ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা Review in Process

আইন ও বিধিসমূহ

এই আইন ও বিধি সম্পর্কে এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করা হয়েছে।

অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন আইন, ১৯৯৩

সংক্ষিপ্ত নামপত্র, বিস্তৃতি ও সূচনা

  • এই আইনকে অনগ্রসর শ্রেণির জন্য জাতীয় কমিশন আইন ১৯৯৩ (দ্য ন্যাশনাল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস অ্যাক্ট, ১৯৯৩) বলে অভিহিত করা হয়।
  • জম্মু ও কাশ্মীর ছাড়া গোটা ভারতবর্ষে এই আইন প্রযোজ্য‌।
  • ১৯৯৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই আইন কার্যকর বলে ধরা হবে।

সংজ্ঞা

প্রসঙ্গ অন্য রকম না চাইলে, ভারত সরকারের নির্দিষ্ট তালিকা অনুযায়ী তফশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত বাদে যারা অনগ্রসর শ্রেণি হিসাবে চিহ্নিত তাদেরই এই আইন অনুযায়ী অনগ্রসর শ্রেণি হিসাবে গণ্য‌ করা হবে।

  • ‘কমিশন’ মানে ধারা ৩ দ্বারা গঠিত ন্য‌াশনাল কমিশন ফর ব্য‌াকওয়ার্ড ক্লাসেস (অনগ্রসর শ্রেণির জন্য‌ জাতীয় কমিশন)।
  • ‘তালিকা’ অর্থে বিভিন্ন সময়ে ভারত সরকারের প্রস্তুত করা তালিকা, যার উদ্দেশ্য অনগ্রসর শ্রেণির সেই সব নাগরিকের জন্য সরকারি চাকরি বা পদে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা, যারা সরকারের মতে, ভারত সরকারের চাকরিতে অথবা ভারত সরকারের অধীনে বা ভারতের ভৌগোলিক পরিসীমার মধ্যে কোনও স্থানীয় স্বশাসিত বা অন্য কোনও সংস্থায় চাকরিতে যথেষ্ট সুযোগ পাননি।
  • ‘সদস্য‌’ অর্থে চেয়্য‌ারম্য‌ান সহ কমিশনের সদস্য‌রা
  • ‘নির্দেশিত’ অর্থে এই আইনের অধীনে তৈরি বিধি দ্বারা নির্দেশিত।

আরও তথ্য‌ের জন্য‌ দেখুন: The National Commission for Backward Classes

গেজেট বিজ্ঞপ্তি/প্রস্তাব

বিভিন্ন জাতি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণি সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় তালিকাভুক্ত করার জন্য‌ যে সব গেজেট বিজ্ঞপ্তি বা রেজেলিউশন হয়েছে সে সম্পর্কে তথ্যের জন্য দেখুন: The National Commission for Backward Classes

অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন সংক্রান্ত বিধি ১৯৯৪

জি এস আর ১০০(ই)— অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন আইনের ধারা ১৭, উপধারা ২ অনুযায়ী প্রদত্ত ক্ষমতা অনুসারে কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক প্রস্তুত বিধি। যেমন—

সংক্ষিপ্ত নাম ও সূচনা

এই বিধিকে অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন (চেয়ারপারসন সহ বিভিন্ন সদস্য‌ের বেতন, ভাতা ও চাকরির অন্য‌ান্য‌ শর্ত) বিধি ১৯৯৬ বলা যেতে পারে। সরকারিভাবে গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে এই বিধি কার্যকর। এই বিধির অধীনে সংজ্ঞা (প্রসঙ্গ অন্য রকম না চাইলে)

  • ‘আইন’ মানে অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন আইন ১৯৯৩
  • ‘কমিশন’ মানে অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন।
  • ‘চেয়ারপারসন’ মানে আইনের ৩ নং ধারার ২ নং উপধারা অনুযায়ী মনোনীত চেয়ারপারসন।
  • ‘সদস্য‌’ মানে চেয়ারপারসন সহ কমিশনের সদস্য‌রা।
  • এখানে ব্যবহৃত যে সব শব্দ ও ভাবের সংজ্ঞা দেওয়া হল না, তাদের যে ভাবে আইনে ব্যবহার করা হয়েছে, সেই অর্থই ধরে নিতে হবে।

বেতন ও ভাতা

  • চেয়ারপারসন সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের বিচারপতির সমান বেতন পাওয়ার অধিকারী। তবে কত পাবেন তা নির্ভর করছে তিনি কোন পদে আগে ছিলেন তার উপর।
  • কমিশনের অন্য‌ সদস্য‌রা ভারত সরকারের সচিবদের সম হারে বেতন পাওয়ার অধিকারী।

পদ ও মর্যাদা

  • চেয়ারপারসন সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের বিচারপতির সমান মর্যাদা পাবেন। কেমন মর্যাদা তিনি পাবেন তা নির্ভর করছে আগে তিনি কোন পদে আসীন ছিলেন তার উপর। অন্য‌ সদস্য‌রা ভারত সরকারের সচিব পর্যায়ের অফিসারের মর্যাদা পাবেন।

