সহায়তা জেলা গ্রামোন্নয়ন এজেন্সির কাছে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান। সাফল্যের খবর মধ্যপ্রদেশের ছত্তরপুর জেলার খাইরো গ্রামে একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী খোলা হয়েছিল। স্বর্ণ জয়ন্তী রোজগার প্রকল্পে গোষ্ঠীটি ব্যাঙ্ক থেকে এক লক্ষ টাকা ঋণ পায়। সেই টাকা দিয়ে তারা ৪৮টি মেয়ে ও ২টি ছেলে ছাগল কেনে। এখন তাদের মোট ১০৩টি ছাগল রয়েছে। প্রতিটি ছাগল তারা ২ হাজার টাকা করে বিক্রি করতে পারে। গোষ্ঠীভুক্ত মহিলারা এখন খুবই খুশি। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস রোজগার (ড্রাইভার্স লাইসেন্স) লেখাপড়া বিশেষ জানা নেই এমন ব্যক্তির জন্য গাড়ি চালানো রোজগারের ভালো রাস্তা হতে পারে। তাঁর শুধু একটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের প্রয়োজন। লাইসেন্স ইস্যু করে পরিবহন বিভাগ। কিন্তু এই বিভাগ নাকি খুবই দুর্নীতিগ্রস্ত। যাঁরা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে যান তাঁদের বেশির ভাগ অংশের কাছ থেকেই এখানে ঘুষ নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট দফতর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রাজ্য পরিবহন দফতর ( ক্লিক করুন here) অধিকার সেরা সূত্র : http://www.advocatekhoj.com/library/legalforms/howdoi/index.php?Pno=drivinglicence.php ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যে কোনও ব্যক্তি যিনি গাড়ি চালানো শিখেছেন তিনিই লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন। ১৬ বছরে দু’চাকার যান এবং ৫০ সিসি গিয়ার ছাড়া গাড়ির জন্য লাইসেন্স পেতে পারেন। বাণিজ্যিক গাড়ির লাইসেন্স পেতে গেলে ২০ বছর বয়স হওয়া প্রয়োজন। আবেদন করার পদ্ধতি পদ্ধতি দেখুন here এবং here। শিক্ষানবিশি লাইসেন্সের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম্যাটে স্থানীয় পরিবহন অফিসে দরখাস্ত করতে হবে। তার সঙ্গে পাসপোর্ট সাইজের ফোটো, বয়স ও বাসস্থানের প্রমাণপত্র, শারীরিকভাবে সক্ষম থাকা সংক্রান্ত চিকিৎসকের শংসাপত্র এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দিতে হবে। নথি খতিয়ে দেখার পর আপনাকে শিক্ষানবিশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে বলা হবে। শিক্ষানবিশি পরীক্ষায় সফল হলে শিক্ষানবিশি লাইসেন্স বা ‘এল’ লাইসেন্স দেওয়া হবে। অকৃতকার্য হলে ফের পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থায়ী লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হলে আপনার বৈধ শিক্ষানবিশি লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। শিক্ষানবিশি লাইসেন্স পাওয়ার ৩০ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে স্থায়ী লাইসেন্স পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে। আপনাকে গাড়ি চালনা, মোটরগাড়ির পদ্ধতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে হবে, ট্রাফিক নিয়ম ও বিধি জানতে হবে। আপনাকে এর জন্য পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষার জন্য সঙ্গে গাড়ি আনতে হবে। পরীক্ষায় কৃতকার্য হলে আপনাকে স্থায়ী লাইসেন্স দেওয়া হবে। এই নথিগুলি আঞ্চলিক পরিবহন দফতরে (আরটিও) জমা দিন। ফর্ম ৪-এ লাইসেন্সের দরখাস্ত here । ফর্ম-১-এ শারীরিক ভাবে সক্ষম থাকার ঘোষণাপত্র here । মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ফর্ম-১এ তে here । বাসস্থানের প্রমাণপত্র। ৬টি ফোটো। মোটর ড্রাইভিং স্কুলের ইস্যু করা ড্রাইভিং সার্টিফিকেট। সহায়তা পরিবহন দফতরের পিআইও-এর কাছে তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) জানতে চান here । সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস স্বাস্থ্য স্বাস্থ্য (সরকারি হাসপাতাল) সরকারি হাসপাতালে প্রত্যেকের জন্য নিখরচায় পরামর্শ, চিকিৎসা, চিকিৎসা সংক্রান্ত পরীক্ষা ও ওষুধের ব্যবস্থা থাকার কথা। কিন্তু দুঃখের বিষয় সার্বিক ভাবে সরকারি হাসপাতালের আর্থিক সঙ্গতি অতি অল্প, যে কারণে সরকারি হাসপাতালের সংখ্যাও অত্যন্ত অল্প। সেখানে ওষুধ, চিকিৎসকেরও অভাব। আর এই সরকারি হাসপাতালে সব সময় ভিড় লেগেই থাকে। এমতাবস্থায় মধ্যবিত্ত মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে যেতে বাধ্য হন। সম্প্রতি সরকার রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যবিমা যোজনা (আরএসবিওয়াই) প্রকল্পের মাধ্যমে দারিদ্ সীমার নীচে বসবাসকারী মানুষদের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-http://mohfw.nic.in/). রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যবিমা যোজনা (আরএসবিওয়াই) বা গরিবদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্প (ওয়েবসাইট পাবেন here এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাবেন here) পশ্চিমবঙ্গ সরকার চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন --http://www.wbhealth.gov.in/). ডবলুবি আরএসবিওয়াই (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here ) অধিকার সেরা সূত্র : Govt of India http://www.jsk.gov.in/district_health.asp পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের লক্ষ্য হল পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত অধিবাসীদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো বিশেষ করে যাঁরা খুবই গরিব এবং যাঁদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাঁদের। - (দফতরের ওয়েবসাইট থেকে) (ক) সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সমস্ত রাজ্যবাসীর জন্য উচ্চ মানের সাধ্যায়ত্ত চিকিৎসার সুবিধা সরকারি হাসপাতালের তালিকার জন্য ক্লিক করুন here এবং here । সমস্ত জেলা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তালিকার জন্য ক্লিক করুন here । জেলা হাসপাতাল : ১৬টি জেলা হাসপাতাল, প্রতি ৪ লক্ষ মানুষের জন্য, একাধিক চিকিৎসক ও অনুসন্ধানের ব্যবস্থা। কমিউনিটি হেলথ সেন্টার (সিএইচসি) : ৩৪৯টি সিএইচসি, প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য, প্রতিটিতে চার জন করে চিকিৎসক, ক্লিক করুন here । প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র (পিএইচসি) : ৯২৪টি পিএইচসি, প্রতি ৭০ হাজার মানুষের জন্য, প্রতিটিতে এক জন করে চিকিৎসক, এবং সাব সেন্টার : ১০,৩৫৬টি সাব সেন্টার বা উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র, প্রতি ৬ হাজার মানুষের জন্য, প্রতিটিতে এক জন করে স্বাস্থ্য সহায়ক (এএনএম)। প্রতিটি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মানচিত্রের জন্য ক্লিক করুন here । প্রতিটি গ্রাম থেকে সাব সেন্টার বা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দূরত্ব জানতে ক্লিক করুন here । (খ) আরএসবিওয়াই প্রকল্পে স্মার্ট কার্ডধারীদের জন্য ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা সুবিধা (কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here)এবং (গ) যক্ষ্মা রোগী (টিবি হাসপাতালে ফ্রি বেডের আবেদনের জন্য ক্লিক করুন here ।), কুষ্ঠরোগীর নিখরচায় চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা ও প্রসবের নিখরচায় ব্যবস্থাও রয়েছে। প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে শিশুদের প্রতিষেধক প্রদান ও ডায়েরিয়ার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। (রাজ্য সরকারের এ সম্পর্কিত ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ২ থেকে ৫ দিন) (ক) স্থায়ী বাসিন্দাদের জন্য : বাড়ির কাছকাছি কোনও হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান এবং লাইন দিয়ে অপেক্ষা করুন। (খ) আরএসবিওয়াই প্রকল্পের অন্তর্গত স্মার্ট কার্ডধারীদের জন্য পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন here । বিপিএল তালিকা প্রস্তুত করে তা বীমা সংস্থাকে জানানো হবে। বীমাকারী তালিকা অনুযায়ী ব্যক্তিদের নাম নথিভুক্ত করার দিন জানিয়ে দেবেন। ওই নির্দিষ্ট দিনে বিপিএল কার্ডধারী পরিবারটি ফটো নিয়ে হাজির হবে, তাঁদের আঙুলের ছাপ নেওয়া হবে ও কার্ড ইস্যু করা হবে (প্রতি ৫ জন পরিবারের সদস্যের জন্য)। কার্ড ইস্যু করার সময়সীমা ১০ মিনিট। এর জন্য খরচ ৩০ টাকা। প্রতি বছর পরিবারের যে কোনও সদস্য ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ দাবি করতে পারেন। কার্ডধারীদের হাসপাতালের একটি তালিকা দেওয়া হবে। হাসপাতালের তালিকা জানতে ক্লিক করুন here। অসুস্থ হলে কার্ডধারী ব্যক্তি তালিকা অনুযায়ী সুবিধামতো হাসপাতালে যাবেন এবং আরএসবিওয়াই হেল্প ডেস্কে হাজিরা দেবেন। সেখানে তাঁর কার্ডটি পরীক্ষা করে দেখা হবে। যদি তাঁকে ভর্তির প্রয়োজন পড়ে তা হলে ৩০ হাজার টাকা থেকে চিকিৎসা খরচ বাদ যাবে এবং পরিবহন খরচ হিসাবে ১০০ টাকা দেওয়া হবে। কোন পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত আর কোনটি নয়, জানতে ক্লিক করুন here । সহায়তা (যদি আবেদনে কোনও ফল না মেলে) (ক) যদি দায়িত্বে থাকা মেডিক্যাল অফিসারের কাছে (পিএইচসির বা সিএইচসির) লিখিত অভিযোগ করে কাজ না হয় সে ক্ষেত্রে (খ) যে জেলায় হাসপাতালটি অবস্থিত সেই জেলার মুখ্য জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে (তালিকা দেখুন here। ২০ নম্বরের উপর ক্লিক করুন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর); এর পর (গ) আপনার রাজ্যের জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য অধিকর্তার কাছে অভিযোগ করুন here। (ঘ) পশ্চিমবঙ্গ চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের কাছে তথ্য জানতে আরটিআই করুন (পিআইও-র জন্য ক্লিক করুন here । তার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরে ক্লিক করুন); তার পর (ঙ) স্মার্ট কার্ডের হেল্প লাইন ১৮০০-১১-৩৩০০ বা নোডাল অফিসার। বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন here । সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস স্বাস্থ্য (প্রতিষেধক) এখনও ভারতে শিশুর মৃত্যুর হার যথেষ্ট বেশি। ঠিকমতো প্রতিষেধক পৌঁছে দেওয়ার অভাবে প্রতিরোধযোগ্য রোগে প্রতি বছর বহু শিশুর মৃত্যু হয়। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন - http://mohfw.nic.in) জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন (এনআরএইচএম)। দেখুন here। পশ্চিমবঙ্গ সরকার চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন দেখুন-http://www.wbhealth.gov.in/). অধিকার সেরা সূত্র : জনসংখ্যা স্থিরতা কোষ -http://www.jsk.gov.in/district_health.asp পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের তফশিল অনুযায়ী সার্বিক প্রতিষেধকের ব্যবস্থা করার লক্ষ্যে কাজ করছে।(here) বয়স প্রতিষেধক জন্ম হেপাটাইটিস বি,ওপিভি (পোলিও প্রথম ডোজ) জন্ম থেকে ৬ সপ্তাহ বিসিজি (টিবি) ৬ সপ্তাহ ডিপিটি-১ম, ওপিভি (পোলিও-২য়), হেপাটাইটিস বি ১০ সপ্তাহ ডিপিটি-২য়, ওপিভি (পোলিও-৩য়) ১৪ সপ্তাহ ডিপিটি-৩য়, ওপিভি (পোলিও-৪র্থ) ৯মাস হাম, হেপাটাইটিস বি ১৫-১৮ মাস ডিপিটি-৪র্থ, ওপিভি (পোলিও-৫ম), এমএমআর ১৬ থেকে ২৪ মাস ডিপিটি প্রথম বুস্টার, ওপিভি (পোলিও- প্রথম বুস্টার) ৫ বছর ডিপিটি ২য় বুস্টার, ওপিভি ২য় বুস্টার প্রতিষেধক দেওয়া হয়- (ক) গ্রামের স্বাস্থ্যদিবসে আশা ও এএনএম-এ; অথবা (খ) সাব সেন্টারগুলিতে; অথবা (গ) প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা পিএইচসিতে; অথবা (ঘ) কমিউনিটি হেলথ সেন্টার বা সিএইচসিতে। প্রতিটি জেলার পিএইচসির মানচিত্র এবং গ্রাম থেকে পিএইচসি বা সাব সেন্টার কত দূরে তা জানার জন্য ক্লিক করুন here । আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ৭ দিন) বাচ্চাকে এখানে নিয়ে যান -- (ক) গ্রাম স্বাস্থ্যদিবস পালনের জায়গায়, অথবা (খ) সাব সেন্টারে; অথবা (গ) প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা পিএইচসিতে; অথবা (ঘ) কমিউনিটি হেলথ সেন্টার বা সিএইচসিতে। প্রতিটি জেলার পিএইচসির মানচিত্র এবং গ্রাম থেকে পিএইচসি বা সাব সেন্টার কত দূরে তা জানার জন্য ক্লিক করুন here । সহায়তা (যদি পূর্বোল্লিখিত পদ্ধতি সফল না হয়) (ক) পিএইচসি/সিএইচসির ভারপ্রাপ্ত মেডিক্যাল অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দিন, তার পর (খ) যে জেলায় এই সুবিধা পাওয়ার কথা সেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে অভিযোগ করুন (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরে যান।)। (ঘ) মুখ্য জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে তথ্য জানতে আরটিআই করুন। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস স্বাস্থ্য (অন্তঃসত্ত্বা-জেএসওয়াই/এএসএইচএ বা আশা) ভারতে এখনও প্রসূতি মৃত্যুর হার এখনও খুব বেশি। অন্তঃসত্ত্বাদের নিয়মিত পরীক্ষা এবং কমিউনিটি হেলথ সেন্টার বা হাসপাতালে নিরাপদ প্রসবের জন্য আশা-সহ (অ্যাক্রিডেটেড সোশ্যাল হেলথ অ্যাক্টিভিস্ট) সরকারের নানা প্রকল্প রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন http://mohfw.nic.in) পশ্চিমবঙ্গ সরকার চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন--http://www.wbhealth.gov.in/). নারী ও শিশু উন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন--http//wbsc.gov.in/) অধিকার (সেরা সূত্র: জন সুরক্ষা যোজনা-http://jknrhm.com/PDF/JSR.pdf) (ক) সুসংহত শিশুবিকাশ প্রকল্পের (আইসিডিএস) অধীনে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি অন্তঃসত্ত্বা নারী -(ওয়েবসাইট দেখুন-http://wbsc.gov.in/এর পর ক্লিক করুন প্রকল্পে, তার পরআইসিডিএস-এ।) স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও অন্যত্র পাঠানোর ব্যবস্থা টিটেনাস প্রতিষেধক অতিরিক্ত পুষ্টি ও পুষ্টি সম্পর্কিত শিক্ষা (খ) জননী সুরক্ষা যোজনা বা জেএসওয়াই প্রকল্পের মাধ্যমে হাসপাতালে প্রসবের ক্ষেত্রে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা (দেখুন here) গ্রামীণ মহিলার হাসপাতালে প্রসব হলে ৭০০টাকা করে পাবেন। শহরাঞ্চলের মহিলারা পাবেন ৬০০টাকা করে। যদি সেই মা -- বিপিএল তালিকাভুক্ত হন। ১৯ বছরের বেশি বয়স হয়। সর্বাধিক দু’টি সন্তান প্রসব করেন। আশা প্রকল্পের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে হলে জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন দেখুন here । (গ) জাতীয় মাতৃত্বকালীন সুবিধা প্রকল্প বা এনএমবিএস (এনএমবিএস সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন here এবং here ) দারিদ্রসীমার নীচে অবস্থানকারী সমস্ত অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে ৫০০টাকা করে দেওয়া হয়। যেখানেই প্রসব হোক না কেন, এই টাকা পাওয়া যাবে। প্রসবের ৮ থেকে ১২ সপ্তাহ আগে এই টাকা দেওয়া হয়। আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ১৪ দিন) (ক) আশা প্রকল্পের জন্য আপনার স্থানীয় পিএইচসি বা সিএইচসিতে যান। (খ) জেএসওয়াই প্রকল্পের জন্য ‘আশা’ সঙ্গে নিয়ে পিএইচসি বা সিএইচসিতে প্রসবের জন্য যান। ছাড়া পাওয়ার সময় টাকা নিয়ে নিন। সহায়তা জেএসওয়াইয়ে টাকা পাওয়ার জন্য -- (ক) পিএইচসি বা সিএইচসির দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিক্যাল অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিন; তার পর (খ) যে জেলায় পিএইচসি বা সিএইচসি অবস্থিত সেই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করুন (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরে যান।); তার পর (ঘ) মুখ্য জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে তথ্য জানতে আরটিআই করুন। এনএমবিসির জন্য -- সুপ্রিম কোর্টের নিয়োজিত কমিশনারের উপদেষ্টার সঙ্গে যোগাযোগ করুন (দেখুনhere) সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস স্বাস্থ্য (প্রতিবন্ধীদের জন্য পরিষেবা) আমাদের দেশে দুর্ভাগ্যবশত কেউ কেউ এখনও মনে করেন প্রতিবন্ধীরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক। নীচে বর্ণিত প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রতিবন্ধীদের বোঝা হালকা করার চেষ্টা হয়েছে। ইম্যানুয়েল হসপিটাল অ্যাসোসিয়েশন (ইএইচএ) এখন প্রতিবন্ধীদের প্রদেয় সুবিধা সম্বলিত ম্যানুয়াল তৈরি করেছে, যার মাধ্যমে কোথায় কী ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় তা বিবৃত হয়েছে। এর জন্য ইএইচএ ওয়েবসাইট দেখুন- www.eha-health.org এখানে ‘অ্যাডভোকেসি’ ম্যানুয়ালে বিষয়গুলি বিবৃত করা হয়েছে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-http://rural.nic.in) সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-https://socialjustice.gov.in/). পশ্চিমবঙ্গ চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-http://www.wbhealth.gov.in/). অধিকার (সেরা সূত্র : সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন https://socialjustice.gov.in/schemespro3.php এবং পূনর্ভবা-http://www.punarbhava.in/ ) (ক) প্রতিবন্ধকতা শংসাপত্র সরকারি চিকিৎসককে পরীক্ষা করে বলতে হবে ৪০ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধী। পেনশন বা রেলভাড়ায় ছাড়-সহ বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এই শংসাপত্র প্রয়োজন। (খ) প্রতিবন্ধকতা পেনশন -- ইন্দিরা গান্ধী জাতীয় প্রতিবন্ধকতা পেনশন প্রকল্প (আইজিএনডিপিএস) বিস্তারিত জানার জন্য ক্লিক করুন here এবং/অথবা here । ১৮ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে হতে হবে (এর পরই বৃদ্ধাবস্থার পেনশন চালু হবে)। বিপিএল পরিবারের হওয়া চাই এবং মাসিক পারিবারিক আয় এক হাজার টাকার কম হওয়া চাই। চরম ও বহুমুখী প্রতিবন্ধকতা থাকা চাই(৪০ শতাংশের বেশি প্রতিবন্ধকতা দেখানোর জন্য প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কিত সরকারি শংসাপত্র দরকার)। কেন্দ্রীয় সরকার এই পেনশন প্রকল্পে জনপিছু মাসে ২০০ টাকা করে দেয় রাজ্য সরকার কিছু টাকা ম্যাচিং গ্রান্ট হিসাবে দেয়। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সেটি জনপিছু ১২৫ টাকা। (গ) বাসে ও ট্রেনে সফরের ক্ষেত্রে ছাড় (ভারতীয় রেলের ওয়েবসাইট দেখুন here এবং ডিসেবিলিটি ইন্ডিয়ার ওয়েবসাইট দেখুন here ।) বাসের ক্ষেত্রে- সরকারি বাসে প্রতিবন্ধী ও তাঁর সাহায্যকারীর জন্য ভাড়ায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। ট্রেনের ক্ষেত্রে অস্থি-প্রতিবন্ধী ও অন্ধদের জন্য স্লিপারে ৭৫%, এসিতে ৫০%, রাজধানী/শতাব্দী এক্সপ্রেসে ২৫% ভাড়া ছাড়। মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে তাঁর ও সহযোগীর জন্য ৫০ শতাংশ ভাড়া ছাড়। শ্রবণ ও কথা বলার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধী যারা তাঁদের জন্য শুধুমাত্র তাঁর ভাড়ায় ৫০% ছাড়। (ঘ) সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের আওতাধীন প্রকল্প --- বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য ক্লিক করুন here এবং here। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (ক) প্রতিবন্ধকতা শংসাপত্র (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ১২ মাস) নির্দেশিকা দেখুন here । জেলা হাসপাতালের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছ থেকে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট। ২টি পাসপোর্ট ফোটো (১টি অ্যাটেস্টেড); এবং বসবাসের প্রমাণ (রেশন কার্ড বা ভোটার পরিচয়পত্র)। (খ) প্রতিবন্ধকতা পেনশন (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা প্রতিবন্ধকতা শংসাপত্র পাওয়ার পর ৬ মাস) গ্রাম পঞ্চায়েতে আবেদন করতে হবে, যারা যোগ্য লোকদের চিহ্নিত করতে পারে (গ) ভ্রমণে ছাড় (শংসাপত্র লাগবে) (ফর্মের জন্য দেখুন here, here ) রেলে ভাড়ায় ছাড়ের জন্য সরাসরি কাছাকাছি স্টেশনে আবেদন করুন। (ঘ) সামাজিক ন্যায় ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের অধীনে অন্যান্য প্রকল্প বিভিন্ন প্রকল্প দেখুন here । সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না হয়) (ক) সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরে যান)। (খ) ডাইরেক্টরেট অফ পেনশনের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। যোগাযোগের জন্য ওয়েবসাইট দেখুন here । (গ) রেল মন্ত্রকের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। (পিআইও-এর জন্য ক্লিক করুন http://rti.railnet.gov.in/). (ঘ) সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের কাছে আবেদন করুন/ আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। যোগাযোগের জন্য ক্লিক করুন here । সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস স্বাস্থ্য (মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন) কাণ্ডজ্ঞান রহিত হয়ে বা কোনও আশা না দেখে বহু গরিব মানুষ ড্রাগ বা মদের নেশায় ডুবে যান। ড্রাগ বা মদের নেশা শুধুমাত্র আসক্তদের জীবনে ক্ষতি করে তাই নয়, তাঁদের পরিবার ও প্রতিবেশীর জীবনও দুর্বিষহ করে তোলে। ড্রাগ ও মদ্যাসক্তদের জন্য সরকার নিখরচায় পুনর্বাসন পরিষেবার ব্যবস্থা করেছে। