ভাগ করে নিন
ভিউজ্
  • অবস্থা সম্পাদনার জন্য উন্মুক্ত

তীর্থস্থান

রাজ্যের বিভিন্ন তীর্থস্থানের বিবরণ দেওয়া হয়েছে এখানে।

কালিঘাট
দক্ষিণেশ্বর
পানিহাটি-খড়দহ
“পানিহাটি সম গ্রাম নাহি গঙ্গাতীরে। বড় বড় সমাজ সব পতাকা মন্দিরে” – পানিহাটির নাম যে শুধু জয়ানন্দের ‘চৈতন্যমঙ্গল’-এই রয়েছে তা-ই নয়, বৃন্দাবন দাসের ‘চৈতন্যভাগবত’, কৃষ্ণদাস কবিরাজের ‘চৈতন্য চরিতামৃত’ গ্রন্থেও পানিহাটির নাম পাওয়া যায়।
গঙ্গাসাগর
মন্দিরবাজার
মন্দিরময় মন্দিরবাজার। মন্দিরবাজার বাস মোড় থেকে অতি স্বল্প দূরত্বের পিচঢালা পথ পৌঁছে দেবে কেশবেশ্বর মন্দিরের প্রাঙ্গণে। আকার, উচ্চতা, স্থাপত্যশৈলী এবং পোড়ামাটির অলঙ্করণে এই মন্দির দক্ষিণ ২৪ পরগণার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মন্দির।
বেলুড় মঠ
মন্দির, মসজিদ ও গির্জা -- তিন ধর্মের উপাসনাস্থলের গঠনশৈলির মিশ্রণে তৈরি এই অসাধারণ মন্দিরটি। এটি সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদেরও একটি অনুপম নিদর্শন। মন্দিরের ভিতরে বিশাল উপাসনা কক্ষ। বেদীর উপর উপবিষ্ট শ্রীরামকৃষ্ণের শ্বেতমর্মর মূর্তি।
তারকেশ্বর
সিঙ্গুর থেকে যে রাস্তাটা তারকেশ্বরে গেছে সেই রাস্তায় জুলাই-আগস্ট মাসে বা শিবরাত্রি ও চৈত্র সংক্রান্তির সময় তোমাদের যাওয়ার সুযোগ হয় তা হলে দেখবে দলে দলে আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা চলেছে হেঁটে। কাঁখে বাঁক। সাধারণ থেকে সুদৃশ্য। তাতে রয়েছে জল।
আঁটপুর
কামারপুর-জয়রামবাটি
বাঁশবেড়িয়া
অতীতের বংশবাটি আজকের বাঁশবেড়িয়া। হংসেশ্বরী মন্দিরের জন্য খ্যাতি বাঁশবেড়িয়ার। তন্ত্রমতে তৈরি এই মন্দিরের ৫টি তলা মানুষের দেহের ইড়া, পিঙ্গলা, বজ্রাক্ষ, সুষুম্না ও চিত্রিণী – এই পাঁচটি নাড়ির ইঙ্গিত বহন করছে।
ন্যাভিগেশন
Back to top