হোম / ই-গভর্ন্যান্স / মোবাইল গভর্নেন্স / অ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

অ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি

এখানে অ্যান্ড্রয়েড ও তার কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড কী?

অ্যান্ড্রয়েড হলো স্মার্টফোনের জন্য তৈরি এক ধরনের অপারেটিং সিস্টেম। এই অপারেটিং সিস্টেমে মিডলওয়্যার (একাধিক অ্যাপ্লিকেশনের মধ্যে সহজ যোগাযোগের জন্য মিডলওয়্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে) ও কিছু বিল্ট-ইন অ্যাপ্লিকেশনও রয়েছে।

অপারেটিং সিস্টেম কাকে বলে ?

অপারেটিং সিস্টেম বলতে বোঝায় কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনাকারী কতকগুলি কম্পিউটার প্রোগ্রামের সমষ্টিকে। অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর থেকে ইনপুট নেয় এবং বিভিন্ন কাজ ও কম্পিউটারে অভ্যন্তরীণ সিস্টেমকে পরিচালনা করে ব্যবহারকারী ও অন্যান্য প্রোগ্রামকে পরিষেবা দেয়।

অ্যান্ড্রয়েড পরিচিতি

মনে রাখতে হবে, অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কোনও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (লেখালিখি, ছবি আঁকা ইত্যাদি দৈনন্দিন কাজের জন্য যে সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বলে) চলবে না। অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলি তৈরি করা হয়। নির্দিষ্ট একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নির্দিষ্ট একটি অপারেটিং সিস্টেমের উপরই ভিত্তি করে চলে। তবে আজকাল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলি এমন ভাবে তৈরি করা হয় যাতে মোটামোটি সব অপারিটং সিস্টেমই সেগুলো চলে। ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার যেমন, উইন্ডোজ এক্সপি, ভিসতা, উইন্ডোজ ৭, ম্যাক ওএস, লিনাক্স নামের বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে চলে তেমনি স্মার্ট মোবাইল ফোনও (স্মার্টফোন) অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলে। এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারে নিয়ে আসে গুগল। স্মার্টফোনের আরও কিছু অপারেটিং সিস্টেম, নোকিয়ার সিম্বিয়ান, অ্যাপলের আইওএস, মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ফোন ইত্যাদি।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন বা অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস

আমরা কম্পিউটারে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। যে সফটওয়্যারগুলির সাহায্যে আমরা ব্যবহারিক কাজ করে থাকি। প্রতিটি আলাদা অপারেটিং সিস্টেমের প্লাটফর্ম অনুযায়ী অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। যেমন উইন্ডোজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার ম্যাক বা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে চলবে না। তেমনি আইফোনের জন্য তৈরি সফটওয়্যার অ্যান্ড্রয়েডে চলবে না। অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলে এমন সফটওয়্যার, গেম, উইজেট বা অ্যাপসগুলোই হল অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন বা  সংক্ষেপে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড

কী ভাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড করবেন?

গুগলে “অ্যানড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোড” নামে সার্চ দিতে অসংখ্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডাউনলোডের লিঙ্ক চলে আসবে। কিন্তু সব জায়গা থেকে অ্যাপস ডাউনলোড করে আপনার ফোনে ইন্সটল করে অনেক রকম ঝামেলায় পড়তে পারেন, এমনকী আপনার স্মার্টফোনটি সারা জীবনের জন্য ডেড (অকেজো) হয়ে যেতে পারে। তাই না জেনে বা বুঝে যে কোনও ওয়েবসাইট বা লিঙ্ক থেকে অ্যাপস ডাউনলোড না করে গুগল প্লে থেকে সরাসরি ইনস্টল করে নেওয়া ভালো। অ্যান্ড্রয়েড ফ্রি অ্যাপস ডাউনলোড করতে প্রথমে জিমেল বা গুগললগ-ইন করতে হবে। এর পর গুগুল ডট কম–এ গিয়ে গুগল প্লে সিলেক্ট করতে হবে। সেখান থেকে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে টপ ফ্রি বাটনে ক্লিক করতে হবে। যে সব অ্যাপস ফ্রি ডাউনলোড করা যাবে শুধু সেগুলো দেখা যাবে। তবে এভাবে শুধুমাত্র অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকেই ডাউনলোড করা যাবে। এটা ঠিক ডাউনলোড নয়, অ্যাপসটি আপনার ফোনে সরাসরি ইনস্টল হয়ে যাবে।