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-https://socialjustice.gov.in/). পশ্চিমবঙ্গ সরকার চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন- (http://www.wbhealth.gov.in/). অধিকার (সেরা সূত্র : ইউএন অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম। দেখুন here.) সরকারি হাসপাতালে নিখরচায় আসক্তিনাশক চিকিৎসার সুযোগ। বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সরকারের সহায়তায় বিনা খরচে ড্রাগ ও মদ্যাসক্তদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে (দেখুন here। মাদকাসক্তি থেকে মুক্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৪৭টি চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। তার তালিকা দেখুন here । নিখরচায় ২৪ ঘণ্টা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য হেল্পলাইন ১৮০০ ২৬৬ ২৩৪৫ আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ১০%, সময়সীমা এক বছর) যে সরকারি হাসপাতালে সাফল্যের নজির রয়েছে সেখানে বহির্বিভাগে নিয়ে গিয়ে দেখান। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না হয়) (ক) সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে অভিযোগ দায়ের করুন। (তালিকা দেখুন here । ২০ নম্বরে ক্লিক করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরে যান)। (খ) সংশ্লিষ্ট জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস স্বাস্থ্য (এইচআইভি) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক-জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রণ সংগঠন বা ন্যাকো-ওয়েবসাইট-http://www.naco.gov.in/NACO রাজ্য সরকার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এইডস নিয়ন্ত্রণ সোসাইটি বা ডবলুবিএসএসিএস। ওয়েবসাইট-http://www.wbhealth.gov.in/wbsapcs অধিকার(সেরা সূত্র : জাতীয় এইডস নিয়ন্ত্রক সংগঠন- http://www.naco.gov.in/NACO (ক) এইচআইভি পরীক্ষা-- ইন্টিগ্রেটেড কাউন্সেলিং অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারে (আইসিটিসি) গোপনে এবং নিখরচায় পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। ওয়েবসাইট দেখুন here। চিকিৎসা/চেক আপের জন্য কিছু মনোনীত এআরটি সেন্টার রয়েছে। এইডস রোগীরা রেলে দ্বিতীয় শ্রেণির ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড় পান। মাসিক ও ত্রৈমাসিক টিকিটেও ৫০ শতাংশ ছাড় পেয়ে থাকেন। এক জন সহকারী বা সহযোগীও একই হারে ভাড়ায় ছাড় পান। (খ) চিকিৎসা -- এইচআইভি নির্ণীত হলে কোনও ব্যক্তি নিখরচায় এআরটি কেন্দ্রগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন। এআরটি সেন্টারগুলির তালিকার জন্য ক্লিক করুন here.। (গ) যত্ন এবং সহায়তা -- কমিউনিটি কেয়ার সেন্টারে এইচআইভি পজিটিভ ও এইডস রোগীদের এ ধরনের পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। কমিউনিটি কেয়ার সেন্টারের ওয়েবসাইট ও তালিকার জন্য ক্লিক করুন here । (ঘ) অধিকারের সুরক্ষা : সম্মতি নিতে হবে, গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং কোনও বৈষম্য করা হবে না। (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here এবং here । পূর্ণবয়স্ক এবং ছোটরা কোনও বৈষম্য ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা ও চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণের সুযোগ পাবে। কোনও সরকারি নিয়োগকর্তা বা সরকারি ক্ষেত্রগুলির নিয়োগকর্তা এইচআইভি পজিটিভদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এটিকে কারণ হিসাবে দেখিয়ে চাকরির অধিকার কেড়ে নিতে পারেন না বা চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে পারেন না। এইচআইভি পজিটিভ বলে কোনও কর্মীর প্রতি বৈষম্য করা হলে সেটি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করার পর্যায়ে পড়বে। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি পরীক্ষা, চিকিৎসা, যত্ন বা সহায়ক পরিষেবার জন্য নিম্নলিখিত যে কোনও জায়গায় যাওয়া যেতে পারে --- আইসিটিসি সেন্টার (অবস্থান জানার জন্য ক্লিক করুন here।) এআরটি সেন্টার (অবস্থান জানার জন্য ক্লিক করুন here।); বা কমিউনিটি কেয়ার সেন্টার এআরটি সেন্টারে নিবন্ধ করানোর জন্য নিম্নলিখিত নথি প্রয়োজন : কোনও আইসিটিসি থেকে এইচআইভি পজিটিভ পরীক্ষার নথি একটি ফটো সম্বলিত পরিচয়পত্র। সহায়তা পরামর্শ (ক) পজিটিভ ব্যক্তিরা দিল্লি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন (ডিএনপিপি)- ঠিকানা : ডিএনপিপি, বাড়ি নম্বর ৬৪, গলি নম্বর ৩, ইগনউ-এর কাছে, নব সরাই, নিউ দিল্লি ১১০০৮৮। ফোন ০১১-২৯৫৩৫২৩৯/৩২৯৩৫২৩৯ (খ) লইয়ার্স কালেক্টিভের এইচআইভি/এইডস ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করুন-ওয়েবসাইট www.lawyerscollective.org,, ফোন ০১১-৪৬৮০৫৫৫৫ (গ) জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। ওয়েবসাইট here । (ঘ) আগে থেকে না জানিয়ে ও অনুমোদন না নিয়ে যদি কোনও ব্যক্তির এইচআইভি পরীক্ষা করা হয় বা যদি এই সম্পর্কিত গোপনীয়তা ভঙ্গ করা হয় বা যদি কোনও ব্যক্তির অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হয় তবে তিনি স্বচ্ছন্দে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। সাফল্যের গল্প একটি ছোট শিশুর হাড় ভেঙে যাওয়ার পর দিল্লির একটি সরকারি হাসপাতাল তার অস্ত্রোপচার করতে চায়নি কারণ সে ছিল এইচআইভি পজিটিভ। শিশুটির পরিবার তাঁদের সমস্যা নিয়ে ডিএনপিতে হাজির হন। ডিএনপি এই শিশুর অধিকার নিয়ে ওকালতি করে অবশেষে সরকারি হাসপাতালেই শিশুটির অস্ত্রোপচার হয়। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস শিক্ষা শিক্ষা (সরকারি স্কুল) স্কুল বা বিদ্যালয়ে ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে আমাদের দেশে বড়লোক ও গরিবদের মধ্যে ব্যবধান ক্রমশ বাড়ছে। গরিবরা কেবলমাত্র সরকারি স্কুলে পড়ার সুযোগ পায় যেগুলি মূলত মাতৃভাষা অর্থাৎ হিন্দি বা বাংলা বা ওড়িয়া ইত্যাদি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষা দেয়। এই ধরনের স্কুলগুলিতে ছাত্রের সংখ্যা অত্যধিক বেশি এবং ঠিকমতো পড়ানোর পরিকাঠামোও নেই। মধ্যবিত্তরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে পাঠায় যেখানে ক্লাসগুলি অনেক ছোট এবং পড়ানোর ব্যবস্থা তুলনামূলক ভাবে ভালো। এই ধরনের ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজে যাওয়ার সুযোগ পায় কিন্তু গরিবদের সামনে সেই সুযোগ সীমিত। নীচে এমন কিছু ব্যবস্থার উল্লেখ করা হল যার মাধ্যমে সরকার এই ব্যবধান দূর করার জন্য কিছু উদ্যোগ নিচ্ছে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক স্কুল শিক্ষা এবং সাক্ষরতা বিভাগ (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) রাইট টু চিলড্রেন টু ফ্রি অ্যান্ড কমপালসারি এডুকেশন অ্যাক্ট ২০০৯ অর্থাৎ শিশুদের জন্য নিখরচায় আবশ্যিক শিক্ষার অধিকার আইন। (ক্লিক করুন here) পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। (ওয়েবসাইটে্র জন্য ক্লিক করুন here) অধিকার (সেরা সূত্র : সর্বশিক্ষা অভিযান-http://ssa.nic.in/পশ্চিমবঙ্গের জন্য ক্লিক করুন here) শিক্ষার জন্য অধিকার আইন ২০০৯-এর অধীনে--- প্রত্যেক শিশুর (প্রতিবন্ধী সহ) স্থানীয় স্কুলে ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সে নিখরচায় প্রাথমিক শিক্ষা (অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত) পাওয়ার অধিকার রয়েছে (ধারা ৩)। প্রত্যেক বাবা-মা/অভিভাবক শিশুদের স্থানীয় স্কুলে অবশ্যই ভর্তি করবেন (ধারা ১০)। প্রত্যেক স্কুলের (সরকারি বা বেসরকারি) ক্ষেত্রে আবশ্যিক -- কোনও শিশুকে একই শ্রেণিতে আবার পড়ানো চলবে না। স্কুল থেকে তাড়ানো চলবে না। এবং অষ্টম শ্রেণি পাশ করার আগে কোনও বোর্ডের পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন (ধারা ১৬)। কোনও শারীরিক শাস্তিপ্রদান বা মানসিক হেনস্থা করা যাবে না (ধারা ১৭)। ন্যূনতম পরিকাঠামো থাকতে হবে (সমস্ত রকম আবহাওয়ার উপযোগী বাড়ি, প্রত্যেক শিক্ষকের জন্য আলাদা শ্রেণিকক্ষ, খেলার মাঠ, গ্রন্থাগার, মেয়েদের জন্য আলাদা শৌচালয়, খাবার জল, খেলাধুলার সরঞ্জাম ইত্যাদি)(ধারা ১৯ এবং আইনের তফশিল)। প্রত্যেক শিক্ষককে নিয়মিত স্কুলে আসতে হবে। সময়ানুবর্তী হয়ে শ্রেণিকক্ষে এসে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাঠক্রম শেষ করতে হবে (ধারা ২৪)। প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক ও ছাত্রের অনুপাত প্রতি শ্রেণিতে ১:৩০ রাখতে হবে। উচ্চপ্রাথমিক অর্থাৎ ষষ্ঠ থেকে অষ্টম মান পর্যন্ত এই অনুপাত ১:৩৫ রাখতে হবে (ধারা ২৫ এবং আইনের তফশিল) মনে রাখবেন কোনও শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন করাতে পারবেন না (ধারা ২৮)। প্রত্যেক বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে আবশ্যিক-- প্রথম শ্রেণিতে অন্তত ২৫ শতাংশ আসন অসুবিধা রয়েছে এমন শ্রেণির জন্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা। (অর্থাৎ তফশিল জাতি-উপজাতি এবং আর্থিক দিক দিয়ে দুর্বল শ্রেণি)(ধারা ১২(১)(খ))। প্রাথমিক স্তরে শিশুকন্যাদের শিক্ষা দেওয়ার জাতীয় কর্মসূচি বা ন্যাশানাল প্রোগ্রাম ফর এডুকেশন ফর গার্লস অ্যাট এলিমেন্টারি লেভেল। (ওয়েবসাইটে্র জন্য ক্লিক করুন here) শিশুশিক্ষা কেন্দ্র : রাজ্য সরকারের অর্থে স্থাপিত পাড়া ভিত্তিক স্কুল যার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। (দেখুন here।) আবেদন ও সহায়তা ভর্তির জন্য আবেদনের পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ১ সপ্তাহ) প্রতি বছর ৩১ আগস্টের আগে শিশুটিকে স্থানীয় স্কুলে নিয়ে গিয়ে ভর্তির চেষ্টা করুন। সাধারণত ভর্তির সময় বার্থ সার্টিফিকেট লাগে। তবে যদি তা না থাকে তা হলে একটি হলফনামা দিলেই চলে। শিক্ষার অধিকার আইন অনুযায়ী কোনও শিশুকে কখনওই স্কুলে ভর্তি হওয়া থেকে বিরত করা যায় না। অর্থাৎ বার্থ সার্টিফিকেট নেই কেন, ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নেই কেন, বয়সের প্রমাণ নেই কেন, শিক্ষাবর্ষ চলাকালীন দেরিতে ভর্তি হতে এসেছেন কেন -- এই সব অজুহাত তুলে কোনও শিশুকে স্কুলে ভর্তি হতে না দেওয়ার পন্থা অবলম্বন করা চলবে না। শিশুটির বয়স যদি ৭-এর বেশি হয়, তা হলে তাঁকে বয়স অনুপাতে উপযুক্ত কোনও শ্রেণিতে ভর্তি নিতে হবে এবং বিশেষ ক্লাস নিয়ে তাকে তার সহপাঠীদের সমকক্ষ করে তুলতে হবে (ধারা ৪)। সহায়তা (যদি আবেদন কার্যকর না হয়) (ক) গোড়ায় স্কুলের অধ্যক্ষের কাছে যান; তার পর (খ) পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতরে আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। (ক্লিক করুন here ,তার পর আরটিআই-এ ক্লিক করুন।); তার পর (গ) রাইট টু এডুকেশন টাস্ক ফোর্স -- আইনজীবী অশোক আগরওয়াল ৯৮১১১০১৯২৩। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস শিক্ষা (বৃত্তি ও সুবিধা) গরিব ছাত্রদের স্কুলে ভর্তি করা এবং স্কুলে নিয়মিত যাওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার বৃত্তি ও সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। সংশ্লিষ্ট দফতর পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতর (ওয়েবসাইটে্র জন্য ক্লিক করুন here) অধিকার (সেরা সূত্র : http://schoolchoice.in/campaigns/vouc-cct-scholar.php ) মিড ডে মিল -- অষ্টম শ্রেণি অবধি মিড ডে মিলের ব্যবস্থা (উপরিউক্ত ওয়েবসাইটটির নবম পৃষ্ঠা দেখুন) এসএসএ-র অধীন সমস্ত ছাত্রী/তফশিল জাতি/তফশিলি উপজাতি শিশুদের প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত বিনা পয়সায় পাঠ্যপুস্তক। পশ্চিমবঙ্গ মেধা ও সাহায্য বৃত্তি (মেরিট-কাম-মিনস স্কলারশিপ) -- মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে গরিব কিন্তু মেধাবী ছাত্রদের আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। এর জন্য অন্তত ৭৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। এই বৃত্তি পেতে গেলে সংশ্লিষ্ট ছাত্র-ছাত্রীর পারিবারিক রোজগার বছরে ৮০ হাজার টাকার বেশি হলে চলবে না। এই ধরনের ৫০০ ছাত্র-ছাত্রী বেছে নিয়ে সরকার মাসে ৫০০ টাকা করে সাহায্য দেয়। পশ্চিমবঙ্গে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের উৎসাহদান প্রকল্প -- ছাত্রীদের, বিশেষ করে গরিব পরিবারের, পড়াশোনায় উৎসাহ দিতে রাজ্য সরকার ২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই প্রকল্প শুরু করেছে। এই প্রকল্প অনুসারে মাসে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়। । ( প্রকল্পের উপর ক্লিক করুন here) তফশিল জাতি/তফশিলি উপজাতি/অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ম্যাট্রিক-পূর্ববর্তী ও ম্যাট্রিক-পরবর্তী বৃত্তির ব্যবস্থা (ক্লিক করুন here) ভর্তির জন্য আবেদনের পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা ১ সপ্তাহ) মিড ডে মিলের জন্য সরাসরি স্কুলের অধ্যক্ষকে বলুন। তফশিল জাতি/তফশিলি উপজাতিভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীর জন্য বিনা পয়সায় স্কুলের পোশাক পেতে স্কুলের অধ্যক্ষের মাধ্যমে জেলা ওয়েলফেয়ার অফিসারের কাছে আবেদন করুন। তফশিল জাতি/তফশিলি উপজাতি/অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ম্যাট্রিক-পূর্ববর্তী ও ম্যাট্রিক-পরবর্তী বৃত্তির ব্যবস্থা (ক্লিক করুন here) পশ্চিমবঙ্গ এবং জাতীয় মেধাবৃত্তির জন্য ক্লিক করুন here । তার পর ক্লিক করুন ‘ফর্মস’-এ এবং ‘ডাউনলোড’-এ। সহায়তা (যদি আবেদন কার্যকর না হয়) (ক) গোড়ায় স্কুলের অধ্যক্ষের কাছে যান; তার পর (খ) পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতরে আরটিআই আইনে তথ্য জানতে চান। (ক্লিক করুন here ,তার পর আরটিআই-এ ক্লিক করুন।); তার পর (গ) সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রকে আরটিআই করুন। সন্দীপ কুমার গুপ্ত, পিআইও, ডেপুটি সেক্রেটারি-০১১ ২৩৩৮৯৪৭৪ তফশিল জাতি/তফশিলি উপজাতি এবং অপরিষ্কার ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্তদের শিশুদের ম্যাট্রিক-পূর্ববর্তী বৃত্তির দায়িত্বে-- ই ভি টমাস, পিআইও, আন্ডার সেক্রেটারি ০১১ ২৩৭৫৩৪০৬ অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ম্যাট্রিক-পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বৃত্তির দায়িত্বপ্রাপ্ত। (ঘ) রাইট টু এডুকেশন টাস্ক ফোর্স -- আইনজীবী অশোক আগরওয়াল ৯৮১১১০১৯২৩। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস শিক্ষা (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং) শিক্ষা (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং) বহু মানুষ লেখাপড়া শিখতে চান কিন্তু নানা কারণে তাঁদের প্রথাগত স্কুলে যাওয়া হয়ে ওঠে না। হয়তো ছোটবেলায় তাঁদের স্কুল শিক্ষায় ছেদ পড়েছিল, কিন্তু বড় হয়ে তাঁদের আবার শিখতে ইচ্ছা করছে। তাঁরা এখন কর্মজীবনে ব্যস্ত, হয়তো পরিবারের দেখভাল করতে হয়, ফলে স্কুলে যাওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এ রকম লক্ষ লক্ষ মানুষের জন্য ভারতীয় মুক্ত বিদ্যালয় বাড়িতে বসে পড়াশোনার সুযোগ এনে দিয়েছে। বর্তমানে এ ধরনের স্কুল ব্যবস্থায় ১৫ লক্ষ মানুষ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন। ভারতীয় মুক্ত স্কুল ব্যবস্থা এখন বিশ্বের মধ্যে বৃহত্তম। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং- অধিকার মুক্ত মৌলিক শিক্ষা (ওবিই) কর্মসূচি -- প্রথাগত স্কলের তৃতীয়, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণির সমমানের। মাধ্যমিক শিক্ষা পাঠক্রম (দশম শ্রেণি)। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা পাঠক্রম (দ্বাদশ শ্রেণি)। সূত্র : এনআইওএস আবেদন ও সহায়তা ভর্তির জন্য আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৯০%, সময়সীমা ৪ সপ্তাহ) তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম শ্রেণির জন্য। বাড়ির কাছাকাছি কেন্দ্রটি খুঁজে বের করুন। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here। কেন্দ্রে যান এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করুন। মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) ও উচ্চ মাধ্যমিক (দ্বাদশ শ্রেণি) পর্যায়ের জন্য সমস্ত আবেদন এখন অন লাইনে করা যায়-- ওয়েবসাইটে যান here এবং নিজে অন লাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন; অথবা-- - স্থানীয় অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে (এআই) যান। তারা আপনাকে অন লাইন আবেদন করতে সাহায্য করবে। এআই-র তালিকার জন্য ক্লিক করুন here ; অথবা -- আঞ্চলিক কেন্দ্রে যান। তারা আপনাকে অন লাইন আবেদন করতে সাহায্য করবে। আঞ্চলিক কেন্দ্রের তালিকার জন্য ক্লিক করুন here । ফি’র তালিকা শ্রেণি নারী পুরুষ এসসি/এসটি/প্রতিবন্ধী দশম মান ৭৫০ টাকা ১ হাজার টাকা ৫৫০ টাকা দ্বাদশ মান ৯০০ টাকা ১,১৫০ টাকা ৬২৫ টাকা সহায়তা (যদি আবেদন কার্যকর না হয়) (ক) তৃতীয়,পঞ্চম ও সপ্তম মানের জন্য যেখানে আবেদন করেছিলেন সেই কেন্দ্রে ফের যান; তার পর (খ) দশম ও দ্বাদশ মানের জন্য আপনার অন লাইন আবেদনের অবস্থা দেখার জন্য ক্লিক করুন here ; তার পর (গ) টোল ফ্রি লাইনে কল করুন-১৮০০ ১৮০৯৩৯৩; তার পর (ঘ) আঞ্চলিক কেন্দ্রে অভিযোগ জমা দিন। আঞ্চলিক কেন্দ্রের তালিকার জন্য ক্লিক করুন here । (ঙ) দিল্লির এনআইওএস-এর মূল দফতরে অভিযোগ জানান, যোগাযোগের জন্য ক্লিক করুন here । সাফল্যের কাহিনি দিল্লিতে রুকসানা নামের এক গৃহবধূ পড়াশুনা করতে চেয়েছিলেন কিন্তু কখনও প্রথাগত স্কুলে যাওয়ার সুযোগ হয়নি। তিনি এনআইওএস সিনিয়র অর্থাৎ দশম মান পাশ করেছেন এবং তার পর দ্বাদশ মানও সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন। এখন তিনি কলেজে যাওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন। সূত্র : ইএইচএ অ্যাডভোকেসি ম্যানুয়ালস প্রয়োজন প্রয়োজন (বিদ্যুৎ) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যুৎ মন্ত্রক (here) গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন নিগম (here) রাজীব গান্ধী গ্রামীণ বিদ্যুৎ যোজনা আরজিজিভিওয়াই (here) পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিদ্যুৎ দফতর (ওয়েবসাইট-http://wbpower.nic.in/). পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন নিগম ও পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিগম। (ওয়েবসাইট দেখুন here এবং তার পর ‘ইমপ্লিমেন্টিং এজেন্সিস’/সিপিএসইউএস অথবা সিপিএসইউ-তে ক্লিক করে আপনার রাজ্য ও জেলার খোঁজ নিন।) অধিকার সেরা সূত্র : রাজীব গান্ধী গ্রামীণ বিদ্যুৎ যোজনা --http://powermin.nic.in/bharatnirman/bharatnirman.asp রাজীব গান্ধী গ্রামীণ বিদ্যুৎ যোজনা এবং ভারত নির্মাণ কর্মসূচির আওতায় ২০১২ সালের মার্চ মাসের মধ্যে দেশের বাকি এক লক্ষ ২৫ হাজার গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। (ওয়েবসাইট দেখুন here এবং here) একটি গ্রামের স্কুল, পঞ্চায়েত অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ডিসপেনসারির মতো প্রকাশ্য স্থানে এবং শোষিত/দলিত পাড়ায় যদি বিদ্যুৎ পৌঁছয় তবেই সেই গ্রামকে বিদ্যুদয়িত বলা যাবে। গ্রামের অন্তত ১০ শতাংশ বাড়িকে বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আনতে হবে। ২ কোটি ৩৪ লক্ষ বিপিএল পরিবারকে নিখরচায় বিদ্যুৎ সংযোগ।(দেখুন here) আবেদন ও সহায়তা সংযোগের জন্য আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) (১) যে গ্রামে কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই সেই গ্রামে বিদ্যুৎ আনতে গেলে -- দেখে নিন আপনার গ্রামে বিদ্যুদয়ন হয়েছে কিনা।