হোম / সমাজ কল্যাণ / সমাজ উন্নয়ন, রাজনীতি ও প্রশাসন
ভাগ করে নিন

সমাজ উন্নয়ন, রাজনীতি ও প্রশাসন

দেশ ও সমাজের সার্বিক উন্নয়নের সঙ্গে রাজনীতি ও প্রশাসনের যোগ সুনিবিড়। রাজনীতিকরা রাজনীতির ঊর্ধ্বে না উঠলে এবং প্রশাসন স্বচ্ছ, দক্ষ, রাজনীতিমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত না হলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এই বিভাগে থাকছে উন্নয়ন-রাজনীতি-প্রশাসন সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে সমাজতাত্ত্বিকদের আলোচনা, ব্যাখ্যা ইত্যাদি।

রাজনীতি ও প্রশাসন : সিভিল সার্ভিসের দায়িত্ব ও কর্তব্য‌
রাজনীতিক ও আমলাদের যৌথ প্রচেষ্টা ছাড়া সুষ্ঠু ভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালান অসম্ভব। কিন্তু দুর্নীতির বেড়াজালে জড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশ। তা হলে জাতীয় উন্নয়ন সম্ভব কী ভাবে? আলোচনা করেছেন তৎকালীন যোজনা কমিশনের সদস্য বি কে চতুর্বেদী।
সিভিল সার্ভিসের কাজের আকর্ষণ
সিভিল সার্ভিসের পদাধিকারীদের নানা ধরনের প্রচুর চ্য‌ালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হয় যা এই সার্ভিসের অন্য‌তম আকর্ষণ।
সিভিল সার্ভেন্টদের আচরণ
সিভিল সার্ভিসে কিছু রীতিনীতি ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়, যাতে শেষ পর্যন্ত লাভ হয় সিভিল সার্ভেন্টদেরই।
হতে হবে সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত
সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসকের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়, যা সিভিল সার্ভিসের ভিতকে মজবুত করে তোলে।
নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি থাকবে নিজেরই হাতে
কর্তৃত্ব বা ক্ষমতা সহকর্মীদের মধ্য‌ে বণ্টন করে দেওয়া যায় কিন্তু নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি রাখতে হবে নিজেরই কাছে।
নিজের মত খোলাখুলি স্পষ্ট জানান
সিভিল সার্ভেন্টের উচিত নিজের মতামত সুস্পষ্ট ভাবে এবং যুক্তিতর্ক দিয়ে খোলাখুলি জানানো।
নিজের মত খোলাখুলি স্পষ্ট জানান
সিভিল সার্ভেন্টের উচিত নিজের মতামত সুস্পষ্ট ভাবে এবং যুক্তিতর্ক দিয়ে খোলাখুলি জানানো।
তথ্য‌প্রযুক্তির সঙ্গে সড়গড় হন
তথ্য‌প্রযুক্তি এবং নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন কাজকর্ম ত্বরান্বিত করে, সরকারি পরিষেবাকে দক্ষ করে তোলে এবং দুর্নীতি দমনে সাহায্য‌ করে।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার দায়িত্ব
সরকারি প্রশাসনকে শক্তিশালী করে তোলা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব বর্তায় সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উপর।
চাই ঠান্ডা মাথা, স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি
পরিস্থিতি ও সমস্য‌ার সামাল দিতে হবে খুব ঠান্ডা মাথায়, দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বচ্ছ রেখে।
ন্যাভিগেশন
Back to top