কম্পিউটার থেকে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ইনস্টল করার পদ্ধতি

  • প্রথমে আপনার ফোনের ইন্টারনেট এবং কম্পিউটারের ইন্টারনেট কানেকশন নিন। দু’টিতেই ইন্টারনেট কানেকশন থাকা বাধ্যতামূলক। ফোনে মোবাইল নেটওয়ার্ক বা ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই কানেকশন (ওয়াই-ফাই জোন) থাকাই ভালো।
  • এর পর আপনার ফোন থেকে জিমেল বা গুগল লগ-ইন করতে হবে। লগ-ইন হয়ে গেলে এক্সিট না দিয়ে সরাসরি বের হয়ে আসুন (অথবা না বের হলেও ফোনে আর কোনও কাজ না করাই ভালো)।
  • এর পর কম্পিউটার দিয়েও জিমেল বা গুগল লগ-ইন করতে হবে। এখানে লক্ষণীয় যে, আপনি যে গুগল বা জিমেল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ফোনে লগ-ইন করেছিলেন, ঠিক ঐ অ্যাকাউন্ট দিয়েই কম্পিউটার থেকে লগ-ইন করতে হবে।
  • কম্পিউটারে যে ব্রাউজার থেকে গুগল লগ-ইন করেছে, ঐ ব্রাউজার থেকে google.com –এ প্রবেশ করে প্লেতে ক্লিক করুন।
  • এখানে ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে টপ ফ্রি তে ক্লিক করুন। এ বার যে অ্যাপ-টি আপনার পছন্দ হয় সেটিতে ক্লিক করলে সবুজ রঙের বক্সে ইনস্টল লেখা আসবে। ইন্সটল বাটনে ক্লিক করে যে উইন্ডো আসবে সেটির নীচের দিকে দেখুন লেখা আসবে ডিভাইস – ফোন। এ বার কনফার্ম/ ইন্সটল বাটনে ক্লিক করলে লেখা আসবে “কনগ্র্যাচুলেশন! ‘অ্যাপস-টির নাম’ উইল বি ইনস্টলড অন ইয়োর ডিভাউস সুন”।  এখানে ‘ওকে’ করলে কিছু ক্ষণ পরে দেখবেন আপনার ফোনে অ্যাপস-টি ইনস্টল হচ্ছে।
  • এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, যদি আপনার নির্বাচিত অ্যাপস-টি আপনার ফোনে চলার মতো না হয় বা ঐ অ্যাপস আপনার অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন সাপোর্ট না করে, তবে যখন আপনি অ্যাপস-টি সিলেক্ট করবেন তখনই ইনস্টল বাটনের নীচে “This app is incompatible with your device.” লেখাটি দেখতে পারবেন।
  • এ ভাবে অ্যাপস ইনস্টল করলে আপনার ফোনের ব্যাটারিও কিছুটা বাঁচাতে পারবেন এবং আপনার ইন্টারনেট ব্রাউজিং খরচও বেঁচে যাবে।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের রুট

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের রুট কী?

রুট শব্দটা এসেছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে। লিনাক্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে যাদের রুট প্রিভিলেজ বা সুপারইউজার পারমিশন আছে তাদেরকে রুট ইউজার বলা হয়। অ্যান্ড্রয়েড তৈরি হয়েছে লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম থেকে। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে রুট পারমিশন মানে সিস্টেম ফাইল এডিট করার অনুমতি আদায় করাকে রুট করা বলে। অর্থাৎ আপনি চাইলে সিস্টেম ফাইলকে নিজের ইচ্ছামতো এডিট করে নিতে পারবেন। এটাকে ফোন হ্যাক করাও বলা যেতে পারে।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট না থাকার কারণ?

আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে ফোনের কেন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পারমিশন “আদায়” করে নিতে হবে? কেন ইচ্ছা করলেই একটা ফাইল ডিলিট করতে পারবেন না? ফোন ম্যানুফ্যাকচাররা আপনাকে অনেক সুবিধা দিলেও কিছু সুবিধা/পারমিশন তারা দেয় না। এটা করা হয় আপনার ভালোর জন্যই। কারণ আগে থেকে আপনাকে ফোনের মধ্যে যা ইচ্ছা তাই করার অনুমতি দেওয়া থাকলে দেখা যাবে আপনি গুরুত্বপূর্ণ একটা সিস্টেম ফাইল ডিলিট করে ফেলতে পারেন, অথচ আপনি শুধু চেয়েছিলেন আপনার ফোন মেমোরি বাড়াতে বা অন্য কিছু করতে। কিন্তু ওই ফাইলটি ডিলিট করার কারণে আপনার ফোনটি কার্যত অকেজো হয়ে গেল। এ ছাড়া আপনি কাস্টমাইজ করতে গিয়ে বা রম ইনস্টল করতে গিয়ে ভুল করলে ফোন ব্রিক (নষ্ট) করে ফেলতে পারেন। এ ছাড়া ভাইরাস বা ম্যালওয়ারের ঢুকে যেতে পারে। কারণ রুট পারমিশন পেলে আপনি যা ইচ্ছা তাই ইনস্টল করতে পারেন, যার কারণে ম্যালওয়ার ফোনে ঢুকে পড়তে পারে। আপনার ফোনের গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য নষ্ট করা বা পাচার করে দিতে পারে। সাধারণ ভাবে অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ডাউনলোড করার কারণে কমপিউটারে ম্যালওয়্যার ঢুকে যেতে পারে। প্যাচ এবং কী-জেন ব্যবহার করে সফটওয়্যার আনলক করলে আপনার কমপিউটারে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করতে পারে। তাই প্যাচ এবং কি-জেন করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রুট করার উপকারিতা

রুট করার পর আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আপনি এমন সব কাজ করতে পারবেন, যেগুলো করার পর আপনি আপনার নিজের ফোনটিই চিনতে পারবেন না। যা যা করতে পারবেন ---