(দেখুন here) যদি তা না হয় তা হলে দেখে নিন here কোন ডিসকম আপনার জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগের দায়িত্বে রয়েছে (‘ইমপ্লিমেন্টিং এজেন্সিস’/সিপিএসইউএস- তে ক্লিক করে আপনার রাজ্য ও জেলার খোঁজ নিন)। আপনার এলাকার ডিসকম-এর কাছে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য আবেদন করুন। এর জন্য কোনও খরচ লাগে না। (২) যে গ্রাম বা শহর ইতিমধ্যেই বিদ্যুদয়িত সেখানে নতুন সংযোগের জ্ন্য আবেদন করতে হলে -- রাজ্য সরকারের অধীনে পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি কোম্পানি বিদ্যুৎ সংযোগের দায়িত্বে রয়েছে। here বাঁ দিকে সেই সব কোম্পানির ওয়েবসাইটের তালিকা পেশ করা হল। ডাবলুবিএসইডিসিএলে আবেদন করতে হলে ফর্ম ডাউনলোড করুন here । সিইএসসি লিমিটেডে অন লাইনে here এবং here আবেদন করুন। ডিপিএসসিতে আবেদন করার জন্য তথ্য রয়েছে here । চিঠি লিখুন, চিফ ইঞ্জিনিয়ার ডিপিএসসি লিমিটেড, সেন্ট্রাল অফিস, সাঙ্কটোরিয়া, দিশেরগড়, বর্ধমান-৭১৩৩৩৩। বা প্লট নম্বর এক্স-১,২,৩, ব্লক-ইপি, সেক্টর ফাইভ, সল্টলেক সিটি ৭০০০৯১। চিঠিতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি রাখতে হবে -- যে সংস্থা বা ব্যক্তির নামে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়া হবে তার নাম। সংস্থা বা ব্যক্তির ঠিকানা যেখানে সংযোগ নেওয়া হবে। কতটা পরিমাণ বিদ্যুতের লোড প্রয়োজন। চিঠি পাওয়ার পর চিফ ইঞ্জিনিয়ারের দফতর থেকে একটি ফর্ম ইস্যু করা হবে। ফর্মটি পূরণ করে উপরে উল্লিখিত ঠিকানায় জমা করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে ) (১) ডাবলুবিএসইডিসিএলে জানান।(ক্লিক করুন ওয়েবসাইট-http://www.wbsedcl.in/), তার পর অভিযোগ জানানোর জন্য ‘ফ্রি টেলিফোন সারভিস’-এ ক্লিক করুন। (২) সিইএসসি -- টেলিফোন নম্বর-২২৩৭-৩৮৫৩/৩৬১২ ই মেল-dilip@rpgnet.com- কাজের দিন সকাল সাড়ে নটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটার মধ্যে। (৩) ডিপিএসসি -- ০৩৪১-২৫২০২৯৫ (৪) ওয়েস্টবেঙ্গল পাওয়ারে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (পিআইও-র জন্য ক্লিক করুন here, তার পর ক্লিক করুন পাওয়ার ও এনইএস-এ) প্রয়োজন (গ্যাস) ঘুঁটে, কেরোসিন বা কাঠের জ্বালানির তুলনায় গ্যাস অনেক সস্তা, পরিচ্ছন্ন এবং বাড়িতে ব্যবহার করার উপযোগী। অনেক সময় বণ্টন সংস্থা নতুন সংযোগ দিতে চান না, যদিও প্রতিটি পরিবারের একটি করে গ্যাস সংযোগ পাওয়ার অধিকার রয়েছে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর রান্নার গ্যাস এখন আধা-বেসরকারি হয়ে গিয়েছে। বেশির ভাগ সংযোগ দেয় -- ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন লিমিটেড (ইনডেন) (ওয়েবসাইট দেখুন here) ভারত গ্যাস (ক্লিক করুন here) হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম (এইচপি)(ক্লিক করুন here) অধিকার সেরা সূত্র : ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন --http://www.iocl.com/Products/LiquefiedPetroleumGasFAQ.aspx#1 ইন্ডিয়ান অয়েল সম্পর্কে বলা হয় তারা নাকি রান্নাঘরে বিপ্লব করে ফেলেছে। রান্নার জন্য পরিষ্কার এবং কার্যকর জ্বালানি সরবরাহ করে লক্ষ লক্ষ পরিবারে আনন্দ ও উষ্ণতা ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রতি দিন ৫ কোটি ৩০ লক্ষ ঘরে ১০ লক্ষ ২০ হাজার সিলিন্ডার পৌঁছে দেয় তারা। (ইনডেন ওয়েবসাইট থেকে উদ্ধৃত) প্রতিটি বাড়ি, যাঁদের আলাদা রান্নার জায়গা রয়েছে, তাঁরাই রান্নার গ্যাসের সংযোগের জন্য আবেদন করতে পারবেন (একটি বাড়িতে অর্থাৎ একটি পরিবারে একটিই এলপিজি সংযোগ দেওয়া হয়)। ১২৭০ টাকার মতো দামের একটি ১৪.২ কেজি ওজনের এলপিজি সিলিন্ডার সরকারি ভর্তুকির দৌলতে ৪১৬ টাকার মতো দামে এক একটি পরিবার বছরে ৯টি করে পেতে পারেন। তার পর প্রয়োজন হলে ভর্তুকি ছাড়া প্রকৃত দামে কিনতে হয়। আবেদন ও সহায়তা আবেদনের পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৭০%, সময়সীমা এক মাস) আবেদনের পদ্ধতি জানতে ক্লিক করুন here। (১) ফর্মটি ফিল আপ করুন এবং সব চেয়ে কাছের সরবরাহকারী সংস্থার কাছে জমা দিন। আপনার সব চেয়ে কাছের সরবরাহকারী সংস্থা কে, জানতে হলে ইন্ডেনের ওয়েবসাইটে here যান। ক্লিক করুন ‘সাপোর্ট’-এ, তার পর ‘এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটারস’-এ, তার পর ‘ওয়েস্টবেঙ্গল’-এ ক্লিক করতে হবে, (পশ্চিমবঙ্গের বেশির ভাগ জেলা জোন ২-এ আছে), তার পর আপনার ‘ডিসট্রিক্ট’ ও ‘মার্কেট’-এ ক্লিক করে ‘সার্চ’-এ যান। ‘সার্চ’-এ ক্লিক করলে আপনি আপনার বাড়ির কাছাকাছি সরবরাহকারীদের নাম জানতে পারবেন। আমার নিকটবর্তী স্থানীয় ইনডেন গ্যাস সরবরাহকারী হল __________ (২) বৈধ পরিচয়পত্র ও বাসস্থানের প্রমাণ জমা দিন (ভোটার আই কার্ড, রেশন কার্ড, ইলেকট্রিক বিল প্রভৃতি)। (৩) রেজিস্টার্ড পোস্টের মাধ্যমে চিঠি পাবেন (ঠিকানা সঠিক কিনা যাচাই করে নিন এবং সেটি সরবরাহকারীর কাছে নিয়ে যান)। (৪) দাম-- স্টোভের দাম ১৮৫০ টাকা। যদি আইএসআই মার্কা স্টোভ হয়, তা হলে আপনি আপনার নিজের স্টোভ ব্যবহার করতে পারেন। কেনার আসল রসিদ দেখে নিন এবং ইনডেনের কর্মীকে দিয়ে ২৫০ টাকায় চেক আপ করিয়ে নিতে পারেন। ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি মানি ১২৫০ টাকা। পাইপ ২৫০ টাকা (কম-বেশি হতে পারে) গ্যাস রিফিল (কলকাতা ৪১৬ টাকা, মেট্রো শহরে ভর্তুকির সিলিন্ডারের দাম জানার জন্য দেখুন here ) রেগুলেটরের জন্য ফেরতযোগ্য জমা ২৫০ টাকা। সংযোগ লাগানোর চার্জ ৪৫ টাকা। পাস বই ৪৫ টাকা। মোট ২১৫৬ টাকা (রসিদ নেবেন অবশ্যই)। গ্যাস সিলিন্ডার বাড়িতে সরবরাহ করার জন্য কোনও আলাদা চার্জ দিতে হয় না। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে ) ইনডেন এইচপি ভারত গ্যাস অভিযোগ করুন ডিস্ট্রিবিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ ডিস্ট্রিবিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ ডিস্ট্রিবিউটারের সঙ্গে যোগাযোগ টোল ফ্রি নম্বর ১৮০০২৩৩৩৫৫৫ ১৫২৩৩ বা ১৮০০২৩৩৩৫৫৫ ১৮০০২৩৩৩৫৫৫ অন লাইনে অভিযোগ http://www.iocl.com/LPGIncharges.aspx http://jihaan.hpcl.co.in/booking/ComplaintType.aspx http://www.ebharatgas.com/pages/footer/Talktous.html লোকাল কাস্টমার সার্ভিস সেল https://iocl.com/TollFreeCellNumber.aspx HPCL,Flat No. 4, Plot -1, Nehru Enclave, Gomti Nagar, Lucknow,UP ২২৬০১০ Phone: ০৫২২ ২৩০৮৮৬৩ http://www.ebharatgas.com/pages/Contact/Contact1.html স্থানীয় পিআইও https://iocl.com/LPGIncharges.aspx Other contacts on website here) http://hindustanpetroleum.com/contactus http://www.ebharatgas.com/pages/Contact/Contact1.html স্বাস্থ্যবিধান স্বাস্থ্যবিধান (শৌচাগার) ভারত সরকার চায় প্রতিটি বাড়িতে শৌচাগার থাকুক। বহু গ্রামবাসীরই এই ব্যাপারে প্রবল আপত্তি রয়েছে। তাঁদের যুক্তি হল যদি নিরন্তর জল সরবরাহ ও রোজ যথাযথ পরিষ্কার করার ব্যবস্থা না থাকলে শৌচাগার ব্যবহারের যুক্তি নেই। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক - পানীয় জল ও স্বাস্থ্যবিধান দফতর (সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধানের জন্য) (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক (এনআরএইচএমের জন্য) (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here ) পশ্চিমবঙ্গ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য দেখুন here) স্থানীয় পঞ্চায়েতের গ্রাম স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটি। অধিকার সেরা সূত্র : নির্মল ভারত অভিযান: http://tsc.gov.in/NBA/AboutNBA.aspx । আরও দেখুন ইন্ডিয়ান স্যানিটেশন পোর্টাল here এবং ইন্ডিয়া ওয়াটার পোর্টাল here । (১) ২০১৭-র মধ্যে ভারতের প্রতিটি বাড়িতে শৌচাগার স্থাপন প্রতিটি বিপিএল পরিবার, তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতিভুক্ত এপিএল পরিবার, ছোট ও প্রান্তিক কৃষক, গৃহ রয়েছে এমন ভূমিহীন কৃষক, প্রতিবন্ধী এবং মহিলারা পরিবারের প্রধান এমন বাড়িতে শৌচাগার তৈরির উদ্যোগ নিন এবং নগদ সাহায্য নিন। দেখুন প্রশ্ন সংখ্যা ১০ থেকে ১৪ ttp://rural.nic.in/sites/downloads/our-schemesglance/ FAQsTSC.pdf যাঁদের একশো দিনের কাজের জব কার্ড রয়েছে তাঁরা বাড়িতে শৌচালয় বানানোর জন্য ১০ হাজার টাকা নগদ সাহায্য পাবেন (দেখুন here)। ভর্তুকি/সাহায্য প্রতিটি শৌচালয়ের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকার পরিবারের/গোষ্ঠীর শেয়ার ব্যক্তিগত বাড়ি ৩২০০টাকা ১৪০০টাকা ৯০০ টাকা পাড়ার শৌচালয় ব্যবস্থা ৬০ শতাংশ ৩০ শতাংশ ১০ শতাংশ গ্রামীণ স্কুল ৩৫০০০টাকা (৭০ শতাংশ) ১৫০০টাকা (৩০ শতাংশ) ০ অঙ্গনওয়ারি ৫৬০০(৭০ শতাংশ) ২৪০০টাকা (৩০ শতাংশ) ০ গ্রামে স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটি এক সঙ্গে ১০ হাজার টাকা পাবে। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি শৌচালয় (সাফল্যের সনভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) (ক) আপনার গ্রাম পঞ্চায়েতে শৌচ ব্যবস্থার অবস্থা সম্পর্কে এবং প্রতিটি বিপিএলভুক্ত পরিবারের শৌচালয় সম্পর্কে জানুন here । রাজ্য/জেলা/ব্লক/গ্রাম পঞ্চায়েত অনুসারে ক্লিক করতে থাকুন। (খ) যদি দেখেন আপনার গ্রাম এই প্রকল্পের আওতায় আসেনি অথবা এলেও কাজ হয়নি যদিও আপনি শৌচালয় চান, সে ক্ষেত্রে সরাসরি পঞ্চায়েতের গ্রাম স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটির কাছে আবেদন করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে ) (ক) সরাসরি পঞ্চায়েতের গ্রাম স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটির কাছে অভিযোগ দায়ের করুন; তার পর (খ) নির্মল ভারত অভিযানে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। শ্রীমতী প্রতিমা গুপ্তা ডিরেক্টর (এনবিএ) দ্বাদশ তল, পরযাবরণ ভবন, সিজিও কমপ্লেক্স, লোদি রোড, নিউ দিল্লি ১১০০০৩। টেলিফোন ০১১-২৪৩৬৪৪২৭, ই-মেল pratima.g@nic.in স্বাস্থ্যবিধান (বাঁধানো গলি ও নর্দমা) বর্ষায় গ্রামের কর্দমাক্ত রাস্তা ধরে হাঁটা খুবই কষ্টসাধ্য, বাঁধানো গলি ও নর্দমা তৈরি করা খুবই জরুরি। এই কাজের দায়িত্ব গ্রামের স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটির। সুতরাং কোনও গ্রামে এ ধরনের পাকা ব্যবস্থা তৈরি নির্ভর করে এই কমিটির সততা ও দক্ষতার উপর। সংশ্লিষ্ট দফতর পশ্চিমবঙ্গ সরকার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর। দেখুন here। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। দেখুন here। স্থানীয় পঞ্চায়েতের গ্রাম স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটি শহরাঞ্চলে ঝাড়ুদার নিয়োগ, গলি বাঁধানো ও নর্দমা তৈরির জন্য নগর নিগম দায়িত্বপ্রাপ্ত। অধিকার সেরা সূত্র : জনস্বাস্থ্য কারিগর দফতর। ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here প্রতি বছর পঞ্চায়েতের গ্রাম স্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যবিধান কমিটি ১০ হাজার টাকা করে পায় বাঁধানো গলি ও নর্দমা তৈরির জন্য। সহায়তা (ক) পঞ্চায়েতে অভিযোগ করুন; তার পর (খ) জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান here.। আবাসন আবাসন (ইন্দিরা আবাস যোজনা) দারিদ্রসীমার নীচে স্থিত পরিবারগুলির জন্য বসবাসের ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য এই প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। এটি অত্যন্ত কার্যকর প্রকল্প। কিন্তু মূল সমস্যা বিপিএল তালিকা নিয়েই। তাই অনেক সময় দেখা যায় যাঁদের সত্যিকারের প্রয়োজন আছে এমন গরিব পরিবার প্রকল্পের সুযোগ নিতে পারছে না, অথচ শক্তিশালী ব্যক্তিরা বিপিএল তালিকায় নাম ঢুকিয়ে অনায়াসে বাড়ি তৈরির টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জ্ন্য ক্লিক করুন http://rural.nic.in/.) পশ্চিমবঙ্গ সরকার গ্রামোন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন http://wbprd.nic.in/.) পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য দেখুন here) (ক) ইন্দিরা আবাস যোজনা ইন্দিরা আবাস যোজনায় দারিদ্রসীমার নীচের মানুষজন গুরুত্বের নিম্নলিখিত ক্রমানুসারে বাড়ি বানানোর সুবিধা পান- মুক্ত দাস শ্রমিকরা। তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি পরিবার (যাঁরা অত্যাচারের শিকার তাঁরাও, বিধবা/অবিবাহিত মহিলা প্রধান এমন পরিবার) শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী মানুষ। সাহায্যের পরিমাণ (দেখুন ইন্দিরা আবাস যোজনার ওয়েবসাইট here এবং here ।) নতুন বাড়ি বানানোর জন্য ৭০ হাজার টাকা (পাহাড়ি এলাকার জন্য ৭৫ হাজার টাকা) এবং উপরি ঋণ ২০ হাজার টাকা ৪ শতাংশ সুদের হারে। কাঁচা বাড়ি থেকে পাকা বাড়িতে রূপান্তরের জন্য ১৫ হাজার টাকা। (খ) প্রধানমন্ত্রী গ্রামোদয় যোজনা (গ্রামীণ আবাস) গ্রামীণ এলাকায় বাড়ি তৈরির জন্য বিপিএল পরিবার, বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতিভুক্তরা ডবলুবিপিআরডির কাছ থেকে এই প্রকল্পে টাকা পাবেন। সমতলে বাড়ি তৈরির জন্য ইউনিট পিছু ২০ হাজার টাকা, দুর্গম বা পাহাড়ি অঞ্চলে বাড়ি তৈরির জন্য ইউনিট পিছু ২২ হাজার টাকা দেওয়া হয়। কাঁচা বসবাসের অযোগ্য বাড়িকে আধ পাকা বা পুরোপুরি পাকা বাড়িতে রূপান্তরের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা সাহায্য। গ্রামোন্নয়ন দফতরের অন্যান্য আবাসন প্রকল্পের জন্য দেখুন-http://www.wbprd.gov.in/ আবেদন ও সহায়তা আবেদনের পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ২ বছর) যিনি আবেদন করতে চান তাঁকে গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে বা গ্রাম স্তরের কর্মী বা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার বা জেলা গ্রামীণ উন্নয়ন এজেন্সির সঙ্গে কথা বলতে হবে। সাহায্য পেতে গেলে যে নথি দরকার সেগুলি হল- ১.আবেদনপত্র ২. ১ নম্বর ও ১৪ নম্বর ফর্ম/জমির মালিকের ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ ৩. গ্রাম সভার প্রস্তাব ৪. রেশন কার্ডের নকল প্রধানমন্ত্রী গ্রামোদয় যোজনায় বাড়ি তৈরি করতে চাইলে গ্রাম সভা বা পঞ্চায়েত সমিতির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে ) (ক) সরাসরি গ্রাম পঞ্চায়েতে অভিযোগ দায়ের (খ) রাজ্য আবাসন দফতরে যোগাযোগ করুন-২২৪৮-০৫০৮ (গ) অন লাইনে জনপরিষেবা সংক্রান্ত অভিযোগ জানান-- ওয়েবসাইট here । (ঘ) ইন্দিরা আবাস যোজনায় তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। যোগাযোগ here.। আবাসন (ভূমিহীনদের জমি) বংশপরম্পরায় চলে আসা জাতিভেদ, শোষণ, দূর্নীতি, ঋণের ফাঁদে জড়িয়ে বহু মানুষ জমি হারাতে বাধ্য হয়েছেন। এই অবস্থায় ভাড়া করা জায়গায় বসবাস করা আর অন্যের জমিতে শ্রম দেওয়া ছাড়া তাঁদের আর উপায় নেই। ইন্দিরা আবাস যোজনার অন্তর্গত ‘হোমস্টিড সাইট’ বা গৃহের জন্য জমি প্রকল্পে দুর্গত মানুষদের কিছু জমি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে তাঁরা অন্তত বসবাসের জন্য ছোট বাড়ি তৈরি করতে পারেন। এটিও দারিদ্রসীমার নীচে থাকা মানুষদের জন্য গৃহীত প্রকল্প। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন - http//rural.nic.in ) ইন্দিরা আবাস যোজনা (ওয়েবসাইট দেখুন here) অধিকার সেরা সূত্র : ওয়েবসাইট দেখুন http://iay.nic.in/netiay/more_home.htm গ্রামীণ বিপিএল পরিবার যাঁদের বাড়ি বা চাষের জমি নেই। সুবিধাভোগীরাদের ইন্দিরা আবাস যোজনায় নথিভুক্তদের মধ্য থেকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বেছে নেওয়া হবে। যদি কোনও বিপিএল পরিবার জমি দখল করে থাকেন তা হলে সেই জমি ‘বাড়ির জন্য জমি’ হিসাবে রাজ্য সরকার দেখাতে পারে, যদি সেটি আইনগত ভাবে সম্ভব হয়। আর তা যদি না হয় তা হলে রাজ্য সরকার উপযুক্ত বিপিএল পরিবারকে সরকারি জমি থেকে বাড়ি করার জন্য জমি দেবে। সরকারি জমি অর্থে গোষ্ঠীর জমি (গোচর জমি),পঞ্চায়েত বা স্থানীয় প্রশাসনের জমি ইত্যাদি। যদি সরকারি জমি পাওয়া না যায় তা হলে রাজ্য সরকার বেসরকারি জমি কিনে বা অধিগ্রহণ করে বাড়ি তৈরির জন্য বিপিএলভুক্ত উপযুক্ত পরিবারকে দিতে পারে। প্রতি পরিবারকে বাড়ি করার জন্য দশ শতক (৪০০ বর্গমিটার) জমি কিনতে জমির পুরো দাম বা ১০ হাজার টাকা (যে পরিমাণটি কম হবে) দেওয়া হবে। জমি কেনা হবে মহিলার নামে অথবা যু্গ্মভাবে স্বামী-স্ত্রীর নামে। আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) ইন্দিরা আবাস যোজনার অধীনে পঞ্চায়েতে আবেদন করতে হবে। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) সরাসরি গ্রাম পঞ্চায়েতকে জানান। (খ) রাজ্য আবাসন দফতরে যোগাযোগ করুন-২২৪৮-০৫০৮ (গ) অন লাইনে জনপরিষেবা সংক্রান্ত অভিযোগ here । (তার পর ক্লিক করুন ‘লজ পাবলিক গ্রিভান্স’-এ) গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের গ্রামীণ আবাসন দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (যোগাযোগ here) চাষাবাদ চাষাবাদ (সেচ) দেশের বেশির ভাগ মানুষ এখনও জমি চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে। চাষাবাদ করার জন্য জল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বৃষ্টিপাতের চরিত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ফলে চাষ করা আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে। নীচের প্রকল্পগুলির মাধ্যমে চাষিরা সেচের ব্যবস্থা করে চাষের জন্য জলের অভাব কিছুটা হলেও মেটাতে সক্ষম হবেন। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার জলসম্পদ মন্ত্রক (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-wrmin.nic.in) সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন-cwc.gov.in). কৃষি মন্ত্রক রাষ্ট্রীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন (ক্লিক করুন-nfsm.gov.in) ন্যাশনাল মিশন ফর মাইক্রো-ইরিগেশন বা ক্ষুদ্র সেচের জন্য জাতীয় মিশন (ক্লিক করুন ncpahindia.com) অধিকার সেরা সূত্র : জলসম্পদ মন্ত্রক bharatnirman ন্যাশনাল মিশন ফর মাইক্রো-ইরিগেশন বা ক্ষুদ্র সেচের জন্য জাতীয় মিশন (ক্লিক করুন-ncpahindia.com) ড্রিপ বা জল ছেটানোর উপযোগী সেচের জন্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ৬০ শতাংশ টাকা সরকার ভর্তুকি দেবে, বাকি ৪০ শতাংশ টাকা কৃষককে দিতে হবে। সাধারণ কৃষকদের ক্ষেত্রে সেচের অনুরূপ ব্যবস্থার জন্য খরচের ৫০ শতাংশ ভর্তুকি সরকার দেবে। তার মধ্যে ৪০ শতাংশ দেবে কেন্দ্রীয় সরকার ও ১০ শতাংশ রাজ্য সরকার। বাকি ৫০ শতাংশ টাকা কৃষককে দিতে হবে। সুবিধাভোগীদের চিহ্নিত করার কাজে ডিআরডিএ (জেলা গ্রামোন্নয়ন এজেন্সি) ও পঞ্চায়েতকে জড়ানো হবে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন (ক্লিক করুন -nfsm.gov.in) পাম্প সেটের জন্য সাহায্য : খরচের ৫০ শতাংশ টাকা অথবা মেশিন পিছু ১০ হাজার টাকার মধ্যে যেটি কম হবে। স্প্রিঙ্কলার সেটের বিতরণ : খরচের ৫০ শতাংশ অথবা ৭৫০০ টাকার মধ্যে যেটি কম হবে। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) (১) এনএমএমআইয়ের জন্য ন্যাশনাল কমিটি অন প্লাস্টিকালচার অ্যাপ্লিকেশন ইন হর্টিকালচার (এনসিপিএএইচ) দশম তল, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড টাওয়ার, নেহরু প্লেস, নিউ দিল্লি ১১০০১৯, ফোন: ০১১-৪৬৫১১২৭৫ (২) এনএফএসএমের জন্য যোগাযোগ : এনএফএসএম সেল ০১১-২৩৩৮৯৮৩১ ড. এম এন সিংহ, জয়েন্ট ডিরেক্টর (এনএফএসএম), ই-মেল mnsingh1959@rediffmail.com শ্রী সি ওয়াই বরাপাত্রে, অ্যাঃ কমিশনার (এনএফএসএম), ই-মেল cyb_20007@yahoo.co.in সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) পানি পঞ্চায়েত বা গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস বা জেলাশাসকের দফতর অথবা সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন, যেখানে আপনি আবেদন করেছিলেন সেখানে অভিযোগ দায়ের করুন। (খ) সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (গ) এনএফএসএমের জন্য যোগাযোগ এনএফএসএম সেল ০১১-২৩৩৮৯৮৩১ ড. এম এন সিংহ, জয়েন্ট ডিরেক্টর (এনএফএসএম), ই-মেল mnsingh1959@rediffmail.com শ্রী সি ওয়াই বরাপাত্রে, অ্যাঃ কমিশনার (এনএফএসএম), ই-মেল cyb_20007@yahoo.co.in (ঘ) এনএমএমআইএয়ের জন্য --- ন্যাশনাল কমিটি অন প্লাস্টিকালচার অ্যাপ্লিকেশন ইন হর্টিকালচার (এনসিপিএএইচ) দশম তল, ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড টাওয়ার, নেহরু প্লেস, নিউ দিল্লি ১১০০১৯, ফোন: ০১১-৪৬৫১১২৭৫ চাষাবাদ (শস্যবিমা) আবহাওয়া পরিবর্তনের আর একটি বড় প্রভাব হল প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাওয়া। সাইক্লোন, বন্যা, খরা – একের পর এক দুর্যোগে চাষির মাথায় ওঠে হাত। এই সব দুর্যোগের জন্য চাষাবাদ অনেক বেশি ঝুঁকির হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিম্নে বর্ণিত বিমা প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকরা শস্যবিমা করাতে পারেন যাতে করে চাষের ঝুঁকি কিছুটা কমে। দফতর ও অধিকার src="../../resolveuid/8b3b68f656714a12b4a2029bb911b367" /> সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার এগ্রিকালচার ইন্সিওরেন্স কোম্পানি অফ ইন্ডিয়া পরিচালিত (here) ৫০০জেলার ২কোটি কৃষক এই প্রকল্পের আওতায় আছেন। অধিকার সেরা সূত্র : জাতীয় কৃষিবিমা প্রকল্প-http://agricoop.nic.in/dacdivision/credit.htm জাতীয় কৃষিবিমা প্রকল্প (বিস্তারিত দেখুন here) প্রাকৃতিক দুর্যোগ, পোকা ও রোগের প্রকোপে প্রজ্ঞাপিত ফসল নষ্ট হলে কৃষকরা আর্থিক সাহায্য ও বিমার সুযোগ পাবেন। ঋণী কৃষকদের জন্য এই প্রকল্প আবশ্যিক। অঋণী কৃষকদের জন্য ঐচ্ছিক। প্রতিটি খাদ্যশস্য (যেমন ধান, গম, ডাল, জোয়ার, বাজরা প্রভৃতি), তৈলবীজ ও বার্ষিক বাণিজ্যিক শস্য/উদ্যানজাত শস্য (যেমন আখ, আলু, লঙ্কা, আদা, পেঁয়াজ, হলুদ প্রভৃতি) এর আওতায় আসবে। প্রিমিয়ামের হার তৈলবীজ ও বাজরার জন্য ৩.