হোম / সমাজ কল্যাণ / অনুন্নত সম্প্রদায় কল্যাণ / অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও শ্রেণি বিভাগ
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা Review in Process

অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও শ্রেণি বিভাগ

অনগ্রসর শ্রেণির কল্যাণ সংক্রান্ত নানা তথ্য এখানে সন্নিবেশ করা হয়েছে।

সূচনা

অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে দেশের কিছু নাগরিককে তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি ও অন্য‌ান্য‌ অনগ্রসর শ্রেণি হিসাবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। অনগ্রসর শ্রেণির জাতীয় কমিশন অনগ্রসর শ্রেণির জন্য‌ যে তালিকা দিয়েছে তা অত্য‌ন্ত সম্প্রসারণশীল অর্থাৎ প্রয়োজনে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার কথা বিবেচনা করে সেই তালিকায় নতুন কোনও সম্প্রদায়ের নাম অন্তর্ভুক্ত করা যায় বা প্রয়োজনে বাদও দেওয়া যায়।

অনগ্রসর শ্রেণির অর্থ সেই সব সম্প্রদায় বা শ্রেণি যেগুলি তফশিলি জাতি বা উপজাতিভুক্ত নয়, কিন্তু সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে থাকার কারণে যাদের কেন্দ্রীয় সরকার চিহ্নিত করেছে এবং জীবিকা ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের জন্য সংরক্ষণের সুপারিশ করেছে যাতে তারা ভারতের ভৌগোলিক পরিসীমার মধ্য‌ে সর্বত্র সরকারি ও স্থানীয় প্রশাসনের চাকরির ক্ষেত্রে নিজেদের সঠিক ভাবে তুলে ধরার সুযোগ পায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, অন্য‌ান্য‌ অনগ্রসর শ্রেণি সরকারি চাকুরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে ২৭ শতাংশ সংরক্ষণের দাবিদার।

অনগ্রসর শ্রেণি বিভাগ

১৯৮৫ সালের আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ অনগ্রসর শ্রেণি সেল (বিসিসি) এদের উন্নয়নের ব্য‌াপারে কাজ করত। পরে ১৯৮৫ সালে সমাজ কল্য‌াণ মন্ত্রক ( ১৯৯৮ সালের ২৫ মে থেকে যার নাম হয় সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক ) স্থাপিত হওয়ায় তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি, অন্য‌ান্য‌ অনগ্রসর শ্রেণি এবং সংখ্যালঘুদের বিষয়গুলি নতুন মন্ত্রকের আওতায় আসে। পরবর্তীকালে তফশিলি উপজাতি ও সংখ্য‌ালঘুদের জন্য‌ দুটি আলাদা মন্ত্রক স্থাপিত হয়। এই দুই বিভাগের কাজগুলি আলাদা আলাদা মন্ত্রকের আওতায় আসে।

ব্য‌াকওয়ার্ড ক্লাসেস ব্য‌ুরোর মাধ্য‌মে সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক অনগ্রসর শ্রেণির জন্য‌ গৃহীত প্রকল্পগুলি রূপায়ণ করে ও সেগুলির ব্য‌াপারে দেখভাল করে। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত অনগ্রসর শ্রেণি জাতীয় কমিশনের কাজও এই মন্ত্রক দেখাশোনা করে। কমিশন কোন সম্প্রদায়, উপজাতি, জাতিকে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকাভুক্ত করতে হবে সে ব্য‌াপারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রককে পরামর্শ দেয়।

সংবিধানে অনগ্রসর শ্রেণিকে সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়া বলে বর্ণনা করা হয়েছে। সেই কারণে তাদের সামাজিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নের জন্য‌ সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্য‌বস্থা নিতে হয়। সেই কারণে তাদের সামাজিক ও শিক্ষাগত উন্নয়নের জন্য‌ সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্য‌বস্থা নিতে হয়। অনগ্রসর শ্রেণির সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের ব্য‌াপারে পরিকল্পনা করা, প্রকল্প নির্ধারণ করা ও তা রূপায়ণ করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ অনগ্রসর শ্রেণি সম্পর্কিত বিভাগের। এই দফতরই অনগ্রসর শ্রেণির জন্য‌ স্থাপিত দু’টি প্রতিষ্ঠানের দেখভাল করে।

প্রতিষ্ঠান দুটি হল—

  • অনগ্রসর শ্রণির জন্য‌ জাতীয় কমিশন ( ন্য‌াশনাল কমিশন ফর ব্য‌াকওয়ার্ড ক্লাসেস, সংক্ষেপে এনসিবিসি )
  • জাতীয় অনগ্রসর শ্রেণি বিত্ত ও উন্নয়ন নিগম ( ন্য‌াশনাল ব্য‌াকওয়ার্ড ক্লাসেস ফিনান্স অ্য‌ান্ড ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন সংক্ষেপে এনবিসিএফডিসি )

সূত্রঃ সামাজিক ন্য‌ায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রক

2.95161290323
মন্তব্য যোগ করুন

(ওপরের বিষয়বস্তুটি সম্পর্কে যদি আপনার কোন মন্তব্য / পরামর্শ থাকে, তাহলে দয়া করে আমাদের উদ্দেশ্যে পোস্ট করুন).

Enter the word
Back to top