  • কাস্টম রম (Custom ROM): অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা এটাও হয়ত শুনে থাকবেন যে অনেকে কাস্টম রম (Custom ROM) ইনস্টল করে। অনেকে হয়ত কাস্টম রম ইনস্টল করা ফোন দেখে মনে মনে ভেবেছেন আপনিও করবেন। তা হলে আপনাকে রুট করতেই হবে। কাস্টম রম ইনস্টলের প্রধান শর্ত আপনাকে রুট করতে হবে। রম হচ্ছে ‘রিড অনলি মেমরি’ যা আপনার ডিভাইসটিকে চালায়। ইন্টারনেটে অনেক কাস্টম রম পাবেন যা আপনার ফোনকে শুধু দৃষ্টিনন্দন করে তুলবে তা-ই নয়, ফোনের পারফরম্যান্সও বাড়িয়ে তুলবে। কাস্টম রম ডেভেলপারদের মধ্যে CyanogenMod, Team Rouge, Team EOS, ParanoidAndroid, MIUI ইত্যাদির নাম বেশি শোনা যায়। আপনি ইচ্ছা করলে রম ম্যানেজার দিয়ে আপনার ফোনের সাথে কম্প্যাটিবল (যেটি আপনার ফোনের সাথে মেলে) রম ডাউনলোড করে নিতে পারেন। আর রম খোঁজার জন্য গুগল প্লে থেকে গুম্যানেজার ও রমম্যানেজার ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারেন।
  • কাস্টম থিম (Custom Theme): থিম মানে আপনার ফোন যে গ্রাফিক্সটা প্রদর্শন করছে তা পরিবর্তন করার জন্যও আপনাকে রুট করা লাগতে পারে।
  • লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন (Latest Android Version): অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ফোনের ম্যানুফ্যাকচারার ফোনের জন্য আপডেট বন্ধ করে দেয়। যেখানে সবাই অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন পাচ্ছে সেখানে হয়ত আপনাকে আইস-ক্রিম স্যান্ডুইচ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আপডেট বন্ধ করার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকলেও আপনি কেন অ্যান্ড্রয়েডের পুরোনো ভার্সন নিয়ে পড়ে থাকবেন। নতুন ভার্সন আপনার ফোনে সেটা ইনস্টল করতে চাইলে, রুট করতে হবে।
  • কাস্টম কার্নেল (Custom Carnal): অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস রম দিয়ে চললেও, কাজগুলোর কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয় কার্নেলের মাধ্যমে। আপনি যখন ফোনের স্ক্রিনে টাচ করেন তখন টাচ পয়েন্টের কো-অরডিনেট বা কোথায় টাচ করেছেন সে তথ্য যায় কার্নেলে। কার্নেল তখন সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনকে টাচ অনুযায়ী কাজ করতে বলে। এর থেকেই বোঝা যায় কার্নেল কত জরুরি। আপগ্রেডেড কার্নেল ব্যবহার করে আপনার ফোনের পারফরম্যান্স বাড়ানো সম্ভব।
  • ব্যাটারি এবং ফোন স্পিড কন্ট্রোল (Battery and Phone Speed Control): রুট করার পরে যদি কাস্টম রম ইনস্টল করেন তবে আপনার ফোন কী ভাবে চালাবেন অর্থাৎ সিপিউ ইউসেজ কেমন চাইছেন তার কিছু অপশন পাবেন যেমন -- গভর্নর, পারফরমেন্স ইত্যাদি। এগুলোর মাধ্যমে আপনার ফোনের সর্বোচ্চ স্পিড সর্বনিম্ন ব্যাটারি খরচে পেতে পারেন। এ ছাড়া ওভারক্লক করে স্পিড বাড়াতে পারেন (ব্যাটারি বেশি খরচ হবে) অথবা আন্ডারক্লক করে দিতে পারেন (ব্যাটারি কম খরচ হবে)। এ ছাড়াও রুট করার পর গুগল প্লে থেকে No-frills CPU বা Tegrak Overlock অ্যাপসগুলো ইনস্টল করে এগুলো দিয়ে এই কাজগুলো করতে পারবেন।
  • ব্যাকআপ তৈরি (Backup Making): রুট করার সব চাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে ব্যাকআপ তৈরি করা। গুগল হয়ত কিছু ব্যাকআপ সুবিধা দেয় কিন্তু সেটা কন্ট্যাক্টস, ক্যালেন্ডার, জি-মেল পর্যন্তই। রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইসের সফটওয়্যারের একটা হুবহু কপি করে রাখতে পারবেন অ্যাপ্লিকেশন সেটিংস সহ। ধরুন রুট করার পর রম আপগ্রেড করবেন বা কাস্টম রম ইনস্টল করতে মন চাইল। ইনস্টল করার পরে দেখলেন ভালো লাগছে না। তখন ব্যাকআপ করা থাকলে সেই ফাইলটি ফ্ল্যাশ করলেই আপনার ডিভাইস ঠিক আগের মতো অবস্থায় ফিরে যাবে। আপনার মেমোরি কার্ডের ফাইলগুলো পর্যন্ত ফিরে পাবেন একই রকম ভাবে। এ জন্য রুট করার পর যা কিছু করার আগে ব্যাকআপ করে নিন। যদি অ্যাপস ব্যবহার করে ব্যাকআপ করতে চান তা হলে টাইটেনিয়াম ব্যাকআপ অ্যাপটি দিয়ে করতে পারেন। আর যদি কাস্টম রিকভারি ইনস্টল করে থাকেন (কাস্টম রম ইনস্টল করতে গেলে, কাস্টম রিকভারি অবশ্যই ইনস্টল করতে হয়) তা হলে সেখান থেকেও ব্যাকআপ করতে পারেন
  • মেমোরি ম্যানেজমেন্ট (Memory Management): রুট করার পর আপনার ফোনের অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করতে পারবেন, ফোন মেমোরি থেকে স্টক অ্যাপস মেমোরি কার্ডে নিতে পারবেন। আপনার ফোন মেমোরি যত ফাঁকা করতে পারবেন ততই স্পিড বাড়বে (এ জন্য পুরা মেমোরি ফাঁকা করা যাবে না। অনুগ্রহ করে না বুঝে কোনও ফাইল ডিলিট করবেন না)।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড ব্যাটারির রিডিং পাঠ