৫ শতাংশ, অন্য খরিফ শস্যের জন্য ২.৫ শতাংশ, গমের জন্য ১.৫ শতাংশ এবং যে কোনও রবি শস্যের জন্য ২ শতাংশ। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের প্রিমিয়ামের ১০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হয়। পাঁচ বছরে এই ভর্তুকি দেওয়া ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যায়। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) প্রতিটি শস্যঋতুর শুরুতে রাজ্য সরকার শস্যগুলির নাম প্রজ্ঞাপিত করে এবং বলে দেয় প্রকল্পের অধীনে কোন কোন এলাকা আওতাভুক্ত হবে। ঋণী নন এমন কৃষক যদি প্রকল্পের আওতাভুক্ত হতে চান তা হলে তাঁকে এনএআইএসের ফর্ম ফিল-আপ করে প্রিমিয়াম সহ স্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের গ্রামীণ শাখায় বা আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক বা কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কের পিএসিএসে প্রস্তাব জমা দিতে হবে। প্রস্তাব গ্রহণ করার সময় পিএসিএস বা ব্যাঙ্কের কাজ হল বিমার পরিমাণ, সর্বোচ্চ সীমা ইত্যাদি খতিয়ে দেখা। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কের গ্রামীণ শাখায় বা আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কে বা সমবায় ব্যাঙ্কের পিএসিএসে, যেখানে প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে, সেখানে সরাসরি অভিযোগ জানান; তার পর (খ) এগ্রিকালচার কোম্পানি অফ ইন্ডিয়ায় তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (here) দাশরথি সিংহ, রিজিওন্যাল ম্যানেজার ওম টাওয়ার্স, ৫ম তল, চৌরঙ্গী রোড কলকাতা ৭০০০৭১ ফোন : ৯১০৩৩৯৬৩৫৫১৬ (+ ৯১ ৩৩) ২২৮৮২৬৬৫ ই-মেল dasarathis@aicofindia.com (গ) কৃষি ও কোঅপারেশন দফতরের পিআইও-র কাছে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (যোগাযোগের জন্য ক্লিক করুন here) চাষাবাদ (ভর্তুকি) একশো কোটির উপর জনসংখ্যার দরুন ভারতের কৃষকদের কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে খাদ্যের নিয়মিত জোগানের ব্যবস্থা করা। বিশ্বায়নের জন্য কৃষিকাজের প্রাথমিক উপকরণ, বীজের দাম অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। নীচের প্রকল্পগুলির মাধ্যমে প্রাথমিক উপকরণ, বীজ প্রভৃতি কেনার ক্ষেত্রে ভর্তুকির ব্যবস্থা করা হয় যাতে কৃষিকাজ কৃষকের কাছে কিছুটা হলেও লাভজনক হয় এবং তিনি কৃষিকাজ চালিয়ে যেতে উৎসাহিত হন। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার কৃষি মন্ত্রক জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা মিশন (বিশদে জানতে ক্লিক করুন) পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষি দফতর (ওয়েবসাইট দেখুন অধিকার ভর্তুকির পরিমাণ বীজ: প্রতি ১০০ কিলোগ্রাম গম ও ধানের বীজের জন্য ৫০০ টাকা এবং প্রতি ১০০ কেজি ডালের বীজের জন্য ১২০০ টাকা। সরঞ্জাম : সিড ড্রিলের জন্য ১৫ হাজার টাকা, রোটোর ওয়েটারের জন্য ৩০ হাজার টাকা এবং পাম্প সেটের জন্য ১০ হাজার টাকা। জৈববান্ধব কীটনাশক ব্যবহারের জন্য ৫০ শতাংশ ভর্তুকি। সার : জিপসম ও জিঙ্ক সালফারের জন্য ৯০ শতাংশ ভর্তুকি। রাষ্ট্রীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশনের অধীনে (ক্লিক করুন) বীজের মিনিকিট : গমের জন্য প্রতি ৫০ হেক্টরে ১০ কেজি, উচ্চফলনশীল ধানের জন্য প্রতি ৫০ হেক্টরে ৫ কেজি এবং হাইব্রিড ধানের জন্য প্রতি ৫০ হেক্টরে ৬কেজি। ভর্তুকি দেওয়া হয় বীজের সম্পূর্ণ দাম চুকিয়ে। জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা মিশন অনুযায়ী কয়েকটি জেলাকে এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী হিসাবে ধার্য করা হয়েছে। কোনওটি গমের জন্য, কোনওটি বা তৈলবীজের জন্য আবার কোনওটি বা চালের জন্য এনএফএসএম প্রকল্পে সুবিধা পাবে। বিশদে জানতে - আপনার পঞ্চায়েতের সঙ্গে যোগযোগ করুন বা ক্লিক করুন আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি দফতরে আবেদন করতে হবে। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৃষি দফতরে অভিযোগ করুন (খ) কৃষি দফতরে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (here (গ) এনএফএসএমের জন্য যোগাযোগ এনএফএসএম সেল ০১১-২৩৩৮৯৮৩১ সংকলন : 1) ড. এম এন সিংহ, জয়েন্ট ডিরেক্টর (এনএফএসএম), ই-মেল mnsingh1959@rediffmail.com ২) শ্রী সি ওয়াই বরাপাত্রে, অ্যাঃ কমিশনার (এনএফএসএম), ই-মেল cyb_20007@yahoo.co.ইন সূত্র:জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা মিশন ক্লিক করুন রাস্তা বহু গ্রামে এখনও বাঁধা রাস্তা নেই। ফলে গ্রাম থেকে জিনিসপত্র আনা-নেওয়া করতে, ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুলে যেতে, রোগীদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যেতে খুবই অসুবিধা হয়। বিশেষ করে বর্ষার দিনে অসুবিধা অনেকটাই বেড়ে যায়। এই দিকে নজর রেখে ১০০০ লোক বাস করে এমন প্রতিটি গ্রামে ২০০৯ সালের মধ্যেে সব ঋতুতে ব্যবহারের উপযোগী রাস্তা করে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক : ভারত নির্মাণ (ওয়েবসাইট দেখুন here) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (ওয়েবসাইট দেখুন here) পশ্চিমবঙ্গ সরকার পূর্ত দফতর (ওয়েবসাইট দেখুন- http://www.wbpwd.gov.in/) পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর (ওয়েবসাইট here) অধিকার সেরা সূত্র: ভারত নির্মাণ- http://bharatnirman.gov.in/road.html (ক) ভারত নির্মাণের লক্ষ্য হল ২০০৯-এর মধ্যে ১ হাজার জনসংখ্যাd রয়েছে (পাহাড়ি এলাকায় ৫০০) এ ধরনের সমস্ত গ্রামে সব ঋতুতে ব্যবহারের উপযোগী রাস্তা তৈরি করা। (ওয়েবসাইট দেখুন here ), বুকলেট here । রাস্তা নির্মাণের নির্দিষ্ট প্রকল্প হল, প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা (দেখুন ওয়েবসাইট- http://pmgsy.nic.in/).) (খ) পশ্চিমবঙ্গ-প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা-(পিএমজিএসওয়াই) (here) আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যেaর সম্ভাবনা ২০%, সময়সীমা ১২ মাস) (ক) সরাসরি জেলা পরিষদ/ডিআরডিএ-তে আবেদন করুন। (খ) সরাসরি প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় আবেদন করুন, অথবা (গ) পশ্চিমবঙ্গ পূর্ত দফতরে আবেদন করুন। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনায় বা পশ্চিমবঙ্গ পূর্ত দফতর, যেখানে আপনি রাস্তার জন্য আবেদন করেছিলেন সেখানেই অভিযোগ দায়ের করুন। (খ) যেখানে প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার জন্য আবেদন করেছিলেন সেখানেই তথ্যে র অধিকার আইনে জানতে চান (দেখুন এখানে অথবা এখানে)। (গ) পশ্চিমবঙ্গ পূর্ত দফতরে অভিযোগ করুন। (ক্লিক করুন এখানে, তার পর ‘পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট’-এ ক্লিক করে আপনার এলাকার পূর্ত দফতরের পিআইওকে খুঁজে বের করুন।) মানবাধিকার লঙ্ঘন মানবাধিকার লঙ্ঘন (গার্হস্থ্য হিংসা) src="sav.jpg" /> ভারতে মহিলাদের অবস্থা খুবই খারাপ। এমনকী বাড়িতে বহু মহিলা এখনও তাঁদের স্বামীদের হাতে মারধর খান। এই ব্যবহার সমাজ ও রাষ্ট্র কখনওই মেনে নিতে পারে না। গার্হস্থ্য হিংসা আইন ২০০৫-এ এই মনোভাবেরই প্রতিফলন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার মহিলাদের জাতীয় কমিশন। ওয়েবসাইট here প্রোটেকশন অফ উওমেন ফ্রম ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট ২০০৫ here পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মহিলা কমিশন (ক্লিক করুন ওয়েবসাইট-http://www.wbcw.org/) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ((ক্লিক করুন ওয়েবসাইট--http://policewb.gov.in) অধিকার সেরা সূত্র : প্রোটেকশন অফ উওমেন ফ্রম ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যাক্ট ২০০৫ here মহিলাদের গার্হস্থ্য হিংসার হাত থেকে রক্ষার মধ্যে পড়ে --- (দেখুনগার্হস্থ্য হিংসা আইন ২০০৫ here ) প্রকৃত দুর্ব্যবহার অথবা দুর্ব্যবহারের ভয় দেখানো দুর্ব্যবহার নানা ধরনের হতে পারে ---শারীরিক, যৌন, মৌখিক, মানসিক অথবা আর্থিক ইত্যাদি। বেআইনি ভাবে পণের জন্য মহিলা বা তাঁর আত্মীয়দের হেনস্থা করা। আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) (ক) গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলুন, দেখুন স্থানীয় ভাবে সমস্যার সমাধান করা যায় কিন; অথবা (খ) নিগৃহীতা মহিলা স্থানীয় থানায় এফআইআর করতে পারেন। এর পর থানা থেকে ওই মহিলার ডাক্তারি পরীক্ষার/সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করা হবে। পুলিশ বিষয়টি অনুসন্ধান করে দেখবে। কাছাকাছি থানার অবস্থান জানতে ক্লিক করুন here। পশ্চিমবঙ্গে এখন ১০টি মহিলা পরিচালিত থানা রয়েছে জানতে ক্লিক করুন here; অথবা (গ) পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনের সঙ্গে কথা বলুন। (বিস্তারিত যোগাযোগ here)। নিগৃহীতা মহিলা এখানে লিখিত বক্তব্য জানাবেন। তার ভিত্তিতে কমিশন স্বামীকে ডেকে পাঠাবে। যদি স্বামী না আসে তা হলে কমিশনে না আসেন, তা হলে আদালতে যান। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের সঙ্গে কথা বলুন; তার পর (খ) পুলিশে অভিযোগ দায়ের করুন। অভিযোগ জানাতে ক্লিক করুন http://policewb.gov.in/; তার পর (গ) মহিলা কমিশনে অভিযোগ করুন (বিস্তারিত যোগাযোগ here); তার পর (ঘ) পশ্চিমবঙ্গ মহিলা কমিশনে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। মানবাধিকার লঙ্ঘন (শিশুশ্রম ও শিশুপাচার) বহু মানুষ শিশুদের, বিশেষ করে শিশুকন্যাদের পণ্য বলে মনে করেন। তাদের যেন ইচ্ছামতো কেনা ও বিক্রি করা যায়। প্রতি দিন আমরা দেখি চায়ের দোকানে, ধাবায় এমনকী আমাদের বাড়িতে শিশুরা চাকর বা ঝিয়ের কাজ করছে। এই সমস্ত শিশুর শৈশব ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন অবশ্য এই কাজ বেআইনি। পাচার মানে হল, এই ধরনের শিশুদের অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে বাজে ধরনের কাজে নিযুক্ত করা বা তার চেয়েও খারাপ-- বেশ্যাবৃত্তি করানো। একটি শিশুকন্যাকে তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যাওয়া, তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করা এবং বেশ্যাবৃত্তিতে নামতে বাধ্য করা, বছরের পর বছর তার উপর অত্যাচার চালানো খুবই সাঙ্ঘাতিক ঘটনা। কিন্তু আমাদের দেশে বহু শিশুকন্যার উপর এ ধরনের অবিচারের ঘটনা নিরন্তর ঘটে চলেছে। এই জিনিস বন্ধের একমাত্র উপায় হল সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানো। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই তা আটকানোর চেষ্টা করতে হবে। দফতর ও অধিকার src="grl.jpg" /> সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার শ্রম দফতর (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) মহিলাদের জাতীয় কমিশন (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য মহিলা কমিশন (http://www.wbcw.org/) পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ (http://policewb.gov.in) অধিকার সেরা সূত্র : চাইল্ড লাইন পেজ here ১৪ বছরের নীচে কোনও শিশুকে ‘বিপজ্জনক কাজে’ নিয়োগ করা যাবে না। এর মধ্যে পরিচারকের কাজ, ইটভাটায় কাজ, চায়ের দোকানে বা ধাবায় কাজ করাও পড়ে। যে সব শিল্পের ক্ষেত্রে অনুমোদন রয়েছে সেখানেও এক টানা তিন ঘণ্টার পর এক ঘণ্টা ছাড় দিয়ে ফের তিন ঘণ্টা অর্থাৎ মোট ৬ ঘণ্টার বেশি কাজ করানো যাবে না। তা-ও এই কাজ রাত সাতটা তেকে সকাল আটটার মধ্যে করালে চলবে না। অনৈতিক পাচার রোধ আইনের আওতায় (ক্লিক করুন here) কোনও শিশুকে পাচার করা/বেশ্যবৃত্তিতে নামানো যাবে না। এমনকী এই আইনে বেশ্যালয় চালানোও বেআইনি। কিন্তু সে ভাবে এই আইন কাজে লাগানো হয় না। এখন আইনি বেশ্যাবৃত্তি বলতে বোঝায় কোনও পূর্ণ বয়স্ক মানুষ যদি তাঁর নিজের বাড়ি থেকে এ ধরনের ব্যবসা চালান। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৪০%, সময়সীমা ৬ মাস) শিশুশ্রম বা শিশুপাচার ঠেকাতে যাঁরা সক্রিয় ভাবে কাজ করছেন তাঁরা স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের করবেন। তার পর স্থানীয় পুলিশ তার ভিত্তিতে অনুসন্ধান করে দেখবে; বা টোল ফ্রি হেল্প লাইন (১০৯৮)২০০৬-এর ১০ অক্টোবর থেকে চালু করা হয়েছে। নিষিদ্ধ ক্ষেত্রে শিশুদের নিয়োগ করা সংক্রান্ত অভিযোগ করা যায় এই হেল্প লাইনে। ২৪ ঘণ্টা ধরে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে এই হেল্প লাইন চালু রাখা হয়। এ ব্যাপারে সাহায্য করে ভারত সরকারের নারী ও শিশু উন্নয়ন বিভাগ। চাইল্ড লাইন ১৯০৮ (ওয়েবসাইট here) আপাতত দেশের ২০০টি শহরে কাজ করছে। শহরের তালিকা here । যদি কোনও শিশুকে পাচার করা থেকে মুক্ত করা যায়, তবে তাকে জুভেনাইল জাস্টিস অ্যাক্ট অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনও শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে হাজির করতে হবে। তার পর তাকে ৬ মাস কোনও নিরাপদ বাড়িতে রাখা হবে। এর পর প্রশাসন স্থির করে দেখবে তাকে বাড়িতে ফেরত পাঠানো যুক্তিসঙ্গত হবে কি না। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) আবার ১০৯৮-এ ফোন করুন। (খ) সরাসরি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করুন। (অভিযোগ করার জন্য ক্লিক করুন here) (গ) অনলাইনে অভিযোগ সমাধান সেলে আবেদন করুন। (here) (ঘ) শ্রম মন্ত্রকে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। (ওয়েবসাইট here ) সাফল্যের নিদর্শন বাইরে দিল্লিতে আসা একটি পরিবার হঠাৎ ঝামেলায় পড়ে গেল। বাবার চিকিৎসার জন্য ১১ হাজার টাকার প্রয়োজন। তারা এক জন মহিলার কাছ থেকে টাকাটা ধার নিতে বাধ্য হয়। ওই মহিলা বলে, ‘‘ওই ঋণ শোধ করার জন্য তোমাদের ১২ বছর বয়সি মেয়েকে এক বছরের জন্য আমার কাছে রেখে দাও। ও বাড়ির কাজ করে দেনা মেটাবে।’ ’ওই অসহায় বাবা তাঁর মেয়েকে মহিলার হাতে তুলে দিতে বাধ্য হন। এক বছর বাদে বহু তর্কের পর ওই শিশুকন্যাটিকে বাবা গিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে আনেন। কিছু দিন বাদে মহিলাটি ওই পরিবারে গিয়ে বলে, ‘‘তোমাদের মেয়েকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও। ও আমার ধার শোধ করেনি।’’ মা রাজি হননি। মহিলা চলে যায়। কিছুক্ষণ বাদে এক দল গুণ্ডা নিয়ে হাজির হয়ে সে বলে, ‘‘তোমার বউ, মেয়ে এবং ছেলেকে আমাদের সঙ্গে আসতে হবে।’’ বাধা দেওয়ার কোনও শক্তি ছিল না বাবার। ফলে গোটা পরিবারটিকে এক রকম তুলে নিয়ে চলে যায় ওই মহিলা ও তার দলবল। পরে বাড়ির কর্তা চাইল্ডলাইন নম্বর ১০৯৮-এ ফোন করেন। যে ব্যক্তি ফোন ধরেছিলেন তিনি তৎক্ষণাৎ কাজ শুরু করে দেন। পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে তিনি ট্রেন স্টেশনে গিয়ে ওই মহিলা ও তার দলবলকে ধরে ফেলেন। মহিলা তখন অভিযোগকারীর ছেলে, মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে শহর ছাড়বার তাল করছিল। তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয় এবং ওই মহিলার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ দায়ের করা হয়। ভাগ্যের কথা যে তৎক্ষণাৎ পরিবারের কর্তাটি চাইল্ডলাইন নম্বরে ফোন করেছিলেন এবং যিনি ফোন ধরেছিলেন তিনি তৎক্ষণাৎ কাজ শুরু করে দিতে পেরেছিলেন। পরিচয়জ্ঞাপক নথি পরিচয়জ্ঞাপক নথি (ভোটার পরিচয়পত্র) দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচন কমিশন(আরও তথ্যের জন্য ক্লিক করুন here) পশ্চিমবঙ্গ সরকার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পশ্চিমবঙ্গ (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) অধিকার সেরা সূত্র : মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, পশ্চিমবঙ্গ (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) আবেদনের বছরে ১ জানুয়ারি ১৮ বছর পূর্ণ হলে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করতে হবে। ভোটার তালিকায় নাম উঠলে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র বা এপিক পাওয়া যায়। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৭০%, সময়সীমা ১ মাস) (ক) ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য (ফর্ম-৬-এর শেষ পাতায় বিবৃত নির্দেশিকা দেখুন here) -- দেখুন here আপনার নাম তালিকায় ইতিমধ্যে রয়েছে কিনা। না থাকলে -- সময়ে সময়ে যখন বাড়িতে এসে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হয় তখন নাম নথিভুক্ত করুন; অথবা যে কোনও সময়ে আপনার কেন্দ্রের ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে ফর্ম ৬ পূরণ করে আবেদন করুন। (ইংরেজিতে here এবং বাংলায় here ফর্ম ডাউনলোড করুন।) আপনার কেন্দ্রের নাম খুঁজে পাওয়ার জন্য here মানচিত্র দেখুন। here বিস্তারিত ভাবে যা বলা হয়েছে সেই নথি লাগবে এবং বয়সের প্রমাণপত্র : জন্মের সার্টিফিকেট বা বাবা-মায়ের ঘোষণা (ফর্ম-৬-এর শেষ পৃষ্ঠা দেখুন); বসবাসের প্রমাণপত্র (কত দিন আছেন সেটা জরুরি নয়, কিন্তু আপনি যে ওই ঠিকানায় বসবাস করেন তা প্রমাণ করার জন্য কোনও একটা নথি দরকার যেমন) -- (১) ব্যাঙ্ক/কিষাণ/পোস্ট অফিসের চলতি পাসবই, বা (২) আবেদনকারীর রেশন কার্ড/পাশপোর্ট/ড্রাইভিং লাইসেন্স/আয়কর নির্ণায়ক নির্দেশিকা, বা (৩) জল/টেলিফোন/বিদ্যুৎ/গ্যাস সংযোগের সর্বশেষ বিল যা ওই ঠিকানায় আসে এবং যাতে হয় আবেদনকারীর নাম রয়েছে বা তার নিকটতম পরিজনের (যেমন বাবা-মার) নাম রয়েছে, বা (৪) আবেদনকারীর নামে ও ঠিকানায় ডেলিভারি দেওয়া ডাক বিভাগের চিঠি যা আবেদনকারী পেয়েছেন। (খ) ভোটারদের সচিত্র পরিয়পত্র (এপিক) -- ভোটার রেজিস্ট্রেশন এবং ইলেকটরস সেন্টারে (ভিআরইসি) আবেদন করুন ভোটার তালিকায় নাম থাকা (here তালিকা খতিয়ে দেখুন আপনার নাম আছে কিনা) পরিচয়পত্র এবং বসবাসের বৈধ প্রমাণপত্র সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) যেখানে আবেদন করেছিলেন সেই ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে সরাসরি অভিযোগ করুন; তার পর (খ) যেখানে আবেদন করেছিলেন সেই ইলেকটোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কাছে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। আধার কার্ড পরিচয়জ্ঞাপক নথি (আধার – অনন্য পরিচয়পত্র) আধার হল ১২টি সংখ্যার একটি পরিচয়জ্ঞাপক নম্বর যা ভারতের সব অধিবাসীর জন্যই পর্যায়ক্রমে চালু হচ্ছে। দেশের জনসংখ্যার ধাঁচ এবং ব্যক্তিমানুষ সম্পর্কে নানা বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ, চোখের মণির ছাপ এবং ছবি) এই কার্ড ইস্যু করে সংগ্রহ করা হয় এবং সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তথ্য ভাণ্ডারে জমা থাকে। আধার কার্ড বিনা পয়সায় বিতরণ করা হয়। এখনও এই কার্ড রাখা আবশ্যিক না হলেও সকলের করে রাখা ভাল। এই কার্ড থাকলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার কাজ সহজ হবে। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) (ওয়েবসাইট দেখুন here।) অধিকার সেরা সূত্র : আধার সাইট-http://uidai.gov.in/aapka-aadhaar.html ভারতে বসবাসকারী কোনও ব্যক্তি, যাঁর যথাযোগ্য পরিচয়জ্ঞাপক প্রমাণ রয়েছে, তিনিই আধার কার্ড পাওয়ার অধিকারী। (নীচে দেখুন) তিন বছরের নীচে বাচ্চাদের বায়োমেট্রিক তথ্য নেওয়া হবে না। তাদের আধার বাবা-মার/অভিভাবকের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বাচ্চার ৫ বছর বয়স হলে সে বায়োমেট্রিক তথ্য দেওয়ার উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে। তখন তাকে তার জন্য নথিভুক্ত করা হবে। যে হেতু বয়স হলে বায়োমেট্রিক নিরিখগুলি বদলে যায় তাই ১৫ বছর বয়স হলে নতুন করে তার বায়োমেট্রিক তথ্য নিবন্ধ করাতে হবে। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি আবেদনের ফর্ম ভরুন (here). নথিভুক্ত করার জন্য যে সব নথি লাগবে তা হল : পরিচয়জ্ঞাপক নথি, ঠিকানার প্রমাণ, জন্ম সংক্রান্ত তথ্য ইত্যাদি (বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে কী ভাবে নথি পাবেন তা here দেখুন) যে সব ব্যক্তির কোনও প্রমাণপত্র নেই তাঁদের জন্য পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পদ্ধতি রয়েছে। নাম নথিভুক্ত করার দায়িত্বে যে রেজিস্ট্রার রয়েছেন তিনি কোনও ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে পারেন যিনি আবেদনকারীর পরিচয়ের বৈধতা সঠিক বলে নিশ্চয়তা দেবেন। যিনি পরিচয় করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নেবেন তিনি কোনও ব্যাঙ্ককর্মী, শিক্ষক, গ্রামের পোস্টম্যান, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হতে পারেন অথবা এই দায়িত্ব কোনও সরকারি এজেন্সি বা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও নিতে পারে। পরিচয়কারীদের গোড়ায় নথিভুক্ত করা হবে এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে হবে। যে ব্যক্তিকে নথিভুক্ত করা হবে তার যাবতীয় তথ্যের সঙ্গে পরিচয়কারীর তথ্যও থাকবে। নথিভুক্ত করার বিশদ পদ্ধতি দেখুন here । ৬০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে্ আধার কার্ড পান। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) ইউআইডিএআইয়ের সেন্ট্রাল পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের কাছে আপনার সমস্যার জন্য তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান। আশিস কুমার, এডিজি অ্যান্ড সিপিআইও, দ্বিতীয় তল, টাওয়ার ১, জীবন ভারতী বিল্ডিং, কনট সার্কাস, নিউ দিল্লি ১১০০০১ অথবা ফোন করুন ০১১-২৩৭৫২৬৭৭ (খ) তা সত্ত্বেও যদি কাজ না হয় অ্যাপিলেট অথরিটির সঙ্গে যোগাযোগ করুন – শ্রী দাবিন্দর কুমার, তৃতীয় তল, টাওয়ার ১, জীবন ভারতী বিল্ডিং, কনট সার্কাস, নিউ দিল্লি ১১০০০১ পরিচয়জ্ঞাপক নথি (জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র) বালিকা সমৃদ্ধি যোজনার মতো শিশুদের জন্য নানা প্রকল্প রয়েছে। সে সব প্রকল্পের সুবিধা নেওয়ার জন্য জন্মের শংসাপত্র খুবই জরুরি। স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্যও জন্মের শংসাপত্র লাগে। মৃত্যুর শংসাপত্র দরকার বিধবা পেনশন ও ন্যাশানাল ফ্যামিলি বেনিফিট স্কিমের জন্য। দফতর ও অধিকার সংশ্লিষ্ট দফতর পশ্চিমবঙ্গ জেলা প্রশাসন (ক্লিক করুন here,তার পর পশ্চিমবঙ্গের জেলাশাসক দেখার জন্য রাজ্য, জেলা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে ক্লিক করুন) এ ছাড়া এসডিএমদের নামের তালিকা-সহ আপনার জেলা সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য দেখুন -http://www.districts.nic.in/) অধিকার (ক) জন্মের শংসাপত্র নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলির ক্ষেত্রে জন্ম সম্পর্কে তথ্য ও তারিখ প্রমাণ করার জন্য দরকার হয় --- ভোটাধিকার প্রয়োগ করা স্কুলে ভর্তি হওয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া পাসপোর্ট পাওয়া (খ) মৃত্যুর শংসাপত্র নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যগুলির ক্ষেত্রে মৃত্যু সম্পর্কে তথ্য ও তারিখ প্রমাণ করার জন্য দরকার হয় --- বিধবা পেনশন (এনডবলুপিএস) পাওয়ার জন্য (পেনশন দেখুন here) জাতীয় পরিবার উপকার প্রকল্প বা ন্যাশানাল ফ্যামিলি বেনিফিট স্কিম (পেনশন দেখুন here) সূত্র : এডভোকেট খোঁজ জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র -র আবেদন ও সহায়তা (ক) জন্মের শংসাপত্র (সাফল্যেের সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা ২ মাস) যদি জন্মের ২১ দিনের মধ্যেt জন্ম নিবন্ধীকৃত হয় - হাসপাতালে জন্ম হলে বাবা-মা বা পুরসভাকে স্লিপ দেওয়া হবে; অথবা বাড়িতে জন্ম হলে দাই পঞ্চায়েতে নথিভুক্ত করবেন; তার পর পুরসভায় রেজিস্টারের কাছে গেলেই জন্ম শংসাপত্র পাওয়া যায়। যদি জন্মের সময় তা নিবন্ধীকৃত না হয় এবং শিশুর বয়স যদি ১ বছর পেরিয়ে যায় যদি জন্মের সময় তা নিবন্ধীকৃত না হয় এবং শিশুর বয়স যদি ১ বছর পেরিয়ে যায় , তা হলে জেলা শাসক বা মহকুমা শাসকের কাছে গিয়ে নথিভুক্ত করতে হবে। একটি হলফনামা জমা দিতে হবে তাতে বাবা-মার নাম, বাচ্চার নাম, জন্মের তারিখ, ঠিকানা উল্লিখিত থাকবে (ফর্মের জন্য দেখুন অন্য যে কোনও নথি যার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে ওই বাচ্চার অস্তিত্ব রয়েছে (যেমন স্কুলের রেকর্ড ইত্যািদি) এবং বাচ্চাটির অস্তিত্ব রয়েছে কিনা সে ব্যাাপারে পুলিশ অনুসন্ধান করবে (খ) মৃত্যুির শংসাপত্র (সাফল্যেসর সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা এক মাস) মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে গেলে মৃত্যু/র ২১ দিনের মধ্যে" তা নথিভুক্ত করাতে হবে। এখন শ্মশান বা কবরস্থান থেকে কলকাতা পুরসভা তৎক্ষণাৎ এই শংসাপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। কোনও হাসপাতালে মৃত্যুর হলে পুরসভাকে হাসপাতাল কতৃর্পক্ষ স্লিপ দেবে। বাড়িতে মৃত্যুৎ হলে চিকিৎসকের সার্টিফিকেট নিয়ে পরিবারের প্রধান পুরসভায় নথিভুক্ত করবেন। মৃত্যুর শংসাপত্র পুরসভা থেকে নিতে হলে সঙ্গে নিয়ে যান - শ্মশান বা কবরস্থানের স্লিপ পরিচয় পত্র, রেশন কার্ড; এবং যদি মৃত্যুকর এক বছর পরে শংসাপত্র চাওয়া হয় তা হলে ডিএম বা এসডিএমের সার্টিফিকেট লাগবে। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) ডিএম বা এসডিএমের কাছে তথ্যেফর অধিকার আইনে জানতে চান। সম্পর্কিত তথ্য ১) জন্মের শংসা পত্র পাওয়ার পদ্ধতি বা সামগ্রিক বিবরণ পেতে ক্লিক করুন এখানে। ২) শিশুর বয়স যদি ১ বছর পেরিয়ে যায় বা জন্মের সময় তা নিবন্ধীকৃত না হয় , তা হলে জেলা শাসক বা মহকুমা শাসকের কাছে গিয়ে নথিভুক্ত করতে হবে। বিশদে জানতে ক্লিক করুন এখানে,তার পর পশ্চিমবঙ্গের জেলাশাসক দেখার জন্য রাজ্য, জেলা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে ক্লিক করুন । ৩)মৃত্যুর শংসা পত্র পাওয়ার পদ্ধতি বা সামগ্রিক বিবরণ পেতে ক্লিক করুন এখানে। ফর্মের জন্য দেখুন এখানে । ৪) জেলা শাসকের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ক্লিক করুন এখানে,তার পর পশ্চিমবঙ্গের জেলাশাসক দেখার জন্য রাজ্য, জেলা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে ক্লিক করুন । ৫) এখানেও যেতে পারেন-http://www.districts.nic.in/ পরিচয়জ্ঞাপক নথি (এসসি/এসটি/ওবিসি সার্টিফিকেট) দফতর ও অধিকার src="../../resolveuid/1af323eba9514b83baffacb691b7a5ff" /> সংশ্লিষ্ট দফতর রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতর here। আপনার এলাকার জেলাশাসক। (ক্লিক করুন here,তার পর পশ্চিমবঙ্গের জেলাশাসক দেখার জন্য রাজ্য, জেলা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে ক্লিক করুন) অধিকার সেরা সূত্র : http://www.advocatekhoj.com/library/legalforms/howdoi/index.php তফসিলি জাতি ও উপজাতি এবং অনগ্রসর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যে কেউ শংসাপত্রের জন্য আবেদন করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের তফসিলি জাতি ও উপজাতির তালিকার জন্য ক্লিক করুন here। ওবিসি তালিকার জন্য ক্লিক করুন here। শংসাপত্র থাকলে কয়েকটি ক্ষেত্রে তাঁরা সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন, যেমন -- বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া কিছু সরকারি চাকরি যদিও সমাজের উপরিস্তরের/উচ্চ আয় সম্পন্নদের এই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ক্লিক করুন here এবং উচ্চ স্তর সম্পর্কে জানুন। এসসি/এসটি/ওবিসিরা আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, যেমন বৃত্তি, স্কুলের বই কেনার জন্য অনুদান, হোস্টেলের জন্য অনুদান, ছাত্রীদের জন্য সাইকেল এবং চাকরির প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ইত্যাদি। আবেদন ও সহায়তা আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৩০%, সময়সীমা ৬ মাস) আবেদন করার ফর্ম অনলাইনে পাওয়া যায় অথবা সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে, তহশিল থেকে বা রাজস্ব দফতর থেকে পাওয়া যায়। যদি আগে আপনার পরিবারের কাউকে এই শংসাপত্র না দেওয়া হয়ে থাকে তা হলে স্থানীয় ভাবে অনুসন্ধান করার পরই আপনাকে শংসাপত্র দেওয়া হবে। একটি নির্দিষ্ট সময়কাল ধরে পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন তার প্রমাণ দেখাতে হবে। আপনি যে এসসি/এসটি বা ওবিসি সেটা উল্লেখ করে একটি হলফনামা জমা দিতে হবে। আবেদনের সময় নির্দিষ্ট কোর্ট স্ট্যাম্প ফি জমা দিতে হবে। এর পর আপনি উচ্চস্তরে পড়েন কিনা, আপনার বসবাস সংক্রান্ত তথ্য ঠিক আছে কিনা, রোজগার কত সে ব্যাপারে অনুসন্ধান করা হবে। ২১ দিনের মধ্যে এই অনুসন্ধান করা হবে। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) ডিএম বা এসডিএমের অফিসে অর্থাৎ যেখানে আবেদন জমা দিয়েছিলেন সেখানে খোঁজ নিন; তার পর (খ) ডিএম বা এসডিএমের কাছে তথ্যের অধিকার আইনে জানতে চান (ক্লিক করুন here,তার পর পশ্চিমবঙ্গের জেলাশাসক দেখার জন্য রাজ্য, জেলা, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে ক্লিক করুন অথবা এখানে দেখুন-http://districts.nic.in/)। সূত্র: পদ্ধতির বিস্তারিত বিবরণের জন্য ক্লিক করুন here । ফর্ম পান here । বাংলায় ফর্ম ও নির্দেশিকা পাবেন here । পরিচয়জ্ঞাপক নথি (ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট) বিভিন্ন সরকারি অর্থ পেতে এবং সরকারি প্রকল্পের সাহায্য পেতে হলে যেমন বিধবা পেনশন প্রকল্প ইত্যাদি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকাটা জরুরি। সংশ্লিষ্ট দফতর সরকারি ব্যাঙ্ক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক এসবিআই ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক, ইউবিআই ইত্যাদি। বেসরকারি ব্যাঙ্ক করপোরেশন ব্যাঙ্ক, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক ইত্যাদি। স্থানীয় পোস্ট অফিস দ্রষ্টব্য : সাধারণত বড় বহুজাতিক ব্যাঙ্ক যেমন এইচএসবিসি ইত্যাদি গরিব নাগরিকদের অ্যাকাউন্ট করে দেওয়ার ব্যাপারে তেমন উদ্যোগী হয় না। সুতরাং সাধারণ ব্যাঙ্ক যেগুলির দেশের সর্বত্র শাখা রয়েছে তার মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুললেই ভালো হয়। এসবিআই এবং করপোরেশন ব্যাঙ্কে এ ধরনের কাজে ইতিমধ্যেই সাড়া মিলেছে। গ্রামীণ ব্যাঙ্ক এবং পোস্ট অফিসে পরিচয়জ্ঞাপক তথ্য জোগান দেওয়া সব চেয়ে সহজ। কিন্তু এখন শুধুমাত্র পোস্ট অফিসে অ্যাকাউন্ট থাকাটা পেনশন পাওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। গ্রামীণ ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলা সহজ। গ্রামীণ ব্যাঙ্কের মাধ্যমে অবশ্য পেনশন পেতে কোনও অসুবিধা হয় না। অধিকার সেরা সূত্র : http://www.ehow.com/how_4841051_open-account-state-bank-india.html পরিচয়কারী ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে অন্তত ১৮ বছর বয়সি যে কেউ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলুন। আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৬০%, সময়সীমা ১ মাস) (ক) আধার কার্ডের জন্য আবেদন করুন। যেটি থাকলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট করার অধিকার আপনা হতে অর্জন করা যায়। (খ) পোস্টাল সেভিংস অ্যাকাউন্টের জন্য প্রাথমিক যে জিনিসগুলি দরকার- এসবি৩ ফর্ম; এসবি১০৩ পে ইন স্লিপ; নমুনা স্বাক্ষর; পরিচয়কারী এবং ন্যূনতম ৫০ টাকা জমা। (গ) অন্য ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য দরকার- ফিল আপ করা ফর্ম (যাতে পরিচয়কারীর স্বাক্ষর থাকবে। ওই পরিচয়কারীর ওই শাখাটিতে অন্তত ৬ মাসের বেশি পুরনো অ্যাকাউন্ট থাকা আবশ্যক।) বসবাসের প্রমাণপত্র (রেশন কার্ড এবং একই ঠিকানার পরিচয়পত্র) (পোস্ট অফিসে অবশ্য এর চেয়ে কম নথি দিলে চলে।) ন্যূনতম জমা ৫০০ টাকা। সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) সরাসরি ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বা পোস্ট অফিস ম্যানেজারকে বলুন। পরিচয়জ্ঞাপক নথি (প্যান কার্ড) src="PANcardsample.gif" /> যিনি আয়কর প্রদান করেন তাঁর কাছে প্যান কার্ড থাকাটা আবশ্যিক। অন্য ভারতীয় নাগরিকরা কর দিন বা না দিন, আবেদন করলে তাঁরা প্যান কার্ড পাওয়ার অধিকারী হবেন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বা অন্য কিছু পরিষেবা পেতে গেলে প্যান কার্ড থাকাটা সুবিধাজনক। সংশ্লিষ্ট দফতর কেন্দ্রীয় সরকার আয়কর বিভাগ (ওয়েবসাইটের জন্য ক্লিক করুন here) অধিকার সেরা সূত্র : ট্যাক্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক https://tin.tin.nsdl.com/pan/form49A.html (ক) আয়কর যাঁরা দেন তাঁদের প্যান কার্ড থাকাটা আবশ্যিক (খ) কর দিন বা না দিন অন্য যে কোনও ভারতীয় নাগরিক প্যান কার্ডের জন্য আবেদন করলে তিনি তা পাওয়ার অধিকারী বিবেচিত হন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মতো কিছু বিশেষ পরিষেবা পেতে গেলে প্যান কার্ড থাকাটা সুবিধাজনক। আবেদন করার পদ্ধতি (সাফল্যের সম্ভাবনা ৮০%, সময়সীমা এক মাস) সার্বিকভাবে আবেদন করার পদ্ধতি খতিয়ে দেখতে ক্লিক করুন here । ফর্ম ৪৯ এ here। অ্যাকনলেজমেন্টটি প্রিন্ট করে স্বাক্ষর করুন এবং এর সঙ্গে যুক্ত করুন- ফোটো পরিচয়জ্ঞাপক নথি --স্কুলের শংসাপত্র, জলের বিল, রেশন কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, লাইসেন্স ইত্যাদি (আরও বিস্তারিত বিবরণ here) ৯৪ টাকা(অন লাইনে বা ড্রাফটে দিন) নিম্নলিখিত স্থানে এনএসডিএলে পাঠিয়ে দিন- ইনকাম ট্যাক্স প্যান সার্ভিস ইউনিট ন্যাশনাল সিকিউরিটিজ ডিপোসিটোরি লিমিটেড তৃতীয় তল, স্যাফার চেম্বারস বানের টেলিফোন এক্সচেঞ্জের কাছে বানের, পুনে ৪১১০৪৫ সহায়তা (যদি আবেদনে ফল না মেলে) (ক) আবেদনের অবস্থা জানতে অনলাইনে দেখুন here (১২ সংখ্যার ট্র্যানজাকশন নম্বর দিয়ে); তার পর (খ) অবস্থা জানতে এখানে এসএমএস করুন এনএসডিএলপ্যান<স্পেস দিন> অ্যাকনলেজমেন্ট নম্বর, পাঠিয়ে দিন ৫৭৫৭৫-এ; তার পর (গ) ই-মেল করুন-tininfo@nsdl.co.in তার পর (ঘ) কল সেন্টারে ফোন করুন-০২০-২৭২১৮০৮০ গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানে কয়েক দফা গোষ্ঠীকে জানতে গড়ুন নিবিড় সম্পর্ক গোষ্ঠীর বাসিন্দারাই তাঁদের গরিবি দূর করার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা নিতে সক্ষম। বংশানুক্রমিক দারিদ্র এবং না-পাওয়ার যন্ত্রণা ও ক্ষমতাশালীদের অবজ্ঞার দরুন তাঁরা নিজেদের অক্ষম বলে মনে করেন। ফলে যে অবস্থায় রয়েছেন নীরবে তা মেনে নেন। গুরুত্বপূর্ণ প্রাণবন্ত বিকাশ আসবে যদি গোষ্ঠীর মানুষরা ছোট ছোট দল গঠন করে নিজেদের সমস্যা চিহ্নিত করেন ও নিজেরা সমাধান করেন এবং নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও ‘হৃদয়’ (অর্থাৎ সাহস, আত্মপ্রত্যয় এবং নিঃস্বার্থ মনোভাব) দিয়ে গোষ্ঠীর লোকেদের সঙ্গে নিয়ে পরিবর্তনের পরিচালক হিসাবে কাজ করেন। আমরা মনে করি এই ধরনের বাসিন্দা-গোষ্ঠী তৈরি করতে গেলে গোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে শক্তিশালী, পারস্পরিক, যত্নশীল সম্পর্ক তৈরি করতে হবে যাতে তাঁদের ‘হৃদয়’ দিয়ে কাজ করার বিষয়টি সম্পর্কে সম্যক ভাবে অবহিত করা যায়। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ শেষ করে চলে গেলে ওই ব্যক্তিরাই এগিয়ে এসে ধারাবাহিক ভাবে গোষ্ঠীর উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবেন। পরবর্তী স্তরে এঁরাই গোষ্ঠী সম্পর্কে সঠিক খবর দিয়ে গবেষণায় বা সমীক্ষায় সাহায্য করবেন। ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করুন গোষ্ঠীর মধ্যে যাঁরা বাইরে থেকে গিয়ে কাজ করতে চান তাঁদের বিশেষজ্ঞ হিসাবে গেলে চলবে না। তাঁদের গোড়ায় শিক্ষার্থী হিসাবেই সেখানে যেতে হবে। গোষ্ঠী সম্পর্কে জানার সব চেয়ে ভালো উপায় হল নিজেদেরই ঘুরে ঘুরে জল, স্বাস্থ্যবিধি, বিদ্যুৎ, পারস্পরিক সম্পর্ক, প্রান্তিক গোষ্ঠী প্রভৃতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা। কিছু কিছু জিনিস অবশ্য শুধু পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জানা সম্ভব নয়, যেমন কলোনির ইতিহাস, কলোনির কোন জিনিসটি বাসিন্দারা পছন্দ করেন এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কোন জিনিসটির উপর তাঁরা সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে চান। এ রকম আরও বহু লুকিয়ে থাকা বিষয় জানতে আমাদের প্রশ্ন করতে হবে। বিশেষ করে যাঁদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক তৈরি হয়েছে তাঁদের প্রশ্ন করা যেতে পারে। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল সমস্যা বিশ্লেষণ করে অগ্রাধিকার ঠিক করুন গোষ্ঠীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সম্পর্কে আমরা কী জানলাম তা বুঝতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীদের উচিত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে বিশ্লেষণ করা। এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে বোঝা যাবে কোন সমস্যাটি বাসিন্দাদের সব চেয়ে বেশি ভোগাচ্ছে বা কোন সমস্যা সমাধান করতে গেলে বেশি প্রতিরোধ আসতে পারে। ফলে এর থেকে বোঝা সম্ভব কোন সমস্যাটির সফল ভাবে সমাধান করার সম্ভাবনা বেশি। এই বিশ্লেষণের ফলাফল অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গোষ্ঠীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিলে চলবে না। বরং এইগুলি নিয়ে গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠকে আলোচনা করে স্থির করতে হবে প্রথমে কোন সমস্যাটি সমাধানে উদ্যোগী হতে হবে। করতে হবে গোষ্ঠী-বৈঠক পদক্ষেপ তিন অনুযায়ী সমস্যাগুলিকে চিহ্নিত করার পর প্রশ্ন আসে কোন সমস্যাটি সবার আগে সমাধান করা দরকার। এই সিদ্ধান্ত গোষ্ঠীর লোকেদেরই নিতে হবে। গোষ্ঠীর বৈঠকে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়। বৈঠকে সব ধরনের মানুষই থাকেন ---হিন্দু হোক বা মুসলমান, নারী বা শিশু, সক্ষম বা প্রতিবন্ধী মানুষ, যারা অসুবিধায় রয়েছেন, অর্থাৎ সমাজের সব স্তরের মানুষ বৈঠকে বসে স্থির করবেন আগে কোন সমস্যার উপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। এই ধরনের বিভিন্ন মানসিকতার মানুষকে নিয়ে এক সঙ্গে বসে বৈঠক করা, তাঁদের বিভিন্ন ধরনের মতামতের সমন্বয় করা খুবই কঠিন কাজ। যিনি বৈঠক পরিচালনা করবেন তাঁর কাজ হবে সব চেয়ে বেশি গলার জোর দেখাবেন যিনি তাঁকে নরম করা এবং শেষ পর্যন্ত কোন কাজ আগে করতে হবে সে ব্যাপারে সবার মধ্যে একটি ঐকমত্য গঠন করা। সম্পদ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ হোন কোন সমস্যার আগে সমাধান করতে হবে সে সম্পর্কে গোষ্ঠীর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি হলে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কাজ হবে সে সম্পর্কে এই ম্যানুয়াল ব্যবহার করে, এর বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সহায়তা নিয়ে, ইন্টারনেট কাজে লাগিয়ে, আরটিআই আবেদন করে নির্ধারিত সম্যস্যার সমাধানে কী ধরনের সম্পদ পাওয়া যেতে পারে তার প্রয়োজনীয় তথ্য জোগাড় করা। সরকারি নথিতে বা অন্য স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার ম্যানুয়ালে বা গোষ্ঠীর মধ্য থেকেই এ ধরনের সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়। এই গবেষণার উদ্দেশ্য গোষ্ঠীর উপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া নয় বরং পরবর্তী গোষ্ঠীর বৈঠকে সম্পদের বিষয় অবহিত করে প্ল্যান অফ অ্যাকশন তৈরির জন্য চেষ্টা করা। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল কাজের পরিকল্পনা সমস্যা সমাধানে কাজের পরিকল্পনা করার জন্য আর একটি বৈঠক করা প্রয়োজন। এই বৈঠকে স্থির হবে কে কোন কাজটি করবে, কখন কাজটি করা হবে, কে খরচ করবে ইত্যাদি। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা অ্যাকশান প্ল্যানের অংশ হতে পারেন কিন্তু তাঁদের বেশি দায়িত্ব ঘাড়ে নেওয়া উচিত হবে না। যদি বাসিন্দারা এই কাজে জড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে খুব একটা উৎসাহী না হন তা হলে বুঝতে হবে সেখানে দায়বদ্ধতার বা কমিটমেন্টের অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে অপেক্ষা করা ছাড়া উপায় নেই। যতক্ষণ না দায়বদ্ধতার প্রশ্নে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করতেই হবে। চাই ঐকমত্য বাসিন্দারা কার্যকর পরিকল্পনা সম্পর্কে এক মত হলে কাজ শুরু করার জন্য এগিয়ে যেতে হবে। বাসিন্দাদের জন্য সরকারি পরিষেবা পেতে এই অবস্থায় সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন। এর জন্য এই ম্যানুয়ালে বর্ণিত আবেদন করার পদ্ধতি কাজে লাগাতে হতে পারে। অ্যাকশন প্ল্যান অনুযায়ী কাজ হলে অর্থাৎ সমস্যার সমাধান হলে সাফল্য উপভোগ করা উচিত। যদি পরিকল্পনা কার্যকর করতে ব্যর্থতা আসে তবে নতুন ভাবে ফের পরিকল্পনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালে বর্ণিত বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। দায়িত্ব নেবেন গোষ্ঠীর মানুষরাই সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটির সমাধান হয়ে গেলে পরের সমস্যাটির সমাধানে একই পদ্ধতিতে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীদের দায়িত্ব আরও কমিয়ে গোষ্ঠীর মানুষদের দায়িত্ব বাড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এই ভাবে গোষ্ঠীর বাসিন্দারা, বিশেষ করে ‘হৃদয়সম্পন্ন’ বাসিন্দারা সমস্যার সমাধানে কী ভাবে কাজ করতে হবে সে সম্পর্কে অবহিত হবেন। পরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাহায্য ছাড়াই তাঁরা কাজ করতে পারবেন। গঠন করুন সিবিও গোষ্ঠীর ভিতরের উপরি বর্ণিত ‘হৃদয়সম্পন্ন’ বাসিন্দাদের গোষ্ঠী একটি স্বাধীন সিবিও বা গোষ্ঠীভিত্তিক সংগঠন তৈরি করবেন। এই সংগঠনই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পরিবর্ত হিসাবে গোষ্ঠীর সমস্যা সমাধানে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে। এই গোষ্ঠী প্রথাসিদ্ধ কল্যাণমূলক সংস্থা হিসাবে নিজেদের নথিভুক্ত করতে পারে যাতে তাদের হাতে আরও ক্ষমতা আসে। এর ফলে তারা সরকারের সঙ্গে কাজ চালানোর প্রশ্নে বা দায়বদ্ধতার প্রশ্নে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্য হতে পারবে। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল কী করে কার্যকর আবেদনপত্র লিখবেন (উদাহরণ সহ) আপনার আবেদনে নীচের বিষয়গুলি অবশ্যই থাকবে --- আপনার সমস্যার স্পষ্ট বিবরণ দিন। যেমন মনে করুন আপনার গ্রামে পাথর বাঁধানো রাস্তা নেই। ফলে বর্ষাকালে গ্রামে যাতায়াত করা ভীষণ সমস্যার। রাস্তায় কাদা ভর্তি থাকে। নতুন পাথর বাঁধানো রাস্তা করার আবেদন জানিয়ে দরখাস্ত লেখার সঙ্গে যদি কাদায় ভরা রাস্তার একটি ছবি জুড়ে দেন তা হলে খুবই ভালো হয়। এই প্রকল্পে আপনার অধিকার এবং সংশ্লিষ্ট আইন জানিয়ে দিন। উদারণস্বরূপ বলা যায়, ভারত নির্মাণ প্রকল্প অনুসারে ১ হাজারের বেশি জনসংখ্যা রয়েছে এমন প্রতিটি গ্রামে পাথর বাঁধানো রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছে সরকার। আপনার অনুরোধ নির্দিষ্ট এবং স্পষ্ট করে বলুন। আপনি কী চান ও কবের মধ্যে তা চান স্পষ্ট জানান। যেমন আপনি চান ৩০ জুন ২০১৫-র মধ্যে আপনার গ্রামের মূল রাস্তাটি পাথর বাঁধানো হোক। পরবর্তী পদক্ষেপ : যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ না হয় তা হলে আপনি কী করবেন স্পষ্ট জানিয়ে রাখুন। উদারণস্বরূপ বলা যায়, আপনি স্পষ্ট জানিয়ে রাখুন ৩০ জুনের মধ্যে গ্রামের রাস্তাটি পাথর বাঁধানো না হলে আপনি আরটিআই করবেন। আপনার আবেদনের একটি কপি অবশ্যই রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেবেন যাতে স্থানীয় আধিকারিকের উপর চাপ থাকে। চিঠি কী রকম হবে তার একটি নমুনা -- মাননীয় ম্যানেজার পূর্ত দফতর দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পশ্চিমবঙ্গ ১২।১২।২০১৪ বিষয় : জেলার ডায়মন্ডহারবার মহকুমায় শিবরামপুর গ্রামে পাকা রাস্তা নির্মাণ মহাশয়, আমি শিবরামপুরের বাসিন্দা হিসাবে আপনাকে বিনীত ভাবে জানাই, ১.আমার গ্রামের রাস্তাটি কখনওই পাথর বাঁধানো হয়নি। সুতরাং গ্রামের রাস্তায় চলাফেরা করা খুবই অসুবিধাজনক হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে রাস্তাটি কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে, ফলে একেবারেই চলাফেরা করা যায় না। এই আবেদনের সঙ্গে রাস্তার একটি ছবিও আপনাকে পাঠালাম। ২.ভারত নির্মাণ ওয়েবসাইটে http://www.bharatnirman.gov.in/page2.html দেখলাম কেন্দ্রীয় সরকার ১ হাজার মানুষ রয়েছে এমন সব গ্রামে সব ঋতুতে ব্যবহার করা যায় এমন পাকা রাস্তা বানাবে। ৩. যে হেতু আমার গ্রামে ২৩০০ মানুষ বসবাস করেন তাই আমি আপনার কাছে আবেদন করছি সত্ত্বর ৩০ জুনের মধ্যে রাস্তাটি পাথর বাঁধানোর ব্যবস্থা করুন। ৪. যদি তা করা না হয় তা হলে আরটিআই আইন ২০০৫ অনুযায়ী আরটিআই করে জানতে চাইব কেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমার আবেদনের সুরাহা হল না। শ্রদ্ধাসহ রমেশ কুমার ঠিকানা : রমেশ কুমার বাড়ি নম্বর-৫ গলি নম্বর-৬ গ্রাম শিবরামপুর পোঃ শিবরামপুর দক্ষিণ ২৪ পরগনা টেলিফোন- ২৬৫০৮৯৭৬ কপি- ভারত নির্মাণ কলকাতা সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল দরখাস্তগুলির ফলপ্রসূ উপস্থাপনার জন্য পরামর্শ (ক) বৈঠকের জন্য প্রস্তুতি গোষ্ঠী বা পাড়ার মধ্যে থেকে কাউকে সঙ্গে নিন। সাক্ষাৎকারের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা চাই। সম্ভব হলে আগে থেকে সাক্ষাৎকারের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট করুন। পোশাকি সাজ পরে যান। আপনার পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড সঙ্গে রাখুন (যদি ভিজিটিং কার্ড থাকে)। সঙ্গে ডায়েরি, কাগজ ও পেন রাখুন। যে আবেদন বা নথি জমা করবেন তার দু’টি কপি সঙ্গে নিয়ে যান। (আর একটি কপি দিন প্রোজেক্ট ডিরেক্টরকে) সব কাগজপত্রের আসল নিজের কাছে রাখুন। কোন অফিসে জমা করতে হবে তা আগে থেকে জেনে নিন। প্রয়োজনে (দেরি এড়াতে) গাড়িতে যাওয়ার জন্য সঙ্গে টাকা রাখুন। নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছন। বিধি ও পদ্ধতি সম্পর্কে আগে থেকে অবহিত থাকুন। যে আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তাঁর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের নাম আগে থেকে জেনে নিতে হবে। যদি ওই আধিকারিক অযৌক্তিক কথা বলেন তা হলে কী ধরনের চাপ সৃষ্টি করবেন তা আগে থেকে ঠিক করে রাখুন। আগে থেকে স্থির করে নিন কে কথা বলবে। (খ) বৈঠকের সময় করণীয় নিজের পরিচয় দিন। ঠিক জায়গায় এসেছেন কিনা তা জানতে নাম, টেলিফোন নম্বর পদাধিকার যাচাই করে নিন। আপনার আসার কারণ স্পষ্ট ভাবে বিবৃত করুন। (চিঠি জমা দিতে হলে দিন এবং নকলে রিসিভড ছাপ মারিয়ে নিন। শান্ত থাকুন। যদি কোনও তর্কবিতর্কের পরিস্থিতি তৈরি হয় তা হলে আপনি গলা চড়িয়ে কথা বললে কাজ হাসিল করতে পারবেন না। হেরে যাবেন। যা শুনলেন (ইতিবাচক বা নেতিবাচক) তা ফের নিজের মুখ দিয়ে উচ্চারণ করুন। অনেক সময় কোনও আধিকারিক যদি অন্যায্য কোনও কথা বলেন তা হলে দ্বিতীয়বার অন্যের মুখ দিয়ে শোনার পর তিনি নরম হতে পারেন। যদি তাঁকে দিয়ে আপনার আবেদন রিসিভ করাতে না পারেন তা হলে ডায়েরি খুলে আর একটি দিনের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। কখনও ‘পরে আসবেন’ শুনে চলে আসবেন না। মনে রাখবেন এ ক্ষেত্রে ‘পরে আসবেন’ বাক্যের অর্থ কখনওই নয়। ডায়েরিতে পরবর্তী দিনের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন টুকে নিন যাতে ওই আধিকারিক বুঝতে পারেন আপনি যথেষ্ট সিরিয়াস। কী ধরনের ফলো আপ করবেন তা সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে স্পষ্ট জানিয়ে দিন। ওই আধিকারিককে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না। (গ) বৈঠক সম্পর্কে অন্যের অভিজ্ঞতা জানুন সঙ্গে যদি গোষ্ঠীর কাউকে নিয়ে যান তা হলে তাঁর অভিজ্ঞতা জানার জন্য তাঁকে জিজ্ঞাসা করুন, ‘আপনার বৈঠকটি কেমন লাগল?’ (ঘ) বৈঠকটি নথিভুক্ত করুন লিখুন- বৈঠকের তারিখ বৈঠকের সময় কার সঙ্গে দেখা করেছিলেন বৈঠকের ফলাফল। দরকার পড়লে আলাদা পৃষ্ঠা যুক্ত করে লিখুন। কোনও খরচ হয়েছে কিনা। কোনও চিঠি বা আবেদনপত্র জমা করা হলে তার ‘রিসিভড কপি’ এঁটে রাখুন। ফলো আপের জন্য নির্দিষ্ট দিনক্ষণ ডায়েরিতে নোট করে রাখুন। (ঙ) বৈঠকের ফলো আপ করুন আপনি আধিকারিককে যা করবেন বলেছিলেন তা করুন। যদি আধিকারিক কোনও কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন তা হলে নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে সেই কাজ হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে আধিকারিকের সঙ্গে আবার কথা বলুন। অর্থাৎ তাঁকে তাগাদা দিয়ে বিষয়টি মনে করিয়ে দিন। সদর্থক ফলাফল হলে টেলিফোন করে আধিকারিককে সঙ্গে সঙ্গে ধন্যবাদ জানাতে ভুলবেন না। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল দুর্নীতির মোকাবিলা কী ভাবে কী ভাবে দুর্নীতি কার্যকর হয়? অনেক সময় কোনও সরকারি আধিকারিক ঘুষ ছাড়া আপনার আবেদন গ্রহণ বা আবেদন গ্রহণ করলেও কাজ করার ক্ষেত্রে গড়িমসি করেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ঘুষ দেওয়ার কথা আকার ইঙ্গিতে বোঝানো হয়, যেমন, ‘চা-জলখাবার’ বা ‘কিছু দিন’ ইত্যাদি শব্দস ব্যবহার করেন। অনেক সময় সরকারি কর্মচারীরা সরাসরি ঘুষ নেওয়ার চেয়ে দালালের মাধ্যমে কাজ করতে বেশি আগ্রহী হন। ওই দালাল কাজ করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আপনার কাছ থেকে‘সার্ভিস ফি’ নেন। সেই টাকার একটা অংশ যায় সংশ্লিষ্ট কর্মচারী বা আধিকারিকের পকেটে। মনে করুন আপনার বাচ্চার বয়স এক বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আপনাকে বার্থ সার্টিফিকেট বের করার জন্য ৭০০ টাকা খরচ করতে হতে পারে। পুঁজিবাদী অর্থনীতির প্রতিটি পর্যায়ের মতো এখানেও চাহিদা-জোগানের তত্ত্ব খাটে। রেশন কার্ডের চাহিদা যদি হঠাৎই খুব বেড়ে যায় তা হলে রেশন কার্ড বের করার জন্য খরচও পাল্লা দিয়ে বাড়ে। অর্থাৎ ঘুষের পরিমাণও বাড়ে। যদিও দালালি বা ঘুষের জন্য কোনও রসিদ দেওয়া হয় না। ফলে ঘুষ নেওয়া হয়েছে কিনা তা প্রমাণ করা দুষ্কর হয়। যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়, তিনি স্পষ্ট জানাবেন, ঘুষ নেননি। আপনার অভিযোগের কোনও সারবত্তা নেই। অনেক সময় ঘুষের পরিমাণ বিরাট অঙ্কের টাকা হয়। তার একটা বড় কারণ হল অনেক সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মীকেই মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ দিয়ে ওই পদে আসীন হতে হয়। ফলে জনগণের পকেট থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নেওয়াটা তার ‘অধিকারে’ পর্যবসিত হয়। বহু সময় সাধারণ মানুষ কাজ করানোর জন্য উতলা হয়ে পড়েন। যেমন রেশন কার্ড বা বার্থ সার্টিফিকেট বের করার জন্য তাঁদের জরুরি প্রয়োজন পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে তাঁরা মোটা টাকা ঘুষ বা কমিশন দিতে বাধ্য হন। বছরের পর বছর ধরে চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ার পর তাঁরা ঘুষ দিতে বাধ্য হলে কিছু বলার থাকে না। এই পদ্ধতিতে কিছু অসুবিধা রয়েছে। এই পদ্ধতির অসুবিধা কী? মানুষ যত ঘুষ দেয় ততই এই প্রক্রিয়া কাজের পদ্ধতির মধ্যে গেড়ে বসে। দুর্নীতি গরিবদের সরকারি পদ্ধতির সুযোগ নিতে দেয় না। কারণ তাঁদের হাতে ঘুষ দেওয়ার মতো পয়সা নেই। ফলে তাঁদের উন্নতিকল্পে নেওয়া পদক্ষেপের সুবিধা তাঁদের কাছে অধরাই থেকে যায়। বহু দরিদ্র বিধবা পেনশন নিতে পারেন না, দুর্দশাগ্রস্ত পরিবার বিপিএল রেশন কার্ড পান না --- এর একমাত্র কারণ হল তাঁরা ঘুষ দিতে পারেন না। কঠিন পরিশ্রম করা সৎ সরকারি আধিকারিকও ‘সিস্টেমের’ পাল্লায় পড়ে ঘুষ খেতে বাধ্য হন। ঘুষ খাওয়ার পদ্ধতি কাজের প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, তা না হলে হয়তো অনেক তাড়াতাড়ি সঠিক ভাবে কাজটি করা সম্ভব হত। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল ঘুষের দাবি এলে কী করবেন? কথাবার্তা শুরু হওয়ার আগে অধিকার সম্পর্কে সচেতন হন। আবেদনের সঙ্গে কত টাকা ফি দিতে হবে তা জেনে নিন। ফলে আপনাকে ভুল বোঝানোর সুযোগ কমবে। ঘুষের সম্ভাব্য অনুরোধ এড়াতে যেখানে সম্ভব সেখানে ডাকের মারফত বা অন লাইনে আবেদন জমা করুন। লিখিত আবেদন করার সময় নমুনা আবেদনপত্রটির মতো আবেদনপত্র লিখুন। এর ফলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক বুঝতে পারবেন আপনি খুবই সিরিয়াস। সঙ্গে আর এক জনকে নিয়ে যাবেন। যাতে ঘুষ চাইবার সময় এক জন সাক্ষী থাকে। কথাবার্তা শুরু হলে কোনও আধিকারিক যদি ‘চা-জলখাবার’ বা ‘কিছু দিন’ বলেন তখন তাকে দেখাতে বলুন কোথায় এই ধরনের ফি-র কথা লেখা আছে। (অবৈধতা চোখের সামনে তুলে ধরার জন্য) বলুন, আপনি আনন্দের সঙ্গেই বাড়তি টাকা দেবেন যদি আপনাকে একটি রসিদ দেওয়া হয়। (অবৈধতা চোখের সামনে তুলে ধরার জন্য) তার অবৈধ আবদারটি জোরে চেঁচিয়ে পুনরাবৃত্তি করুন যাতে আশপাশের সবাই শুনতে পান এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিক অস্বস্তিতে পড়েন। এতৎ সত্ত্বেও যদি ওই আধিকারিক ঘুষের কথা বলেন তা হলে এমন ভাবে তাঁর কথা নোট করুন যাতে তিনি বুঝতে পারেন আপনি কী করছেন। দিন, ক্ষণ এবং ঠিক কী অনুরোধ করেছেন তা টুকে নিন। ওই আধিকারিকের নাম এবং পদাধিকার নোট করুন। যদি তিনি তা জানাতে অস্বীকার করেন তা হলে নেম প্লেট বা ব্যাজ থেকে তা জানার চেষ্টা করুন। মনে রাখুন তিনি কোন ডেস্কে বসছেন, তাঁকে কেমন দেখতে ইত্যাদি। আলোচনা শেষ হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিন এই বিষয়টি পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার মতো জরুরি কিনা। যদি তা হয় তা হলে কী হয়েছিল তার বিস্তারিত বিবরণ টাইপ করে ফেলুন। জায়গা, দিন, ক্ষণ, কন অফিসার এবং সঠিক কী ধরনের অনুরোধ করা হয়েছিল তার উল্লেখ করবেন। ঘুষখোর অফিসারের উর্ধ্বতন আধিকারিক কে তাঁকে খুঁজে বের করুন। (অন্যের কাছ থেকে বা ওয়েবসাইট থেকে) আপনার লিখিত অভিযোগ ওই উর্ধ্বতন অফিসারের কাছে জমা দিন (অথবা এই ম্যানুয়ালে ‘সহায়তা’ অংশে উল্লিখিত যে কোনও অভিযোগ গ্রহীতার কাছে)। অভিযোগ জমা দেওয়ার সময় কপিতে ‘রিসিভড’ স্ট্যাম্প মারিয়ে নেবেন। তিনি কী ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন তা আপনাকে জানানোর জন্য অনুরোধ করবেন। প্রছন্ন হুমকি দিয়ে জানিয়ে রাখবেন, কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হল তা ২ সপ্তাহের মধ্যে তাঁকে জানানো না হয় তা হলে আপনি আরটিআই করে কী হল তা জানতে চাইবেন। তার পর আপনি যা করার ভয় দেখিয়েছিলেন তা করুন। যদি এতেও কাজ না হয় তা হলে ভিজিল্যান্স কমিশনে গিয়ে একই অভিযোগ দায়ের করুন। যদি তা সত্ত্বেও কাজ না হয় তা হলে সিবিআইয়ে দুর্নীতি দমন সেলে ফোন করুন -- ৯৯৬৮০৮১২১৬/৭/৮ যদি এ সত্ত্বেও কাঙ্খিত ফল না পান তা হলে এই নিয়ে কাজ করছে এমন কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করুন ও গণমাধ্যমের দ্বারস্থ হন। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল আরটিআইয়ের কার্যকর ব্যবহার আরটিআইয়ের কার্যকর ব্যবহার আরটিআই কখন কার্যকর? ক) ব্যক্তিগত সমস্যার ক্ষেত্রে (মনে করুন আপনার পেনশনের জন্য দরখাস্ত ঠিকমতো কার্যকর হয়নি) যদি সরকারি সুবিধার জন্য আবেদন করে থাকেন; এবং কাজটি করে দেওয়ার সাধারণ সময়সীমা পেরিয়ে গিয়ে থাকে; এবং যুক্তিসঙ্গত অনুসন্ধান কাজ না করলে। খ) গোষ্ঠীর সমস্যার ক্ষেত্রে (যেমন ধরুন ঠিকমতো জঞ্জাল সাফাই হচ্ছে না) যে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার কথা, কিন্তু তা দেওয়া হচ্ছে না। কী ভাবে আরটিআই লিখবেন ক) প্রয়োজনীয় তথ্য পাবলিক ইনফরমেশন অফিসারের বিভাগ ও ঠিকানা তারিখ ‘তথ্যের অধিকার আইন ২০০৫ অনুসারে’, এই কথাটি অবশ্যই উল্লেখ করুন। যে তথ্য জানাতে চান তা বিবৃত করুন। ফি দশ টাকা। রসিদ নিতে ভুলবেন না (বিপিএল রেশন কার্ডের অধিকারীদের কোনও ফি লাগে না। সে ক্ষেত্রে রেশন কার্ডের একটি কপি চিঠির সঙ্গে আটকে দেবেন।) আবেদনকারীর স্বাক্ষর আপনার নাম আপনার ঠিকানা এবং আপনার টেলিফোন নম্বর খ) কী ভাবে জানাবেন? ১. কোন তারিখে প্রথম আবেদন করেছিলেন তা জানান এবং আবেদনের কপি আরটিআইয়ের সঙ্গে যুক্ত করে দিন। ২.আবেদন অনুযায়ী কাজ করতে নিয়ম অনুযায়ী ক’দিন লাগার কথা তা জানতে চান। ৩.আপনার আবেদন করার পর থেকে কোন আধিকারিক কোন তারিখে কী কাজ করেছেন তা জানতে চান। ৪.দেরি করার জন্য দায়ী আধিকারিকের কী শাস্তি হয়েছে বা হবে তা-ও জানতে চান। ৫. আপনার আবেদন কখন কার্যকর করা হবে তা জানতে চান। কোথায়/কার কাছে আরটিআই করবেন? ক) আরটিআইয়ের অনুরোধ করতে হবে সংশ্লিষ্ট দফতরের পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার বা পিআইও-র কাছে। তালিকার জন্য দেখুন- www.WBgovt.nic.in http://WBgovt.nic.in/rti/search_pio.asp ; www.righttoinformation.org www.rti.gov.in খ) যদি দেখা যায় সঠিক বিভাগে আরটিআই পৌঁছয়নি তা হলে ওই বিভাগের পিআইও সঠিক বিভাগের কাছে আরটিআইটি পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য দায়বদ্ধ। এর পরেও আরটিআই করার ৩০ দিনের মধ্যেই উত্তর আসার কথা। গ) যদি আপনার মনে হয় সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরে আপনাকে দুর্ভোগ পোওয়াতে হতে পারে তা হলে আরটিআইটি ডাকযোগেও পাঠাতে পারেন। রেজিস্ট্রি করে বা স্পিড পোস্টের মাধ্যমে তা পাঠান যাতে আপনার কাছে তাঁর রেকর্ড থাকে। ‘পেয়ি’-র (কাকে ফি দেওয়া হচ্ছে) জায়গাটি ফাঁকা রেখে আরটিআইয়ের ফি পোস্টাল অর্ডার করে পাঠিয়ে দিন। সম্ভাব্য ফলাফল ও কাজ ফলাফল পদক্ষেপ ১. কোনও যোগাযোগ করা হয়নি কিন্তু কাজ হয়ে গিয়েছ। কিছু না ২. যথাযথ তথ্য কিছু না ৩. কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বা অসংশ্লিষ্ট তথ্য কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন (সিআইসি)-তে অভিযোগ করুন। ৪. অসম্পূর্ণ তথ্য (৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে) ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম আপিল করুন অথবা সিআইসিকে জানান। ৫. আরটিআই করতে দেওয়া না হলে ৯০ দিনের মধ্যে সিআইসিকে জানান। ক্লাব বিল্ডিং, ওল্ড জেএনইউ ক্যাম্পাস, (মুনিরকার কাছে), দিল্লি ১১০০৬৭ যদি আপনার আপিল কার্যকর হয় তা হলে পিআইওকে প্রতি দিন ২৫০ টাকা হিসাবে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল আরটিআইয়ের নমুনা পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট জেলা বর্ধমান সিভিল লাইন্স, পশ্চিমবঙ্গ ১০ মার্চ ২০১৩ বিষয় : তথ্যের অধিকার আইন ২০০৫ অনুসারে আবেদন নাজমা খাতুনের বার্থ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত আবেদনের ব্যাপারে তথ্যের জন্য মহাশয়, ১.আমি আমার কন্যা নাজমা খাতুনের বার্থ সার্টিফিকেটর জন্য (জন্ম ১০ অক্টোবর ২০০১) গত ৩ নভেম্বর ২০১২-য় রামপুরের এসডিএমের দফতরের আবেদন করেছিলাম। আবেদনপত্রের কপি এর সঙ্গে যোগ করলাম। এখনও পর্যন্ত আমার আবেদনের ব্যাপারে কোনও সন্তোষজনক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই কারণে আমাকে নিম্নলিখিত তথ্য দিন- ২.আপনার দফতরের নিয়ম ও বিধি অনুসারে বার্থ সার্টিফিকেটের জন্য দরখাস্ত করলে দরখাস্ত গ্রহণ করার পর কত দিনের মধ্যে তা প্রদান করা হয়? ৩. আমার আবেদনের কী গতি হল দয়া করে দৈনন্দিন ভিত্তিতে তা জানান। দয়া করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের নাম ও পদাধিকার জানান, ওই অফিসার কত দিন পর্যন্ত আমার আবেদনের চার্জে ছিলেন তা জানান। ওই সময়ের মধ্যে ওই আধিকারিক কী ব্যবস্থা নিয়েছেন সে সম্পর্কেও আমাকে অবহিত করুন। ৪. এ ধরনের আধিকারিক বা কর্মী যিনি কর্তব্য পালন করেননি বা যাঁর জন্য আবেদনের সুরাহা হতে দেরি হচ্ছে তাঁর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কবে নেওয়া হবে তা আমাকে জানান। ৫.