ব্যয়-নিয়ামক ভাতা

হাইকোর্টের কর্মরত বিচারপতিরা যে ধরনের ব্যয়-নিয়ামক ভাতা পেয়ে থাকেন চেয়ারপারসন সেই ধরনের ভাতা পাবেন। এই ভাটা সময়ে সময়ে সংশোধনযোগ্য।

মূল চাকরি থেকে অবসর নিয়ে সদস্য‌ হিসাবে নিয়োগ

  • কমিশনের যে সব সদস্য‌ কমিশনের সদস্য‌ হিসাবে নিয়োগের আগে কেন্দ্র বা রাজ্য‌ সরকারের অধীনে চাকরি করছেন তাঁরা নিয়োগের দিন থেকে ওই চাকরিতে অবসর নিয়েছেন বলে ধরে নেওয়া হবে।

ছুটি

চেয়ারম্য‌ান ও সদস্য‌রা নিম্নলিখিত ছুটি পাওয়ার অধিকারী।

  • সদস্য‌রা সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস লিভ রুল ১৯৭২(সময়ে সময়ে সংশোধিত) অনুযায়ী আর্নড লিভ, হাফ পে লিভ ও কম্য‌ুটেড লিভ পাওয়ার অধিকারী।
  • অস্থায়ী সরকারি কর্মচারীদের জন্য‌ প্রযোজ্য‌ একস্ট্রা অর্ডিনারি লিভ রুলস ১৯৭২ (সময়ে সময়ে সংশোধিত) অনুযায়ী তাঁরা ছুটি পাবেন।

পেনশন

চেয়ারপারসন বা অন্য‌ান্য‌ সদস্য‌ তাদের পদে নিযুক্ত হওয়ার ছ’মাসের মধ্য‌ে অথবা যে সরকারি চাকরি তিনি করতেন তাতে অবসর নেওয়ার বয়স পর্যন্ত (যেটি আগে হবে) পেনশন ও অন্য‌ান্য‌ অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা পাবেন। তবে তার মোট পেনশনের পরিমাণ (কমিউটেড পেনশনের মূল্য‌ সহ) বর্তমান পদের বেতনের থেকে বাদ যাবে। অর্থাৎ প্রাপ্ত পেনশনের অঙ্ক বেতন বাদ দিয়ে বাকি অর্থ তিনি হাতে পাবেন।

  • চেয়ারপারসন বা যে সব সদস্য‌ নিয়োগের সময় এমন কোনও সরকারি চাকরিতে আসীন ছিলেন যেখানে তাঁরা উপধারা ১-এ নির্দিষ্ট অপশন প্রয়োগ করেননি, তা হলে তাঁরা নিয়োগের অব্যবহিত আগে যে চাকরিতে ছিলেন, সেই চাকরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী পেনশন ও অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা পাবেন।
  • যে সব সদস্য‌ বা চেয়ারপারসন এই পদে নিয়োগের অব্য‌বহিত আগে সরকারি চাকরি করতেন না তারা কোনও রকম পেনশন পাবেন না।

প্রভিডেন্ট ফান্ড

  • চেয়ারপারসন বা সদস্য‌দের মধ্য‌ে যাঁরা এই পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে সরকারি চাকরিতে জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড বা কন্ট্রিবিউটারি প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুযোগ পেতেন তাঁরা নিয়োগের পরও সেই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন যত দিন না বিধি অনুযায়ী তাঁর বয়সসীমা অতিক্রান্ত হয়। কন্ট্রিবিউটারি প্রভিডেন্ট ফান্ডের ক্ষেত্রে কমিশনে নিয়োগের আগে সরকারি চাকরিতে নিয়োগকর্তা যে অংশটুকু প্রভিডেন্ট ফান্ড কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিতেন সেই পরিমাণ অর্থই কমিশন নিয়োগকর্তা হিসাবে তহবিলে জমা দেবে।

ব্য‌াখ্য‌া

  • সদস্য‌রা অপশন গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশনে নিযুক্ত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে লিখিত ভাবে কেন্দ্রীয় সরকারকে যা জানাবেন সেটাই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
  • যাঁরা কমিশনের সদস্য‌ বা চেয়ারপারসন নিযুক্ত হওয়ার আগে কেন্দ্রীয়, রাজ্য‌ বা স্থানীয় সংস্থার চাকরিতে থাকাকালীন অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তি ও পেনশনের অপশন দিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেই পেনশন সংক্রান্ত ধারা প্রযোজ্য‌।
  • প্রভিডেন্ট ফান্ড সংক্রান্ত সমস্ত সুযোগ-সুবিধা কনট্রিবিউটারি প্রভিডেন্ট ফান্ড স্কিমের আওতায় কনট্রিবিউটারি প্রভিডেন্ট ফান্ড (ইন্ডিয়া) রুলস ১৯৬২ (সময়ে সময়ে সংশোধিত) অনুযায়ী প্রদত্ত।

সূত্রঃ The National Commission for Backward Classes

2.93181818182
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top