প্রথম কথা হচ্ছে আপনার ফোনে যে ব্যাটারি রিডিং দেখাচ্ছে তা ঠিক নয়। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই ভুল পাঠ দেখায়। আগেকার ফোনগুলোতে চার্জ থাকত অনেক বেশি সময়। কারণ ফোনগুলোর চার্জ হওয়ার ধরন ছিল অন্য রকম। ফুলচার্জ হওয়ার পর ফোনের বিদ্যুৎপ্রবাহ পরিবর্তন হয়ে সর্বোচ্চ চার্জ ধরে রাখার ব্যবস্থা করত। এতে চার্জ হয়ত বেশিক্ষণ থাকত কিন্তু ব্যাটারি লাইফ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যেত।

কিন্তু এখনকার স্মার্টফোনগুলো এমন ভাবে তৈরি যেন ব্যাটারি লাইফ বেশি দিন থাকে। এ জন্য ফুল চার্জ হওয়ার পর ব্যাটারি আর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নেয় না। ততটুকুই নেয় ফুল চার্জ শো করতে যতটুকু দরকার।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার উপায়

ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার জন্য আপনি যে কাজগুলো করতে পারেন তা হচ্ছে ---

  • অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলো বন্ধ করে দিন (Settings> Apps)। এ জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাসিসটেন্ট বা কোনও টাস্ক কিলার অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।
  • ব্যাটারি মনিটর করুন (Settings > Battery)। দেখুন কোন অ্যাপস বেশি ব্যাটারি টানছে।
  • নেটওয়ার্ক যেমন, ওয়াইফাই (Settings > Wifi), 3G/4G (Settings > Mobile Networks), হটস্পট, টেথারিং প্রভৃতি দরকার না থাকলে বন্ধ করে রাখুন। সবসময় 2G Network ব্যবহারের চেষ্টা করুন (Settings > Mobile Networks)
  • অপ্রয়োজনে ব্লুটুথ, ওয়াই ফাই অন করে রাখবেন না (Settings > Bluetooth)
  • ফোনের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন (Settings > Display > Brightness)। পারলে অটো ব্রাইটনেস দিয়ে রাখুন।
  • ফোনের জিপিএস (Settings>Location services) অথবা সিঙ্ক/সিঙ্ক্রোনাইজেশন(Settings > Accounts & sync) বন্ধ রাখুন।
  • ডিসপ্লে টাইম আউট যথা সম্ভব কম রাখুন।
  • পাওয়ার কন্ট্রোল শর্টকাট/উইডগেট ব্যবহার করুন।
  • ব্যাকগ্রাউন্ড হিসেবে “কালো” ব্যবহার করুন।
  • ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ইনস্টল করুন।
  • আপনার ফোনের ব্যাটারির ফুল চার্জ হয়ে গেলে চার্জার খুলে আবার চার্জে দিন। এর ফলে ব্যাটারি আরও বেশি চার্জ গ্রহণ করে। তবে এর ফলে ব্যাটারির ক্যাপাসিটি যেমন কমে যায়, তেমনি ব্যাটারির লাইফটাইম কমে যায়।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে ও অ্যান্ড্রয়েডের এপিআই

অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে বলতে কী বোঝায়? যারা এই এসডিকে শব্দটি শুনেছেন তাদের কাছে এটি নতুন কিছু নয়। তবে অনেকের কাছেই এসডিকে কী তা নিয়ে ধোয়াশা রয়েছে। কাকে বলে এসডিকে? তা নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে কী?

অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে(সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট), যার সাহায্যে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বা প্লাটফর্মের জন্য অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা হয়। অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে-এর মধ্যে সোর্স কোড সহ স্যাম্পল প্রজেক্ট, ডেভেলপমেন্ট টুলস, ইমুলেটর এবং অ্যান্ড্রয়েড প্রজেক্ট বিল্ড করার জন্য প্রয়োজনীয় লাইব্রেরি রয়েছে।লাইব্রেরি থেকে এগুলিকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা যায়। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপলিকেশন জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে লেখা হলেও অ্যান্ড্রয়েড এসডিকে সাহায্যে বিল্ড করা হয়। অ্যাড্রয়েডে এপিআই-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যারা অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করেন তাদের এ সম্পর্কে জেনে নেওয়া ভাল। কাকে বলে এপিআই, এর কার্যকারীতাই বা কী, তা নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েডের এপিআই কী?

