ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

পূর্বস্থলী

দুই থেকে তিন কিলোমিটার লম্বা এক অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ আর তাকে ঘিরে পরিযায়ী পাখিদের ভিড় পূর্বস্থলীকে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে জনপ্রিয় করে দিয়েছে।

বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গের একটি কৃষি প্রধান জেলা। একে পশ্চিম বঙ্গের শস্য ভান্ডার বলা হয়। ধান এ জেলার প্রধান ফসল। এ ছাড়া গম ,পাট ,আলু , পেঁয়াজ ,আখ হয়। জেলার রানিগঞ্জ আর আসানসোল কয়লাখনির জন্য প্রসিদ্ধ। দূর্গাপুরে আছে লৌহ-ইস্পাত কারখানা। জেলা সদর বর্ধমান থেকে অল্প দূরে কাঞ্চন নগর ছুরি , কাঁচির জন্য প্রসিদ্ধ। ধাত্রিগ্রাম তাঁতের কাপড়ের জন্য প্রসিদ্ধ।

এই বর্ধমানেরই অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র পূর্বস্থলী।

দুই থেকে তিন কিলোমিটার লম্বা এক অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ আর তাকে ঘিরে পরিযায়ী পাখিদের ভিড় পূর্বস্থলীকে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্রে জনপ্রিয় করে দিয়েছে। কলকাতা থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরের পূর্বস্থলীতে যেতে হলে প্রথমে পৌঁছতে হবে কৃষ্ণনগরে। সেখান থেকে চৈতন্য সেতু দিয়ে ভাগীরথী পেরোনো। ও পারে নবদ্বীপ। সেই রাস্তাই চলে গেছে পূর্বস্থলী বাজার হয়ে স্টেশন সেখান থেকে ডান দিকে ঘুরে স্টেশনের পিছন দিক দিয়ে খানিকটা গেলে সেই হ্রদ। নৌকা নিয়ে মাঝিরা অপেক্ষায়। ট্রেনেও আসা যায় এখানে। হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে কাটোয়াগামী লোকালে পূর্বস্থলী। সেখান থেকে রিকশায় চুপির চরে পৌঁছনো। গঙ্গার প্রবাহপথ পরিবর্তনের ফলে তৈরি হয়েছে এই অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ। গঙ্গার মূল স্রোতের সঙ্গে এটি যুক্ত। নৌকাযাত্রা শুরু হয় গঙ্গা থেকে, তার পর হ্রদে প্রবেশ। শীতে দেখা যাবে বিচিত্র রকমের ঝাঁক ঝাঁক পরিযায়ী পাখি। পাখি চিনতে পারলে ভালো, না পারলেও দুঃখ নেই। নৌকাভ্রমণই এক অনন্য অভিজ্ঞতা, অন্য রকম অভিজ্ঞতা। মাঝিদের সঙ্গে একটু দরাদরি করতে হবে। মনোরম এবং শান্ত পরিবেশে এসে সকলেরই মন জুড়িয়ে যাবে তা বলাই বাহুল্য। থাকা খাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা নেই, কিন্তু দিনের আলো থাকতে-থাকতে যারা বেড়িয়ে আসতে চাও, পূর্বস্থলী তাদের হতাশ করবে না। তবে গরমটা কেটে যাক, পুজোর পর থেকে পুরো শীতকালটাই উপযুক্ত সময় শহরের কোলাহল এড়িয়ে পূর্বস্থলীতে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য।

সুত্রঃ পোর্টাল কন্টেন্ট টিম

3.02941176471
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
ন্যাভিগেশন
Back to top