হোম / স্বাস্থ্য / পরিচ্ছনতা ও স্বাস্থ্যবিধি / স্বচ্ছ ভারত গড়তে সচেতনতার প্রসার ও আইনের অনুশাসনের গুরুত্ব
ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

স্বচ্ছ ভারত গড়তে সচেতনতার প্রসার ও আইনের অনুশাসনের গুরুত্ব

স্বচ্ছ ভারত গড়ে তুলতে হলে চাই সার্বিক সচেতনতা। সঙ্গে আইনের অনুশাসনের গুরুত্বও বুঝতে হবে এবং তা মেনে চলতে হবে প্রতি পদে। লিখেছেন তপনকুমার ভট্টাচার্য।

অপরিচ্ছন্নতা রোখার প্রচেষ্টা
আমাদের দেশে যে অপরিচ্ছন্নতা রুখতে কোনও ব্য‌বস্থা নেওয়া হয়নি তা নয়।
পলিপ্য‌াকের আগ্রাসন
পলিপ্য‌াক আর থার্মোকলের ব্য‌বহার ক্রমশ বেড়েই চলেছে। মাছ বিক্রেতারা প্লাস্টিকের প্য‌াকেটেই কাটা বা আস্ত মাছ ভরে দিচ্ছেন।
দূষণের শিকার জলাশয় ও নদনদী
দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের আইন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে ৪০ মাইক্রোনের কম পুরু প্লাস্টিক তৈরি বা ব্য‌বহার নিষিদ্ধ।
গঙ্গার দূষণ নির্ণয়
গঙ্গার দূষণ নির্ণয়ের একটা মাপকাঠি হল জলে ‘ফিকাল কলিফর্ম’ ব্য‌াকটেরিয়ার পরিমাণ।
উন্মুক্ত শৌচাগার
অত্য‌ন্ত লজ্জার বিষয় যে ভারতে এক বিপুল সংখ্য‌ক মানুষ উন্মুক্ত অঞ্চলে শৌচকর্ম করে থাকে।
অপরিচ্ছন্নতা নিয়ে দেশবাসী উদাসীন
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে স্বচ্ছ ভারত অভিযান কর্মসূচির ঘোষণা করেন।
শৌচাগারের অভাব
শাশ্বতী ঘোষ একটি প্রবন্ধে লিখেছেন, ২০১১ সালেও ৫৩ শতাংশ ভারতীয় বাইরে শৌচকর্ম করতে বাধ্য‌ হন।
দারিদ্র এবং অশিক্ষার সঙ্গে অপরিচ্ছন্নতার সম্পর্ক
অনেকে বলে থাকেন দারিদ্র দূর করতে না পারলে এবং সেই সঙ্গে মানুষকে শিক্ষিত করে তুলতে না পারলে দেশ থেকে অপরিচ্ছন্নতা দূর করা সম্ভব নয়।
বিভিন্ন দেশের সাফল্য‌
আমরা না পারলেও পৃথিবীর অনেক দেশই কিন্তু অপরিচ্ছন্নতাকে জয় করে পরিচ্ছন্ন দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
স্বচ্ছ ভারত গড়ে তোলা কতটা সম্ভব
স্বচ্ছ ভারত কর্মসূচি সফল করতে রাজনীতিবিদ থেকে প্রশাসনিক কর্তাব্য‌ক্তি এবং বুদ্ধিজীবী মহলের একাংশ মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
ন্যাভিগেশন
Back to top