এপিআই হল, অ্যাপলিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অ্যাপলিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস হল এমন একটি ইন্টারফেস যা কোনও কম্পিউটার, লাইব্রেরি অথবা অ্যাপলিকেশন অন্য অ্যাপলিকেশনকে বিভিন্ন সার্ভিস দেওয়ার জন্য বা ডেটা বিনিময়ের জন্য প্রদান করে হয়ে থাকে।

কোনও অ্যাপলিকেশনের এপিআই-এর প্রধান কাজ হল কী?

কীভাবে একটি কম্পিউটার অ্যাপলিকেশন বা এক জন সফটওয়্যার ডেভেলপার ঐ অ্যাপলিকেশনের বিভিন্ন ফাংশনের অ্যাকসেসের পদ্ধতিকে বর্ণনা করা। এর জন্য ঐ অ্যাপলিকেশনের ফাংশনের সোর্স কোড অ্যাকসেস করার বা সোর্স কোডের পূর্ণ ব্যাখ্যা জানার প্রয়োজন পড়ে না। এপিআই একটি অ্যাবস্ট্রাক্ট ধারণা, যে হেতু এটি একটি ইন্টারফেস।

কম্পিউটার প্রোগ্রামাররা প্রায়ই অপারেটিং সিস্টেমের এপিআইকে মেমোরি বণ্টন এবং ফাইল অ্যাকসেস করতে ব্যবহার করেন। বিভিন্ন সিস্টেম ও অ্যাপলিকেশন এপিআই–এর সুবিধা দেয়। এদের মধ্যে গ্রাফিক্স সিস্টেম, ডেটাবেজ, নেটওর্য়াক, ওয়েব সার্ভিস এমনকী কম্পিউটার গেমস উল্লেখযোগ্য।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন পরিচিতি

অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন সংস্করণ (ভার্সন) রয়েছে। অ্যান্ড্রয়েডের আসল ভার্সনের প্রকাশের পূর্বে বেশ কিছু আপডেট দেখা যায়। এই সব আপডেটগুলো মূল অপারেটিং সিস্টেমে চলার আগে পরীক্ষামূলক ভাবে দেখা হচ্ছিল। এই পরীক্ষামূলক ভাবে দেখার সময় যেখানে বিভিন্ন বাগ (সফটওয়্যারের ভুল) ছিল সেগুলি ঠিক করা হয় এবং নতুন ফিচার যোগ করা হয়। সাধারণত, নতুন প্রত্যেকটি ভার্সনের কোড নাম থাকে এর উল্লেখ্যযোগ্য পরিবর্তন এবং বাগ ঠিক করার উপর। আগের আপডেটগুলোর মধ্যে আছে কাপকেক এবং ডোনাট। কোড নামগুলো আবার বর্ণানুক্রিম ভাবে সাজানো যেমন কাপকেক, ডোনাট, ইক্লিয়ার, ফ্রোয়ো, জিঞ্জারব্রেড, হানিকম্ব, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিন। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ ভার্সনটি জিনজারব্রেড এবং হানিকম্বের সমন্বয়ে তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম যাকে ‘কোহেসিভ হোল’ বলা হচ্ছে।

অ্যান্ড্রয়েডের বিভিন্ন ভার্সন

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন

 

ভার্সনের নাম

 

প্রকাশের তারিখ

 

এপিআই লেভেল

 

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৪.

 

জেলি বিন

 

২৪ জুলাই, ২০১৩

১৮

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৪..

 

জেলি বিন

 

১৩ নভেম্বর, ২০১২

১৭

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৪..

 

জেলি বিন

 

৯ জুলাই, ২০১২

১৬

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৪..-..

 

আইসক্রিম স্যান্ডউইচ

 

১৬ ডিসেম্বর, ২০১১

১৫

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৩.

 

হানিকম্ব

 

১৫ জুলাই, ২০১১

১৩

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ৩.