আমি কবে আমার কন্যার বার্থ সার্টিফিকেট পাব? এই আরটিআইয়ের জন্য আমি আলাদা করে ১০ টাকা ফি জমা করছি। যদি আপনি মনে করেন আমার আবেদন আপনার বিভাগের অধিকারভুক্ত নয়, তা হলে তা হলে দয়া করে ২০০৫-এর তথ্য জানার অধিকার আইনের ৬(৩) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এবং ২০০৫-এর তথ্য জানার অধিকার আইনের ধারা অনুসারে দয়া করে প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষের নাম ও পদ-সহ বিশদ জানান, উপরের প্রার্থিত উত্তর সন্তোষজনক না হলে যাঁর কাছে প্রথম আপিল করতে পারব। ধন্যবাদান্তে, শেখ মোক্তার ২৩১ ঝাউতলা রোড কলকাতা-৭০০০১৭ পশ্চিমবঙ্গ টেলিফোন-৭৮৯০৩৪৫৬ সংবাদমাধ্যমকে ঠিক ভাবে ব্যবহার করা সহায়তার ক্ষেত্রে কখন সংবাদমাধ্যম উপযুক্ত ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে? যেখানে সামাজিক পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বিষয়কে তুলে ধরা প্রয়োজন। জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা/জনমত গঠন করতে এবং জনসাধারণকে শিক্ষিত করতে। নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের/জন প্রতিনিধিদের প্রভাবিত করার ব্যাপারে। স্থানীয়/গোষ্ঠী/রাজ্য স্তরের সাধারণ মানুষের ক্রিয়াকলাপ এবং সামাজিক বিষয় সংক্রান্ত ঘটনাকে প্রচার করতে। সংবাদমাধ্যমকে প্রদেয় বার্তা তৈরি করতে কী করতে হবে সার্বিক লক্ষ্য স্থির করা (অর্থাৎ একটি আইনের জন্য ওকালতি করা, কোনও ইভেন্টের বিজ্ঞাপন করা, সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা ইত্যাদি) বার্তাটি সম্পর্কে পরিকল্পনা করা ও উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা। কৌশল নির্ধারণে কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন কোন সামাজিক গুরুত্বের দিকটি তুলে ধরা হবে? এর কি কোনও নির্দিষ্ট সমাধান রয়েছে? কোন সরকারি/বেসরকারি সংস্থা/সংগঠন সমাধান সম্ভব করতে পারে? যাঁরা সমস্যার সমাধান করতে পারবেন তাঁদের দৃষ্টি কী ভাবে আকর্ষণ করবেন? বার্তাটি যেন স্পষ্ট,সংক্ষিপ্ত, সহজ, শক্তিশালী এবং ক্ষমতাসম্পন্ন হয়। এটি অবশ্যই উদ্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর কথা মাথায় রেখে তৈরি করতে হবে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ আপনি যে বিষয় নিয়ে কাজ করছেন সে সম্পর্কে কোন রিপোর্টার লেখালেখি করে খোঁজ নিন। নিজেই কাগজ পড়ে তাঁর নাম বের করার চেষ্টা করুন বা জিজ্ঞাসা করে জানার চেষ্টা করুন। কোন বিষয়ে খবর করাতে হবে সেটি বিবেচনা করে উপযুক্ত স্থানীয়/জাতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। যোগাযোগ করুন খবরের কাগজ এবং/অথবা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সঙ্গে। বিস্তৃত যোগাযোগের ঠিকানা-সহ সংবাদমাধ্যমের একটি তালিকা প্রস্তুত করুন (ফ্যাক্স, ফোন নম্বর, ই-মেল, ঠিকানা-সহ)। রিপোর্টারদের নাম, ব্যুরো চিফের নাম, চিফ রিপোর্টারের নাম টুকে রাখুন। সহজ ভাবে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে মিশুন এবং তাদের সঙ্গে কার্যকর সম্পর্ক স্থাপন করুন। সহায়তার ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার করার উপায় নিউজ রিলিজ সম্পাদককে লেখা চিঠি উত্তর-সম্পাদকীয় নিবন্ধ মিডিয়া ওয়ার্কশপ করা (একটি বিশেষ সামাজিক বিষয়ে গণমাধ্যমকে সাগ্রহী করে তোলা) ব্যক্তিগত/প্যানেল ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা সাংবাদিক সম্মেলন করা এক বার যদি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিবেদন ছাপা হয় বা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয় তবে তার ক্লিপিং বা ভিডিও রেকর্ডিং সযত্নে রেখে দিন এবং পরের বার সহায়তা করার প্রয়োজন হলে সেটি সঠিক ভাবে ব্যবহার করুন। সূত্র : ইএইচএ ম্যানুয়াল ফর এনজিওস ওয়ার্কিং ইন ওয়েস্ট বেঙ্গল শিশু উন্নয়ন বিভাগ এর কিছু কাজ কর্ম ভারতের সংবিধান দেশের সমস্ত শিশুদের মৌলিক অধিকার প্রদান করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিশু উন্নয়ন বিভাগ দেশের ১৮ বছরের কম বয়সি ২.৯৯কোটি জনসাধারণের (২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ) স্বাস্থ্যকর জীবন ও নিরাপদ শৈশবযাপন যা ভবিষ্যতের মর্যাদাবান ও ফলপ্রুসূ বয়স্ক জীবনযাপনের ক্ষেত্রে আবশ্যক সেই অধিকার সুনিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই বিভাগের কাজকর্ম শিশুদের জন্য জাতীয় নীতি ,২০১৩দ্বারা পরিচালিত হয়। সকল শিশুদের সমতা ,মর্যাদা ,নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা সহ বেঁচে থাকা এবং বেড়ে ওঠার অধিকার রক্ষা ও সম্প্রসারণের জন্য আইনপ্রণয়ন ,নীতিনির্ধারণ বা অন্য উপায়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ এই বিভাগের দায়িত্ব। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে এই বিভাগ স্টেট অ্যাকশন প্ল্যান ফর চিলড্রেন ২০১৪-২০১৮(SPAC) - এর সূত্রপাত করে। এই ধরণের পরিকল্পনা কার্যকর করার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে প্রথম। শিশুদের জন্য ইতিবাচক কাজের দায়িত্ব বিস্তারিতভাবে চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে SPAC শিশুদের অধিকার কার্যকর করার চলিত কাঠামোকে ব্যবহার করে থাকে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পরিকল্প কার্যকর করা ,তৎসহ পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় প্রয়োজনের ভিত্তিতে ও জটিল পরিস্থিতির ক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই ধরণের দায়িত্ব প্রতিপালিত হয়। SPAC-র কাজকর্ম লক্ষ্যমাত্রা ভিত্তিক। নজরদারি করার ৫৪টি সূচক এতে আছে যা শিশুদের জন্য ভারতের জাতীয় কর্মসূচি এবং ধারণীয় উন্নয়নের লক্ষ্যের (কর্মসূচি ২০৩০) প্রতি দেশের অঙ্গীকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত। রাজ্যের মুখ্যসচিবের পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের দ্বিবার্ষিক সভাগুলির মাধ্যমে এই লক্ষ্যমাত্রার উপরে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়। একইভাবে মালদা এবং পুরুলিয়া জেলার ক্ষেত্রে ডিসট্রিক্ট প্ল্যানস অব অ্যাকশন (২০১৪-১৮) চালু করা হয়েছে। SPAC-এর কাজের ধারায় UNICEF-এর পশ্চিমবঙ্গ শাখা প্রধান পদ্ধতিগত সহযোগীর ভূমিকা পালন করে থাকে। SPAC-এর পোর্টাল তৈরির কাজ বর্তমানে হাতে নেওয়া হয়েছে। এই পোর্টালটি হবে সংশ্লিষ্ট মানুষজনের জন্য তৃণমূল স্তর থেকে রাজ্যস্তরের তথ্যাবলির নজরদারির জন্য একটি সুসংহত স্থান। শিশুদের অধিকারের প্রসঙ্গে তথ্য চলাচল তৎসহ প্রাসঙ্গিক নীতিগুলি নিয়ে মতবিনিময়ের ক্ষেত্র হিসেবেও কাজ করবে এই পোর্টাল। এই বিভাগ সুংহত শিশুবিকাশ পরিকল্প (ICDS) অধিকরণ ,শিশুদের অধিকার ও পাচার বিষয়ক অধিকরণ এবং সুসংহত শিশু সুরক্ষা পরিকল্প অধিকরণ -এর মাধ্যমে এবং নিজে বিভিন্ন কার্যকলাপ সম্পন্ন করে চলেছে। সুসংহত শিশুবিকাশ পরিষেবা পরিকল্প (ICDS)-এর ব্যবস্থাপন এই বিভাগের প্রধান কাজগুলির অন্যতম। এটি ভারতের পথিকৃৎ পরিকল্প যাতে ছয় বছরের নীচে শিশুদের পুষ্টি ও বিকাশ তৎসহ গর্ভবতী ও স্তন্যদাত্রী মহিলাদের পুষ্টির দিকটি দেখা হয়। পরিকল্পের রূপরেখায় প্রদত্ত সংস্থান অনুসারে এই বিভাগ বিভিন্ন পরিষেবার মান বৃদ্ধির জন্য এবং পশ্চিমবঙ্গের মা ও শিশুদের পুষ্টি ও বিকাশের বিশেষ প্রয়োজনের দিকে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য নানাবিধ পদক্ষেপ করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ৭টি জেলায় বয়ঃসন্ধি পর্বের মেয়েদের অপেক্ষাকৃত উন্নত স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য কাজ করে চলেছে সবলা পরিকল্প। এক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকালীন রক্তাল্পতার সমস্যার উপর। এই পরিকল্প জীবনশৈলী শিক্ষা ,বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রাসঙ্গিক জ্ঞান ,সচেতনতা এবং তথ্য দিয়ে তাদের সমৃদ্ধ করেছে। বয়ঃসন্ধি পর্বের মেয়েদের জন্য পশ্চিমবঙ্গের পথিকৃৎ পরিকল্প সবলা এবং কন্যাশ্রী নারী উন্নয়ন বিভাগ রূপায়িত করছে। স্কুলছুট মেয়েদের স্কুলে ফিরে আসতে উৎসাহিত করা হচ্ছে এবং কন্যাশ্রীর মাধ্যমে তাদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছে যে মেয়েরা এবং কন্যাশ্রীর সুবিধাও পাচ্ছে তাদের সবলা পরিকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। অসহায় ও সামাজিকভাবে অনগ্রসর পরিবারসমূহের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সংক্রান্ত স্থিতির উন্নতির জন্য বাকুঁড়া,জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় 'ইন্দিরা গান্ধী মাতৃত্ব সহযোগ যোজনা ' শিরোনামে একটি শর্তাধীন নগদ হস্তান্তর পরিকল্পের অধীনে অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদাত্রী মহিলারা নগদ অর্থ লাভ করছেন। শিশুবিকাশ বিভাগের প্রবীণতম অবশ্যপালনীয় বিষয় হল শিশুসুরক্ষা এবং শিশু অধিকার ও পাচার অধিকরণের মাধ্যমে সুসংহত শিশুসুরক্ষা পরিকল্প বাস্তবায়ন করে।২০১০ সালে রাজ্য শিশু সুরক্ষা সমিতি (এস সি পি এস ),পশ্চিমবঙ্গ স্থাপিত হয় এবং জেলা শিশু সুরক্ষাকেন্দ্র (ডি সি পি ইউ )এর মাধ্যমে ২০টি জেলায় এই পরিকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। সকল আজ্ঞাসূচক কাঠামো (চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি এন্ড জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড ) ও বিধিবদ্ধ সংস্থা(ওয়েস্টবেঙ্গল কমিশন ফর প্রটেকশন অব চাইল্ড রাইটস ) স্থাপন করা হয়েছে এবং রাজ্য নিরবিচ্ছিন্নভাবে সুসংহত শিশুসুরক্ষা পরিকল্প (ইন্টিগ্রেটেড চাইল্ড প্রোটেকশন স্কিম )এর অধীনে বিভিন্ন আজ্ঞাসূচক সংস্থা (জুভেনাইল জাস্টিস হোম,মুক্ত আশ্রয়গৃহ )এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানিক ও অ-প্রতিষ্ঠানিকভাবে শিশুদের যত্ন তত্ববধানের পরিসর প্রসারিত করে চলেছে।এছাড়াও নিঃস্ব শিশুদের আশ্রয়প্রদানের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কুটির পরিকল্প (কটেজ স্কিম )চালু রয়েছে এবং এই পরিকল্পের অধীনে খাদ্য ,বস্ত্র ও চিকিৎসা পরিষেবা ছাড়াও শিশুদের শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মানুষপাচার পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম উদ্বেগের বিষয় এবং রাজ্যের নারী ও শিশুদের পাচার ও সবধরণের শোষণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ,সুরক্ষা ও মামলার ক্ষেত্রে শিশুবিকাশ বিভাগ নোডাল বিভাগ হিসাবে কাজ করে থাকে।রাজ্য উপদেষ্টা সমিতির কর্তৃত্বে বিভাগ বানিজ্যিক যৌন শোষণের উদ্দেশে পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার পাশাপাশি নারী শিশুদের পাচার প্রতিরোধ এবং উদ্ধার,আরোগ্য,প্রতিবাসন ও সুসংহতকরণের কাজও সম্পাদন করে থাকে।নারী ও শিশু পাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে আন্তঃরাজ্য এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা ও সমন্বয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিগত কয়েক বছর ধরেই বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।রাজ্যব্যাপী ও দেশব্যাপী কার্যক্রমের রূপরেখাগুলির পরিমার্জনে,পাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামে এক রাজ্য-পরিকল্পনা,প্রধান গন্তব্য রাজ্যগুলির সঙ্গে সমঝোতাপত্র এবং শিশু অধিকার,নিরুদ্দিষ্ট শিশু ও পাচার হওয়া ব্যক্তিবর্গ সম্পর্কিত রাজ্য ও জেলার সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিরবিচ্ছিন্ন দক্ষতাবৃদ্ধির বিষয়গুলিও এই পদক্ষেপসমূহের অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন তথ্যভান্ডার বা ডেটাবেসের মাধ্যমে তথ্য ব্যবস্থাপন ও তথ্য সংগ্রহের কর্মকান্ড কার্যকর করা হয়। হারিয়ে যাওয়া ও উদ্ধার হওয়া শিশুদের সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গের /কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সংযোগ সাধনের উদ্দেশ্যে www.trackthemissingchild.gov.in নামে একটি শিশু অনুসন্ধান পোর্টালের সুবিধা চালু আছে। উৎস: শিশু উন্নয়ন বিভাগ , পশ্চিমবঙ্গ সরকার পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের কিছু তথ্য চারটি পরিদপ্তর নিয়ে গঠিত হয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ। এগুলি হল – তথ্য, সংস্কৃতি, চলচ্চিত্র এবং পুরাতত্ত্ব ও জাদুঘর। এই পরিদপ্তরগুলির উদ্দেশ্য হল – বিভিন্ন গণমাধ্যমের দ্বারা রাজ্য সরকারের ক্রিয়াকলাপ এবং সাফল্যের প্রচার করা, বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে মন্ত্রী এবং বরিষ্ঠ আধিকারিকদের সচেতন রাখা, লোকসংস্কৃতি সহ বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উন্নয়ন এবং সংরক্ষণ, পশ্চিমবঙ্গের পুরাতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের সংরক্ষণ, শিল্প, চলচ্চিত্র, নাটক ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে সম্মান জ্ঞাপন করা, চলচ্চিত্র, থিয়েটার, নাটক ইত্যাদির উৎকর্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজস্তরীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভারতীয় এবং বিদেশী পর্যটকদের আতিথেয়তা প্রদান করা। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ আয়োজিত কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, শিশু চলচ্চিত্র উৎসব, চলচ্চিত্র শিক্ষা বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করে। ফিল্মসিটি নির্মাণ সহ রাজ্যের চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নের জন্য বিবিধ কার্যকলাপে নিয়োজিত থাকে রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ। তথ্য পরিদপ্তর তথ্য পরিদপ্তর বিভিন্ন প্রদর্শনী, আতিথিয়তা এবং প্রোটোকল, রাজ্যের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন, নিউজব্যুরো, গ্রামীণ তথ্য, প্রকাশন এবং বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কাজে ব্যাপৃত থাকে। সচেতনতা কর্মসূচি সারাবছর ধরে বাল্যবিবাহ এবং মহিলাদের ক্ষমতায়ণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা সংক্রান্ত বিষয়সমূহ এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন সংক্রান্ত সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি পালন। এই সরকারের দু বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রত্যেক জেলা এবং মহকুমা অফিসে দু দিন ব্যাপী প্রচার কর্মসূচি পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ‘উন্নয়নের পথে, মানুষের সাথে’ নামক প্রদর্শনীর মাধ্যমে সরকারের সাফল্যের প্রতি আলোকপাত করা হয়। এছাড়াও অনুষ্ঠানগুলিতে লোক সংস্কৃতির বিবিধ নিদর্শন তুলে ধরা হয়। • ম্যানুস্ক্রিপটের ডিজিটাইজেশন • বাংলার বিশিষ্ট লেখকদের চিঠি এবং পান্ডুলিপির ডিজিটাইজেশন সম্পূর্ণ হয়েছে। • প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে যোগদান • ২০১২-য় নিউদিল্লিতে ১২ বছর পর পশ্চিমবঙ্গ প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে যোগদান করে। প্যারেডে পুরুলিয়ার ছৌ – নাচ কে থিম করে তৈরি হওয়া পশ্চিমবঙ্গের ট্যাবলো প্রথম স্থান অধিকার করে। এদিন পুরুলিয়ার শিবশক্তি ছৌ নাচ অ্যাকাডেমির জোদাহরম কুমার এবং সম্প্রদায় তাঁদের নৃত্য প্রদর্শন করেন। নিউদিল্লির রাষ্ট্রীয় রঙ্গশালা ক্যাম্পে ভারত সরকারের প্রতিরক্ষা দপ্তর আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে পুরুলিয়ার ছৌ নাচের দলটি প্রথম স্থান অধিকার করে। লোকশিল্পের পুনরুজ্জীবন বাংলার লোকশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাজ্যজুড়ে সহস্রাধিক লোকশিল্পীর নাম নথিভুক্ত করে পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিল্পীদের অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বহাল ভাতা প্রদান করা হয়েছে। সরকারি বিভিন্ন প্রচার কর্মসূচিতে লোকশিল্পীদের কাজে লাগানোর এবং জীবন নির্বাহের লক্ষ্যে তাঁদের নাম নথিভুক্তকরণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। • বিভিন্ন ভাষাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা প্রদান • প্রচলিত আইনের সংশোধনী প্রস্তাব এনে নেপালি, উর্দু, হিন্দি, অলচিকি, ওড়িয়া, সাঁওতালি এবং গুরুমুখী(পাঞ্জাবী) ভাষাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। • সম্মান প্রদান • ২০১৩-১৪ আর্থিক বর্ষে ১৭৪টি অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত ব্যাক্তিত্বদের প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করা হয়েছে। • নতুন বিস্তীর্ণ সংস্কৃতি কেন্দ্র • রবীন্দ্রসদন, নন্দন, বাংলা অ্যাকাডেমি ইত্যাদিকে নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্কৃতি কেন্দ্র (Cultural Hub) নির্মাণের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। • সংস্কৃতি পরিদপ্তর • জন্মবার্ষিকী উদযাপন • বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের জন্মদিবসে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যজুড়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের জন্মদিবস উদযাপিত হয়েছে আড়ম্বরের সাথে। • বাংলা সঙ্গীত মেলা • ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি আয়োজন করা হয়েছিল বাংলা সঙ্গীত মেলার। এই অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ১২০০জন সঙ্গীতশিল্পী যোগদান করেন। পুরস্কার ও সম্মান শিল্প, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, সঙ্গীত এবং চলচ্চিত্রে সারাজীবনের অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের পুরস্কার প্রদান করেছে রাজ্য সরকার। তৃতীয় বঙ্গবিভূষণ এবং বঙ্গভূষণ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ২৪ জনকে বঙ্গবিভূষণ এবং ৬ জনকে বঙ্গভূষণ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তৃতীয় বারের সঙ্গীত মহা সম্মান পেয়েছেন ৩ জন শিল্পী। সঙ্গীত সম্মান পেয়েছেন ৪ জন শিল্পী ও ৬টি গোষ্ঠী যারা সঙ্গীত জগতে অসামান্য অবদান রেখেছেন। ৪৬ জন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব এবং ৪টি প্রোডাকশন হাউস কে চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দ্বিতীয়বারের ‘মহানায়ক সম্মান’ প্রদান করা হয়েছে। টেলি মিডিয়ায় বিশেষ অবদানের জন্য ৯০ জনকে ‘টেলি অ্যাকাডেমি পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছে। সাহিত্য, সংস্কৃতি, লোকশিল্প ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই দপ্তরের আওতাভুক্ত বিভিন্ন অ্যাকাডেমি, কেন্দ্র এবং পরিষদ কর্তৃক ২১টি পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। এগুলি হল – রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার (৩টি ক্ষেত্রে), নজরুল স্মৃতি পুরস্কার, বঙ্কিম স্মৃতি পুরস্কার, বিদ্যাসাগর স্মৃতি পুরস্কার (২টি ক্ষেত্রে), গিরিশ পুরস্কার, দীনবন্ধু পুরস্কার, অবনীন্দ্র পুরস্কার, রামকিঙ্কর বেজ পুরস্কার, বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায় পুরস্কার, আলাউদ্দিন পুরস্কার, উদয়শঙ্কর পুরস্কার, গিরিজা শঙ্কর পুরস্কার, জ্ঞানপ্রকাশ ঘোষ পুরস্কার, ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা পুরস্কার, পন্ডিত রঘুনাথ মুর্মু পুরস্কার, সুধী প্রধান পুরস্কার, লালন পুরস্কার এবং বীণা দাশগুপ্ত পুরস্কার। রাজ্য চারুকলা পর্ষদের পক্ষ থেকে ফাইন আর্টসে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১০ জনকে শিল্পী মহাসম্মান, শিল্পী সম্মান, লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট, শিল্প ঐতিহাসিক – কলা সমালোচক পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি যাত্রা আকাডেমি কর্তৃক বিশিষ্ট যাত্রাশিল্পীদের ‘ শান্তিগোপাল এবং তপন কুমার পুরস্কার’ প্রদান করা হয়েছে। • স্বামী বিবেকানন্দের সার্ধশত জন্মবর্ষ উদযাপনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান • ছাত্র এবং যুবদের বিবিধ কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে রাজ্যজুড়ে স্বামী বিবেকানন্দের সার্ধশত জন্মবর্ষ উদযাপনের সমাপ্তি অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। ২০১৪ –র ১০ জানুয়ারি কলকাতার রেড রোডে এই প্রথমবার বিবেক চেতনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। • পশ্চিমবঙ্গ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাকাডেমি • কাজী নজরুল ইসলামের অমূল্য সাহিত্যিক নিদর্শনগুলির সংরক্ষণ এবং এ বিষয়ে গবেষণার জন্য নজরুল অ্যাকাডেমি তৈরি করা হয়েছে। কোচবিহার এবং পুরুলিয়ায় পশ্চিমবঙ্গ কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাকাডেমি ‘নজরুল গীতির’র কর্মশালার আয়োজন করেছিল। নজরুল ইসলাম অ্যাকাডেমির আওতায় নজরুল ইসলামের বহুবিধ সাহিত্যের ওপর গবেষণা ইত্যাদির সুবিধার জন্য ‘নজরুল তীর্থ’ নামে একটি শিল্পকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ‘নজরুল