 

হানিকম্ব

 

১০ মে, ২০১১

১২

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ২..-..

 

জিনজারব্রেড

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

১০

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ২.-..

 

জিনজারব্রেড

৬ ডিসেম্বর, ২০১০

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ২.

 

ফ্রোয়ো

 

২০ মে, ২০১০

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ২.-.

 

এইক্লিয়ার

 

২৬ অক্টোবর, ২০০৯

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১.

 

ডোনাট

 

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৯

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১.

 

কাপকেক

 

৩০ এপ্রিল, ২০০৯

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১.

 

পেটিট ফোর

[এটি শুধু HTC Dream মডেলের মোবাইলের জন্য ছিল]

৯ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯

অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন ১.

 

এটি অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম বাণিজ্যিক ভার্সন ছিল এবং শুধু HTC Dream মডেলের মোবাইলের জন্য ছিল

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০০৮

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েডের ইতিহাস

আজকাল স্মার্ট ফোন মানে অ্যাড্রয়েড। কিন্তু কীভাবে তৈরি হয়েছিল অ্যাড্রয়েড তার ইতিহাস নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল।

অ্যান্ড্রয়েডের প্রতিষ্ঠা

অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেট প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পালো আল্টো, ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০০৩ সালের অক্টোবরে। এর প্রতিষ্ঠাতা অ্যান্ডি রুবিন (ডেনজারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা), রিচ মাইনার (ওয়াইল্ডফায়ার কমিউনিকেশনস ইনকর্পোরেটেডের সহ প্রতিষ্ঠাতা), নিক সিয়ারস (টি-মোবাইলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট) এবং ক্রিস হোয়াইট (ওয়েবটিভি’র ডিজাইন এবং ইন্টারফেস প্রধান)। যে হেতু তাঁরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ছিলেন তাই অ্যান্ড্রয়েড প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম চালাত অনেকটা লুকিয়ে। প্রতিষ্ঠান থেকে বলা হত যে তারা শুধু মোবাইলের একটি সফটওয়্যারের কাজ করছে।

অ্যান্ড্রয়েড ও গুগল

২০০৫ সালের আগস্ট মাসে গুগল অ্যান্ড্রয়েড কিনে নেয় এবং এটাকে এর অধীনস্থদের (অ্যান্ডি রুবিন, রিচ মাইনার এবং ক্রিস হোয়াইট) গুগল ইনকর্পোরেটের সহ-প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

অ্যান্ড্রয়েডের উন্নয়ন ও গুগল নিয়ে গুজব

গুগলে, রুবিন দ্বারা পরিচালিত দল মোবাইলের প্লাটফর্ম হিসেবে লিনাক্স কারনেল উন্নয়ন করে। গুগল এই প্লাটফর্মকে বাজারে ছাড়ে হ্যান্ডসেট এবং মোবাইল সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। শর্ত হিসেবে বলে যে তারা এর আপডেট বা উন্নয়ন অব্যাহত রাখবে। গুগল কিছু হার্ডওয়্যার উপাদান এবং সফটওয়্যার অংশীদারের কথা উল্লেখ করে যা অনেক ক্ষেত্রে মুক্ত।

গুগলের কার্যক্রম দেখে অনেকেই মনে মনে ভাবতে শুরু করে গুগল মোবাইল বাজারে প্রবেশ করবে (২০০৬ সালের ডিসেম্বর থেকে)। বিবিসি এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল উল্লেখ করে গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিন এবং অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ফোনে চালাতে চায় এবং তারা তা করার জন্য কাজ করছে। অনলাইন এবং কাগজে গুজব ছড়াতে থাকে যে গুগল তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট তৈরি করছে। কেউ কেউ মতামত দেয় যে যে হেতু গুগল কারিগরি দিকগুলোর কথা বলছে সে হেতু এটা মোবাইল ফোনের নমুনা উৎপাদক এবং নেটওর্য়াক অপারেটরদের দেখাচ্ছে। ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, ইনফরমেশন উইক প্রকাশ করে যে গুগল কিছু মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনকে পেটেন্ট করে নিয়েছে।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে আরও কিছু

ওপেন হ্যান্ডসেট অ্যাল্যায়েন্স

৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ওপেন হ্যান্ডসেট অ্যাল্যায়েন্স সূচিত হয় যাতে ছিল ব্রডকম কর্পোরেশন, গুগল, এইচটিসি, ইন্টেল, এলজি, মার্ভেল টেকনোলজি গ্রুপ, মটোরোলা, এনভিডিয়া, কোয়ালকম, স্যামস্যাঙ ইলেক্ট্রনিকস, স্প্রিন্ট নেক্সটেল, টি-মোবাইল এবং টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্ট। ওপেন হ্যান্ডসেট অ্যাল্যায়েন্সের উদ্দেশ্য হল মুক্ত ধরনের মোবাইল হ্যান্ডসেট প্লাটফর্ম তৈরি করা। একই দিনে, ওপেন হ্যান্ডসেট অ্যাল্যায়েন্স তাদের প্রথম পণ্য অ্যান্ড্রয়েড ছাড়ে যা লিনাক্স কারনেল ২.৬ এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।

৯ ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে, আরও ১৪ নতুন সদস্য যোগ দেয় যাতে ছিল এআরএম হোল্ডিংস, এথিরস কমিউনিকেশনস, আসুসটেক কম্পিউটার ইনকর্পোরেট, জারমিন লিমিটেড, হাওয়াই টেকনোলজিস, প্যাকেটভিডিও, সফটব্যাংক, সনি এরিকসন, তোসিবা কর্পোরেশন এবং ভোডাফোন গ্রুপ।

অ্যান্ড্রয়েড লাইসেন্স

অ্যান্ড্রয়েড পাওয়া যেত ওপেন সোর্স লাইসেন্সের আওতায় ২১ অক্টোবর ২০০৮ সাল পযর্ন্ত। এর পর গুগল তাদের পুরো সোর্স কোড ছাড়ে অ্যাপ্যাচি লাইসেন্সের আওতায়। গুগল তাদের প্রকাশিত কোডগুলোকে উন্মুক্ত করে সবার দেখার এবং মন্তব্য করার সুযোগ দেয়। যদিও সফওয়্যারটি উন্মুক্ত, তবুও মোবাইল প্রস্ততকারকরা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহার করতে পারবে না কারণ গুগলের ট্রেডমার্ক করা অপারেটিং সিস্টেমের কপি গুগল সার্টিফিকেট প্রদান করার আগ পযর্ন্ত কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বর্তমান প্রেক্ষাপট

হাতের মুঠোয় ইন্টারনেট এসেছে সে তো অনেক দিনের কথা। কিন্তু সম্প্রতি স্মার্টফোন যে ভাবে ইন্টারনেটের নতুন গতি ও ব্যবহার এনে দিয়েছে, তা সত্যিই অভাবনীয়। আর এই স্মার্টফোন জগতেই দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস।

স্মার্টফোন জগতে বর্তমানে রাজত্ব করছে অ্যান্ড্রয়েড। মূলত বিভিন্ন দামের ও আকার-আকৃতির এবং ব্র্যান্ডের কাছ থেকে অ্যান্ড্রয়েড-চালিত স্মার্টফোন সহজলভ্য হওয়ায় বাজারে এর গ্রাহকসংখ্যা বেড়ে গেছে বহু দূর। আজ প্রায় সব ধরনের বাজেটেই রয়েছে কোনও না কোনও অ্যান্ড্রয়েড ফোন। ইন্টারনেট মহারাজ গুগলের তৈরি এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম শুরুতে মোবাইল ফোনের জন্য তৈরি করা হলেও বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলছে নেটবুক, ট্যাবলেট ও গুগল টিভিতে (এ টিভিতে গুগলের সব ধরনের সেবা প্রদানের ব্যবস্থা আছে এবং এর পাশাপাশি ভিডিও দেখার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবের ভিডিও সরাসরি দেখা যায় এ টিভিতে)। আগামীতে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম রোবট চালনার কাজেও ব্যবহৃত হবে, এমন আভাস গুগল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই দিয়ে দিয়েছে।

সূত্র : http://www.online-dhaka.com/122_1327_26502_0-android-online-dhaka-guide.html

2.9375
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top