তীর্থে’ ৪০০ আসন এবং সমস্ত আধুনিক সুবিধাযুক্ত একটি প্রেক্ষাগৃহ রয়েছে। বাংলায় শিল্প এবং সংস্কৃতির প্রসারে দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের স্মৃতিতে কলকাতার আলিপুরে ‘ধন – ধান্যে স্টেডিয়াম’ নির্মাণের কাজ পূর্ণ গতিতে চলছে। • নাট্য মেলা • মালদায় ৫টি নাট্যগোষ্ঠীকে নিয়ে ৪-৮ ডিসেম্বর, ২০১৩, কল্যাণীতে ৮টি নাট্যগোষ্ঠীকে নিয়ে ৮-১৫ ডিসেম্বর, ২০১৩, কলকাতা এবং হাওড়ায় ৯০টি নাট্যগোষ্ঠীকে নিয়ে ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৩ থেকে ১ জানুয়ারি, ২০১৪ এবং আসানসোলে ৭টি নাট্যগোষ্ঠীকে নিয়ে ১৯-২৬ জানুয়ারি নাট্যমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। • উদয়শঙ্করের জন্মবার্ষিকী উদযাপন • ৭ দিন ধরে নৃত্য উৎসবের মাধ্যমে উদয়শঙ্করের জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এই উৎসবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৪৮টি নৃত্যগোষ্ঠী যোগদান করে। • পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ • রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিকাঠামোর উন্নয়নের উদ্দেশ্যে রবীন্দ্রসদন, মিনার্ভা থিয়েটার, মহাজাতি সদন এবং রবীন্দ্র মঞ্চের মেরামত এবং সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। টেগোর কালচারাল কমপ্লেক্স স্কিমের আওতায় রাজ্যজুড়ে ৩২টি রবীন্দ্র ভবন / সদনের সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। পুরুলিয়া রবীন্দ্র ভবন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুতই এটির উদ্বোধন হবে। • প্রকাশন এবং ডিজিটাইজেশন • তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ ১৭ খন্ডে রবীন্দ্র রচনাবলী প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে ৮টি খন্ড ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বাংলা অ্যাকাডেমি প্রকাশ করেছে। এ বছরের মধ্যে দু খন্ডে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সমগ্র প্রকাশিত হবে। সঙ্গীত, চলচ্চিত্র, চিত্রকলা ইত্যাদির ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে। • অ্যাকাডেমি • কোচবিহারে স্থাপিত রাজবংশী ভাষা অ্যাকাডেমি কাজ শুরু করেছে। ঝাড়গ্রামে বীরসা মুন্ডা অ্যাকাডেমি এবং বীরভূমের সিউড়িতে বীরসা মুন্ডা অ্যাকাডেমি তৈরির কাজ চলছে। • কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলা এবং সাহিত্যোৎসব • ছোট সংবাদপত্র এবং পত্রিকাগুলোকে উৎসাহ দান করতে ১১-১৫ জানুয়ারি, ২০১৪-য় কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছে কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন মেলা এবং সাহিত্যোৎসব। এই উৎসবে ৪০০টি লিটল ম্যাগাজিন যোগদান করে। • সাহিত্য ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে অবসরভাতা প্রকল্প • বরিষ্ঠ এবং দরিদ্র শিল্পীদের আর্থিক সাহায্যার্থে রাজ্যসরকার ১৩৬ জনকে সাহিত্য এবং সংস্কৃতির অবসরভাতা এবং ২৮ জনকে বিশেষ ভাতা প্রদান করেছে। • ষষ্ঠ শিশু কিশোর উৎসব (রাজ্যস্তর) • বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে ২০১৪-র ৫-১২ জানুয়ারি, ষষ্ট রাজ্য শিশু কিশোর উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। এই উৎসবে কমপক্ষে ৬০০ ছাত্রছাত্রী যোগদান করে। • ‘পৌষ উৎসব’ এবং বর্ষবরণ উৎসব • কলকাতার স্ট্যান্ড রোডের জেমস প্রিন্সেপ মেমোরিয়ালে এই প্রথমবার পৌষ উৎসব এবং বর্ষবরণ উৎসবের আয়োজন করা হয়। ২০১৩-র ২২-২৪ ডিসেম্বর পৌষ উৎসব এবং ৩০ ডিসেম্বর – ১ জানুয়ারি, ২০১৪ বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়। • ধ্রুপদ উৎসব এবং আয়িবাহার • কলকাতার স্ট্যান্ড রোডের জেমস প্রিন্সেপ মেমোরিয়ালে ধ্রুপদ উৎসব এবং আয়িবাহারের আয়োজন করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি – ১ মার্চ, ২০১৪-য় ধ্রুপদ উৎসব এবং ২ - ৩ মার্চ, ২০১৪-য় আয়িবাহার অনুষ্ঠিত হয়। • মাটি উৎসব • বর্ধমানের পানাগড়ে ২০১৪-র ১৪-২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দ্বিতীয় মাটি উৎসব উদযাপিত হয়। • যাত্রা উৎসব • উত্তর ২৪ পরগণার বারাসতে ৬-৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ এবং কলকাতার বাগবাজারের ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ যাত্রা মঞ্চে ৯ ই ফেব্রুয়ারি-১ মার্চ, ২০১৪ পর্যন্ত মোট পঁচিশ দিন ব্যাপী যাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। • নাট্যগোষ্ঠীগুলোকে আর্থিক সহযোগিতা • ২০০ টি নাট্যগোষ্ঠীকে ৫০,০০০ টাকা করে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বামী বিবেকানন্দের ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের জন্য ৯৮ টি সংস্থাকে মোট ২ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। • সারদা মা ও স্বামী বিবেকানন্দের পৈর্তৃক বাড়ি এবং ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি বিজড়িত ভবনের সংস্কার • বেলুড় মঠ রামকৃষ্ণ মিশন কর্তৃক দার্জিলিং-এ ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতি বিজড়িত রায়ভিলা ভবনের সংস্কার সাধনের জন্য এই দপ্তরের পক্ষ থেকে ১ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়াও বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনের সংস্কারের জন্য ১ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতিধন্য রায়ভিলাকে পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশন হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করেছে। এ ছাড়াও স্বামী বিবেকানন্দের পৈতৃক বাড়ী এবং বাগবাজারের ‘মায়ের বাড়ি’ এবং ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতিবিজড়িত ভবনের সংস্কার এবং সংরক্ষণের প্রকল্প সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। • চারুকলা উৎসব ও প্রদর্শনী • ২০১৪-র ১৪-২৩ শে ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রসদন- নন্দন চত্বর এবং অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টসে চারুকলা উৎসব ও প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। • চলচ্চিত্র পরিদপ্তর/ অধিকার • রাজ্যের চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন শিল্পের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে চলচ্চিত্র পরিদপ্তর। সেগুলি হলঃ সিনেমা এবং টেলিভিশন সিরিয়ালের শ্যুটিং-এর জন্য নতুন ফ্লোর নির্মাণ এবং পুরনো স্টুডিও ফ্লোরগুলির উন্নয়ন, দুটি ফিল্মসিটির নির্মাণ ও উন্নয়ন এবং কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ও কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন। এই উৎসবে ভারত এবং বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা যোগদান করেন। এই চলচ্চিত্র উৎসবে রেট্রোস্পেক্টিভ, চলচ্চিত্র ডকুমেন্টারি এবং ফিচার ফিল্মের সংরক্ষণ সম্পর্কে তুলনামূলক আলোচনা করা হয়। • টেকনিসিয়ান স্টুডিও • চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন শিল্পকে সহায়তা করতে রাজ্যসরকার টেকনিসিয়ান স্টুডিও-এর সাধারণ তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব গ্রহণ, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, এবং ব্যবসায়িক ক্ষেত্রগুলির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। প্রায় ৩৩.৫০ কোটি টাকা ব্যয় করে চারটি নতুন ফ্লোর নির্মাণ এবং দুটি ফ্লোরকে অত্যাধুনিক সুবিধাযুক্ত রূপে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে পূর্ণাঙ্গ সংস্কার করা হয়েছে। ছটি ফ্লোরের মধ্যে তিনটিতে ইতিমধ্যেই কাজ হচ্ছে, দুটি কাজের জন্য প্রায় প্রস্তুত এবং আরেকটিতে অ্যাকোয়াস্টিকস-এর কাজ চলছে। এই ফ্লোরগুলি বাংলা সিনেমার প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব সত্যজিৎ রায়, ঋত্বিক ঘটক, তপন সিনহা, উত্তমকুমার, সুচিত্রা সেন, এবং ঋতুপর্ণ ঘোষের নামে নামাঙ্কিত। সিনেমা শতবর্ষ ভবনের সন্নিহিত প্রেক্ষাগৃহটির কাজও সম্পন্ন হয়েছে। কেবলমাত্র প্রেক্ষাগৃহটির অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। • ফিল্মসিটি স্থাপন • জলপাইগুড়ির ডাবগ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বারুইপুরে দুটি পিপিপি মডেলের ফিল্মসিটি নির্মাণের উদ্দেশ্যে জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। বারুইপুরের প্রকল্পের জন্য তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ জমি অধিগ্রহণ করেছে। ডাবগ্রাম প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। একজন লেনদেন সংক্রান্ত পরামর্শদাতাকে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রায়োগিক সমীক্ষা এবং প্রাথমিক ডিপিআরএস সম্পন্ন হয়েছে এবং সম্মতিপত্র গ্রহণ করা হয়েছে। • নন্দন • নন্দন পশ্চিমবঙ্গের প্রধান চলচ্চিত্র কেন্দ্র এবং চলচ্চিত্রপ্রেমীদের গর্ব। নন্দনে সর্বোচ্চ মানের বিদেশী এবং ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রদর্শন, প্রখ্যাত নির্দেশকদের রেট্রোস্পেকটিভ এবং চলচ্চিত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবং সোসাল কমিউনিকেশন সিনেমা কনফারেন্স ছাড়াও ফিল্ম সোসাইটি এবং ফরেন মিশনগুলির সহযোগিতায় ২০১৩-১৪-য় বিভিন্ন চলচ্চিত্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। নন্দন এখন কলকাতার সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র রূপে প্রতিষ্ঠিত। নন্দন-এ নতুন শব্দ ও আলোক ব্যবস্থা এবং একটি আধুনিক 2K প্রজেকশন সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। • সিনেমা শতবর্ষ ভবন • ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স এই পরিদপ্তরের নিয়মিত কার্যকলাপের মধ্যে পড়ে। এটি সিনেমা শতবর্ষ ভবনে আয়োজন করা হয়। ২০১৩-১৪ য় সি.সি.বি ছ’ সপ্তাহ ব্যাপী ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সের আয়োজন করে। এই কর্মকাণ্ডে ৪৯ জন অংশগ্রহণ করেন এবং ২.৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়। ২০১৪-১৫-তেও এই কোর্সটি প্রতিবছরের মত অনুষ্ঠিত হবে। উত্তরবঙ্গে প্রায় একই রকম একটি কোর্স করানোর কথা প্রস্তাবিত হয়েছে। • কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব • ২০১৩ এর ১০-১৭ নভেম্বর ১৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। অতুলনীয় সাড়া পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই উৎসবের উদ্বোধনী এবং সমাপ্তি অনুষ্ঠান অকুস্থলে উপস্থিত দর্শক এবং টেলিভিশনের দর্শকদের দ্বারা উচ্চ প্রশংশিত হয়েছে। উৎসবে ৬০টি দেশের ১৮৭টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। এর জন্য সরকারি বাজেটে বরাদ্দ ছিল ২.০৮ কোটি টাকা। এই প্রথমবার কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হবে প্রতিযোগিতামূলক। ২০১৪-য় সূচনা করা হবে ‘শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র’ এবং ‘শ্রেষ্ঠ নির্দেশক’ প্রতিযোগিতার। সমাগত বছরগুলিতে বাকি বিভাগগুলির সূচনা করা হবে। • কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসব • ২০১৩-এর ২০-২৮ ডিসেম্বরে নন্দন, রবীন্দ্রসদন ও শিশিরমঞ্চে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ কলকাতা আন্তর্জাতিক শিশু চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করেছিল। এই উৎসবে ১৮৬টি শিশু চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। • ফিল্ম আর্কাইভ • ফিল্ম আর্কাইভ চলচ্চিত্র পরিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সত্যজিৎ রায় নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোর পাশাপাশি মূল পান্ডুলিপি, চিত্রনাট্য, পোষ্টার এবং এই প্রবাদপ্রতিম চলচ্চিত্র নির্দেশকের বিভিন্ন সিনেমার স্থিরচিত্র এই আর্কাইভে সংরক্ষিত আছে। ঋতুপর্ণ ঘোষ এবং মহানায়ক উত্তমকুমারের চলচ্চিত্র সমূহও সংরক্ষণ করবে এই আর্কাইভ। বর্তমানে আর্কাইভে ২৪৫টি ডকুমেন্টারি এবং স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি ও ১৪০টি ফিচার ফিল্ম সংরক্ষিত হয়েছে। ২০১৪-১৫-য় তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রগুলির ডিজিটাইজিং প্রিন্ট এবং সংরক্ষণের প্রকল্প গ্রহণ করেছে। • রূপকলা কেন্দ্র • পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক মানুষের সামাজিক চাহিদা এবং সাফল্যের কাহিনী তুলে ধরেছে এমন চলচ্চিত্রগুলির সংরক্ষণের কাজে এখন ব্যাপৃত রূপকলা কেন্দ্র। ইন্দো-ইতালিয় উদ্যোগে এই কাজ চলছে)। ভিডিওগ্রাফিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রসিদ্ধ রূপকলা কেন্দ্রে নির্দেশনায় ২ বছর ব্যাপী ৬টি স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স করানো হয়। এগুলি হল – মোশন পিকচার্স ফোটোগ্রাফি, সম্পাদনা, সাউন্ড ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট কমিউনিকেশন এবং অ্যানিমেশন ক্রিয়েশন ও নির্দেশনা। (প্রতিটি ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি এবং সহায়ক গ্রন্থের সাহায্য পাওয়া যায়। ২০১৪-১৫-য় পরিবর্তিত প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই কেন্দ্র বেশ কিছু আধুনিক যন্ত্রপাতি এবং উপকরণ আনানোর ব্যবস্থা করবে। • পুরনো এবং গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রের সংরক্ষণ এবং ডিজিটাইজেশন • চলচ্চিত্র প্রেমিক এবং সমালোচকদের আর্কাইভ এবং শিক্ষা সংক্রান্ত সুযোগসুবিধা প্রদান ছাড়াও চলচ্চিত্র শতবর্ষ ভবনের মূল উদ্দেশ্য হল পুরনো গুরুত্বপূর্ণ সেলুলয়েড চলচ্চিত্রগুলির ডিজিটাইজেশন করা। বহু প্রথিতযশা ব্যক্তিত্বের প্রায় ১০,০০০ চলচ্চিত্র আর্কাইভে সংরক্ষিত আছে। রাধা স্টুডিওর ইতিমধ্যেই সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই এখানে কাজ শুরু হবে। ভবনের সন্নিহিত প্রেক্ষাগৃহটির নির্মানের কাজও শেষ হয়েছে। এটি চালু করতে শব্দ এবং দৃশ্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্র সামগ্রী ক্রয় করে শীঘ্রই স্থাপন করা হবে। • সিনেমা এবং টেলিভিশন শিল্পী ও শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা • ২০১৩-১৪ য় চলচ্চিত্র এবং টেলেভিশন শিল্পী, শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য নতুন স্বাস্থ্যবিমা যোজনা চালু করা হয়েছে। এই বিমা যোজনায় বার্ষিক ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যেতে পারে। এখনও পর্যন্ত ১৩,৬৮২ জন উপভোক্তা এই বিমা যোজনার আওতায় নথিভুক্ত হয়েছেন। • পুরাতত্ত্ব এবং মিউজিয়ম পরিদফতর • ১০৮টি স্মৃতিস্তম্ভ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রিজারভেশন অফ হিস্টোরিক্যাল মনুনেন্টস অ্যান্ড অবজেক্টস অ্যান্ড এক্সক্যাভেশন অফ আর্কিওলজিক্যাল মিউজিয়ম অ্যাক্ট ১৯৫৭ অ্যান্ড রুল ১৯৬৪’ র আওতাভুক্ত স্থানসমূহের সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদপ্তর হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার পুরাতত্ত্ব ও মিউজিয়ম পরিদপ্তর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পুরাতত্ত্ব এবং মিউজিয়মে সাতটি ডিসপ্লে গ্যালারি আছে যেখানে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়কে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও ৬টি জেলা মিউজিয়ম এবং ২০টি গ্রামীণ মিউজিয়মকে আর্থিক এবং কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়। ২০১৪-১৫ য় পুরাতাত্ত্বিক সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণ করেছে এই পরিদপ্তর। • অনুসন্ধান এবং খনন • ১) পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন থানা এলাকার মোগলমারিতে খনন করে ষষ্ঠ শতাব্দীর বৌদ্ধ সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে গুপ্তযুগের বিভিন্ন হস্তনির্মিত বস্তু। • ২) পশ্চিম মেদিনীপুরে সুবর্ণরেখা উপত্যকা এবং মুর্শিদাবাদের অহিরণে অনুসন্ধানের কাজ গ্রহণ করা হবে। • সংরক্ষণ • ২০১৪-১৫ য় মোগলমারিতে খনন করে সন্ধান পাওয়া বৌদ্ধ মঠের সংরক্ষণের প্রকল্প নেওয়া হবে। রাজ্যের বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভগুলির সংরক্ষণের প্রকল্প ১৩তম ফিনান্স কমিশন প্লানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হুগলীর আন্তপুরে রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সংরক্ষণের কাজ এই বছরও চলবে। সংগ্রহশালা ক) স্টেট আর্কিওলজিক্যাল সংগ্রহশালা- স্টেট আর্কিওলজিক্যাল সংগ্রহশালার নতুন ভবনে রয়েছে ৭টি গ্যালারি। পি.ডব্লিউ.ডি. বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য কাজ সম্পন্ন করলে ভবনের তিনতলায় এছাড়াও চারটি নতুন গ্যালারি খোলা হবে। ভালোভাবে সংগ্রহশালাকে সংরক্ষণের জন্য গবেষণাগারের সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকেও উন্নততর করা হবে। পুরাতাত্ত্বিক সামগ্রীর নথিভুক্তকরণের প্রকল্পও গ্রহণ করা হবে। খ) জেলা সংগ্রহশালা- জেলা সংগ্রহশালাগুলিকে রাজ্য সরকার নিয়মিত কারিগরি এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে দেখাশোনা করে। এগুলি হল – ১) বিষ্ণুপুরে আচার্য্য যোগেশ চন্দ্র পুরাকীর্তি ভবন (বাঁকুড়া জেলা সংগ্রহশালা) ২) মালদায় মালদা জেলা সংগ্রহশালা ৩) বালুরঘাটে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সংগ্রহশালা ৪) রায়গঞ্জে উত্তর দিনাজপুর জেলা সংগ্রহশালা ৫) জিয়াগঞ্জে মুর্শিদাবাদ জেলা সংগ্রহশালা এবং ৬) বাগনান আনন্দ নিকেতন কৃতীশালা (হাওড়া জেলা সংগ্রহশালা)। গ) আঞ্চলিক সংগ্রহশালা- রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের জেলা সংগ্রহশালাগুলি ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ইতিহাসকে তুলে ধরতে স্থানীয় বাসিন্দা ও এনজিওগুলির সহায়তায় গড়ে ওঠা বেশকিছু গ্রামীণ সংগ্রহশালা রয়েছে। এগুলিকেও নিয়মিত বার্ষিকভাতা দেয় রাজ্য সরকার। ঘ) সাইট সংগ্রহশালা- ২০১৪-১৫ য় পুরাতাত্ত্বিক খননস্থানগুলিতে বেশ কিছু সাইট সংগ্রহশালা গড়ে তোলা হবে। এগুলি হল- ১) উত্তর ২৪ পরগণায় চন্দ্রকেতুগড় ২) পুরুলিয়ার পাকবিরা ৩) বর্ধমানের মঙ্গলকোট ৪) মালদার জগজীবনপুর এবং ৫) পশ্চিম মেদিনীপুরের মোগলমারি। মোগলমারি এবং পাকবিরার সংগ্রহশালা নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই অর্থ নিশ্চিত করা হয়েছে। • স্মৃতিসৌধ নির্মাণ • মুর্শিদাবাদের পলাশীর ঐতিহাসিক যুদ্ধপ্রান্তর এবং নদীয়ার চৌগাছিতে দীনবন্ধু মিত্রের বাড়িতে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে। • গবেষণা এবং প্রকাশনা • এই পরিদফতরের পক্ষ থেকে নিয়মিত বই, অ্যালবাম, খননের রিপোর্ট এবং জার্নাল প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক পুরাতাত্ত্বিক কার্যকলাপকে সামনে রেখে বক্তৃতা, সেমিনার এবং কর্মশালার আয়োজনও করা হয়। কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শহরে এই পরিদফতরের পক্ষ থেকে প্রদর্শনী, সচেতনতামূলক প্রচার এবং extra mural activity-র আয়োজন করা হয়। জগজীবনপুরের পাথরের ভাস্কর্য এবং টেরাকোটার ফলকের ক্যাটালগ যা এখন স্টেট আর্কিওলজিক্যাল মিউজিয়মে রয়েছে তা এই বছরের মধ্যে প্রকাশিত হবে। পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশন ২০১৪-র ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশন ১৬৬টি স্থানকে হেরিটেজ সাইট ঘোষণা করেছে। ২০১১-র জুন থেকে ১৩টি হেরিটেজ সাইটের পুণরুদ্ধার ও সংরক্ষণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ১৩টির মধ্যে ১০টি প্রকল্পের কাজ ২০১৪-র ফেব্রুয়ারির মধ্যে শেষ হয়েছে। বাকি ৩টি প্রকল্পের কাজও শীঘ্রই সম্পন্ন হবে। এটি উল্লেখযোগ্য যে, ভগিনী নিবেদিতার স্মৃতিধন্য রায়ভিলাকে পশ্চিমবঙ্গ হেরিটেজ কমিশন হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণা করেছে। ২০১৩-র ২২ নভেম্বর কমিশন ডেনমার্কের জাতীয় মিউজিয়ম এবং হুগলি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে যৌথভাবে একটি কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালার বিষয় ছিল – ‘শ্রীরামপুরে ঐতিহ্যের সংরক্ষণ এবং পর্যটনের প্রসার’। ডেনমার্ক এই সাইটের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং তারা আরও যৌথ প্রকল্প, প্রশিক্ষণ শিবির ইত্যাদি করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ডাচ সরকারও হেরিটেজ কমিশনের কর্মশালায় যোগদান করেছে এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। হেরিটেজ কমিশন বর্তমানে অর্থনৈতিক স্বশাসন লাভের উদ্দেশ্যে ওয়েস্টবেঙ্গল হেরিটেজ অ্যাক্ট ২০০১ এ সংশোধনী আনার ব্যাপারটি খতিয়ে দেখছে। সূত্র: পশ্চিমবঙ্গে সরকার